2016 সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রাপ্ত চিকিৎসক হলেন-
MEDICALসাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশপুরষ্কার ও সম্মাননাস্বাধীনতা পদক (চিকিৎসা ২০১৬) (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
ডা. এম. আর. খান
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
২০১৬ সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার: চিকিৎসা 👨⚕️
২০১৬ সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে ভূষিত হওয়া চিকিৎসকের নাম ডা. এম. আর. খান। চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। 👏
ডা. এম. আর. খানের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- পুরো নাম: ডাঃ মোহাম্মদ রফি খান
- পরিচিতি: শিশু বিশেষজ্ঞ ও সমাজ সেবক।
- জন্ম: ১ আগস্ট, ১৯২৮, ব্রিটিশ ভারত
- মৃত্যু: ৬ নভেম্বর, ২০১৬, ঢাকা, বাংলাদেশ
- কর্মক্ষেত্র: চিকিৎসা এবং সমাজসেবা
- অবদান: শিশু স্বাস্থ্যসেবা, হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা 🏥
- পুরস্কার: স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (২০১৬) 🏅
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার ২০১৬: চিকিৎসা ক্ষেত্রে অন্যান্য অবদান
ডা. এম. আর. খানের পাশাপাশি, ২০১৬ সালে আরও অনেকে চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদান রাখায় স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের নাম নিচে উল্লেখ করা হলো:
- নাম ১: (তথ্য অভাব)
- নাম ২: (তথ্য অভাব)
- নাম ৩: (তথ্য অভাব)
পুরস্কারের তাৎপর্য:
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান। এটি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি দেয়। 💖 চিকিৎসা ক্ষেত্রে এই পুরস্কার চিকিৎসকদের সেবার মানসিকতাকে আরও উৎসাহিত করে। 👍
ডা. এম. আর. খানের কর্মজীবন এবং অবদান:
| বছর | গুরুত্বপূর্ণ কাজ/পদ | অবদান |
|---|---|---|
| ১৯৫৫ | মিডফোর্ড হাসপাতালে যোগদান | চিকিৎসা সেবার শুরু |
| ১৯৬২ | ঢাকা মেডিকেল কলেজে যোগদান | শিক্ষকতা ও চিকিৎসা |
| ১৯৭০ | শিশু স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা | শিশু স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন 👶 |
| অন্যান্য সময় | বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ | দরিদ্রদের সহায়তা 🤝 |
ডা. এম. আর. খানের মত চিকিৎসকরা আমাদের দেশের সম্পদ। 🌟 তাঁদের অবদান চিরস্মরণীয়। 🙏
উৎস : উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য ওয়েবসাইট।
```