'অ্যানসিয়েন্ট সোসাইটি ' বই কার লেখা ?

অ্যানসিয়েন্ট সোসাইটি
অ্যানসিয়েন্ট সোসাইটি বইটি লুইস হেনরি মর্গান (এল. এইচ. মর্গান) এর লেখা। এটি নৃতত্ত্ব এবং সমাজবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। 🏛️
বইটির মূল বিষয়বস্তু:
- বইটির বিষয়: মানব সমাজের বিবর্তন এবং বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়।
- দৃষ্টিভঙ্গি: মর্গান সমাজের অগ্রগতিকে সরলরৈখিকভাবে দেখেছেন, যেখানে প্রতিটি সমাজ নির্দিষ্ট ধাপ অতিক্রম করে উন্নত হয়।
- প্রধান পর্যায়সমূহ:
- বন্য পর্যায় (Savagery): শিকার এবং খাদ্য সংগ্রহের উপর নির্ভরশীল। 🏹
- বর্বর পর্যায় (Barbarism): কৃষিকাজ এবং পশুপালন শুরু। 🌾🐄
- সভ্য পর্যায় (Civilization): লিখন পদ্ধতি এবং নগর জীবনের উদ্ভব। ✍️🏙️
বইটির গুরুত্ব:
অ্যানসিয়েন্ট সোসাইটি উনিশ শতকের সমাজবিজ্ঞান এবং নৃতত্ত্বের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এটি কার্ল মার্ক্স এবং ফ্রিডরিখ এঙ্গেলসকেও প্রভাবিত করেছিল, যারা তাদের ঐতিহাসিক বস্তুবাদ (Historical Materialism) তত্ত্বের বিকাশে মর্গানের কাজ ব্যবহার করেছিলেন। 💡
গ্রন্থকারের পরিচিতি
| নাম | এল. এইচ. মর্গান |
|---|---|
| পুরো নাম | লুইস হেনরি মর্গান |
| পেশা | নৃতত্ত্ববিদ, সমাজবিজ্ঞানী, আইনজীবী |
| জন্ম | ২১ নভেম্বর, ১৮১৮ |
| মৃত্যু | ১৭ ডিসেম্বর, ১৮৮১ |
পর্যালোচনা
বইটি প্রকাশের পরে, এটি বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত এবং সমালোচিত হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে মানব সমাজের বিকাশের একটি মূল্যবান কাঠামো হিসাবে দেখেছেন, আবার কেউ কেউ এর সরলরৈখিক বিবর্তন মডেলের সমালোচনা করেছেন। 🤔
আজও, অ্যানসিয়েন্ট সোসাইটি নৃতত্ত্ব এবং সমাজবিজ্ঞানের ছাত্রদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য। ❤️
আরো কিছু তথ্য:
- বইটি ১৮৭৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। 📅
- বইটি তৎকালীন সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। 💥
আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগবে। 👍
```