মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

" একই তাপমাত্রা ও চাপে সমান আয়তনের সকল গ্যাসে সমান সংখ্যক অনু থাকে । " সূত্রটি কার?

A. চার্লসের
B. বয়েলের
C. রেনোর
D. অ্যাভোগ্রেডোর
Poster Download
SylaUপদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রআদর্শ গ্যাস ও গ্যাসের গতিতত্ত্বআদর্শ গ্যাসের সূত্রাবলী (Topic Practice)SylaU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. অ্যাভোগ্রেডোর
Explanation:

Another Explanation (5):

অ্যাভোগেড্রো সূত্র: একটি একাডেমিক আলোচনা 🧪

অ্যাভোগেড্রো সূত্র গ্যাসীয় পদার্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। এটি গ্যাসের মোল সংখ্যা এবং আয়তনের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। নিচে সূত্রটি এবং এর তাৎপর্য আলোচনা করা হলো:

অ্যাভোগেড্রো সূত্রটি কি? 🤔

অ্যাভোগেড্রো সূত্রানুসারে, "একই তাপমাত্রা ও চাপে, সকল গ্যাসের সমান আয়তনে সমান সংখ্যক অণু বিদ্যমান থাকে।" অর্থাৎ, যদি দুটি ভিন্ন গ্যাসের তাপমাত্রা এবং চাপ একই থাকে এবং তাদের আয়তনও সমান হয়, তবে গ্যাস দুটিতে অণুর সংখ্যাও সমান হবে।

সূত্রের গাণিতিক প্রকাশ ➕

গাণিতিকভাবে এই সূত্রটি এভাবে প্রকাশ করা যায়:

V ∝ n (যখন তাপমাত্রা ও চাপ স্থির থাকে)

এখানে,

  • V = গ্যাসের আয়তন
  • n = গ্যাসের মোল সংখ্যা

সূত্রের ব্যাখ্যা এবং তাৎপর্য 💡

অ্যাভোগেড্রো সূত্রটি গ্যাসীয় পদার্থের আচরণ বুঝতে সহায়ক। এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. মোল সংখ্যা নির্ণয়: কোনো গ্যাসের আয়তন জানা থাকলে, অ্যাভোগেড্রো সূত্রের মাধ্যমে গ্যাসটির মোল সংখ্যা নির্ণয় করা যায়।
  2. গ্যাসের ঘনত্ব নির্ণয়: গ্যাসের ঘনত্ব নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এই সূত্রটি ব্যবহার করা হয়।
  3. রাসায়নিক বিক্রিয়ার সমীকরণ: রাসায়নিক বিক্রিয়ার সমীকরণে গ্যাসীয় পদার্থের মোল অনুপাত বের করতে এটি কাজে লাগে।
  4. আণবিক ভর নির্ণয়: গ্যাসের আণবিক ভর নির্ণয়েও এই সূত্রটি গুরুত্বপূর্ণ।

বিভিন্ন গ্যাসের ক্ষেত্রে অ্যাভোগেড্রো সূত্রের প্রয়োগ 👇

গ্যাস আয়তন (লিটার) মোল সংখ্যা অণুর সংখ্যা
অক্সিজেন (O₂) 22.4 1 6.022 x 10²³
নাইট্রোজেন (N₂) 22.4 1 6.022 x 10²³
কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) 22.4 1 6.022 x 10²³

N.B: এখানে তাপমাত্রা 0°C এবং চাপ 1 atm ধরা হয়েছে।

অ্যাভোগেড্রো ধ্রুবক ⚛️

অ্যাভোগেড্রো ধ্রুবক (Nₐ) হলো একটি মৌলিক ভৌত ধ্রুবক। এর মান হলো 6.022 x 10²³ টি প্রতি মোল। এই সংখ্যাটি এক মোল পরিমাণে যেকোনো পদার্থে (পরমাণু, অণু, আয়ন ইত্যাদি) বিদ্যমান কণার সংখ্যা নির্দেশ করে।

ব্যবহারিক উদাহরণ 🧪🌡️

ধরুন, আপনার কাছে দুটি বেলুন আছে। একটিতে অক্সিজেন এবং অন্যটিতে হাইড্রোজেন গ্যাস আছে। যদি উভয় বেলুনের তাপমাত্রা ও চাপ একই থাকে এবং উভয় বেলুনের আয়তনও সমান হয়, তাহলে অ্যাভোগেড্রো সূত্র অনুসারে দুটি বেলুনে গ্যাসের অণুর সংখ্যা সমান হবে।

সীমাবদ্ধতা ⛔

অ্যাভোগেড্রো সূত্রটি শুধুমাত্র আদর্শ গ্যাসের জন্য প্রযোজ্য। উচ্চ চাপ এবং নিম্ন তাপমাত্রায় গ্যাস আদর্শ আচরণ থেকে বিচ্যুত হলে এই সূত্রটি সঠিকভাবে কাজ করে না।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ 👀

  • সূত্রটি গ্যাসের আয়তন এবং মোল সংখ্যার মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
  • এটি গ্যাসের আণবিক ভর এবং ঘনত্ব নির্ণয়ে সাহায্য করে।
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ায় গ্যাসীয় পদার্থের পরিমাণগত হিসাবের জন্য অপরিহার্য।

উপসংহার ✅

অ্যাভোগেড্রো সূত্র রসায়ন এবং গ্যাসীয় পদার্থের গবেষণায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি স্থাপন করেছে। গ্যাসীয় পদার্থের আচরণ এবং পরিমাণগত সম্পর্ক বুঝতে এই সূত্রের অবদান অনস্বীকার্য। 👍