কোন হরমোনের অভাবে গলগন্ড রোগের সৃষ্টি হয়?
CVASUজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রসমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণহরমোন (Topic Practice)CVASU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
থাইরক্সিন
Explanation:

Another Explanation (5):
গলগন্ড রোগ: থাইরক্সিনের অভাবজনিত সমস্যা 🧐
গলগন্ড একটি পরিচিত রোগ। এটি মূলত থাইরক্সিন হরমোনের অভাবে হয়ে থাকে। থাইরক্সিন আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এই রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
থাইরক্সিন হরমোন কি? 🧪
থাইরক্সিন হলো থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন। এটি শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশ নেয়। যেমন:
- শরীরের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ 🌡️
- বৃদ্ধি এবং বিকাশ 👶➡️🧑
- হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষা 🦴
- স্নায়ুর কার্যকারিতা ঠিক রাখা 🧠
গলগন্ড কেন হয়? 🤔
যখন থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাইরক্সিন উৎপাদন করতে পারে না, তখন গলগন্ড রোগ হয়। এর প্রধান কারণগুলো হলো:
- আয়োডিনের অভাব: খাদ্যতালিকায় আয়োডিনের অভাব হলে থাইরক্সিন উৎপাদন কমে যায়। 🧂
- থাইরয়েড গ্রন্থির প্রদাহ: থাইরয়েড গ্রন্থিতে প্রদাহ হলে এর কার্যকারিতা কমে যায়। 🔥
- কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ঔষধের কারণে থাইরক্সিন উৎপাদনে সমস্যা হতে পারে। 💊
গলগন্ডের লক্ষণ ⚠️
গলগন্ড হলে সাধারণত নিচের লক্ষণগুলো দেখা যায়:
- গলার সামনের দিকে ফোলা 🗣️
- শ্বাস নিতে কষ্ট 😮💨
- খাবার গিলতে অসুবিধা 😫
- কণ্ঠস্বর পরিবর্তন 🔕
- ক্লান্তি এবং দুর্বলতা 😩
গলগন্ড রোগের প্রকারভেদ 📊
| প্রকার | বর্ণনা |
|---|---|
| সাধারণ গলগন্ড | আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি বড় হয়ে যায়। |
| নোডুলার গলগন্ড | থাইরয়েড গ্রন্থিতে ছোট ছোট গুটি দেখা যায়। |
| হাইপারথাইরয়েডিজম | থাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত হরমোন উৎপাদন করে। |
| হাইপোথাইরয়েডিজম | থাইরয়েড গ্রন্থি পর্যাপ্ত হরমোন উৎপাদন করতে পারে না। |
প্রতিরোধ ও চিকিৎসা 🩺
গলগন্ড প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখা দরকার:
- আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করা 🧂✅
- নিয়মিত থাইরয়েড পরীক্ষা করানো 🧑⚕️
- চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা 💊
সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন। 😊🙏
Option A Explanation:
- থাইরক্সিন: থাইরক্সিন একটি হরমোন যা থাইরয়েড গ্রন্থি দ্বারা নিঃসরণ হয়। এটি মূলত শরীরের বিপাকের হার বৃদ্ধি করে এবং শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে।
- শারীরিক বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
- উচ্চ বা কম থাইরক্সিন স্তর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।
Option B Explanation:
- ইনসুলিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়। এর কাজ হলো রক্তে শর্করা (গ্লুকোজ) এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা।
- প্রধানতঃ এটি শরীরের গ্লুকোজ ব্যবহার বা সংরক্ষণে সহায়ক, রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ দেখা দিতে পারে, তবে এটি রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজন হয় না।
Option C Explanation:
- নাম: গ্লুকাগন
- প্রকার: হরমোন
- উৎপত্তি স্থান: অগ্ন্যাশয়ের α-কোষ থেকে নিঃসৃত
- মূল কাজ: রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করা, গ্লুকোজের সংরক্ষণ এবং মুক্তি নিয়ন্ত্রণ করে
- পরিপাক ব্যবস্থায় ভূমিকা: খাদ্য পরিপাকের সময় রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে গেলে গ্লুকাগন নিঃসরণ হয় যাতে গ্লুকোজের পরিমাণ পুনরুদ্ধার করা যায়
Option D Explanation:
- কার্টিসোল: এটি একটি স্টেরয়েড হরমোন যা অ্যাড্রিনাল কর্টেক্স দ্বারা উৎপন্ন হয়।
- মূল কাজ:
- প্রতিটি ধরণের স্ট্রেসের প্রতিক্রিয়ায় সহায়তা করে।
- রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে।
- শরীরের বিভিন্ন বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- কার্টিসোলের অভাবে: শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন:
- অ্যাডিসন রোগ (Addison's disease): যেখানে কার্টিসোলের উৎপাদন কমে যায়।
- প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া।
- অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা।
- বিষাক্ততা বৃদ্ধি ও শরীরের প্রদাহজনিত সমস্যা।