কোন উদ্ভিদে দুই ধরনের ক্লোরোপ্লাস্ট পাওয়া যায় ?
সঠিক উত্তরঃ
C.
আখ
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হলো: "আখ"।
**উপযুক্ত ব্যাখ্যা:**
আখ উদ্ভিদে দুই ধরনের ক্লোরোপ্লাস্ট দেখা যায়, যা মূলত তার বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন রকমের কার্যকলাপের জন্য দায়ী।
- প্রথম ধরনের ক্লোরোপ্লাস্ট: সাধারণত সবুজ অংশে, যেমন পাতায় পাওয়া যায়, যেখানে ফটোসিন্থেসিস সম্পন্ন হয়। এই ক্লোরোপ্লাস্ট গ্রীন রঙের হয় এবং সূর্যালোকের আলো শোষণ করে শক্তিতে রূপান্তর করে।
- দ্বিতীয় ধরনের ক্লোরোপ্লাস্ট: কিসব অপ্রধান বা অন্য অংশে, যেখানে আলোর অভাব থাকলেও কিছু নির্দিষ্ট রকমের কার্যকলাপ চালিয়ে যায়।
**সারাংশ:**
আখ উদ্ভিদে দুই ধরনের ক্লোরোপ্লাস্ট পাওয়া যায় কারণ এর বিভিন্ন অংশে আলোর বিভিন্ন প্রভাব ও কার্যকলাপের জন্য এই পার্থক্য দেখা যায়।
Option A Explanation:
- নাম: আম
- বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ফল যা সাধারণত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- সাধারণ ব্যবহার: খাওয়া হয় সরাসরি, বিভিন্ন মিষ্টি ও মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার হয়।
- পুষ্টিগুণ: ভিটামিন C, ভিটামিন A, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ফাইবারে সমৃদ্ধ।
- চেহারা: পুরু আকারে, সাধার??ত হলুদ রঙের এবং মিষ্টি স্বাদের।
Option B Explanation:
- উ??্ভিদ: পাট
- নাম: লুসিফারেজ
- প্রয়োগ: দ্যুতিময় উদ্ভিদ সৃষ্টিতে
- বিশেষতা: এই এনজাইমটি পাটের মধ্যে দ্যুতিময় (জ্যোতিলতাকৃতি) বৈশিষ্ট্য উদ্ভাসিত করতে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
- আখ (Saccharum officinarum) হলো এক ধরনের উদ্ভিদ যা মূলত শর্করা বা চিনি উৎপাদনের জন্য পরিচিত।
- এটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ, যা উচ্চতায় সাধারণত ৩ থেকে ৫ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- আখের পাতা লম্বা ও সরু, সবুজ রঙের এবং তার ভিতরে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে।
- বিশেষ করে, আখের রস থেকে চিনি বা সাকারোজ উৎপাদিত হয়, যা খাদ্য ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- আখের মূল উৎপাদন স্থানগুলো হলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, থাইল্যান্ড ও ব্রাজিল।
Option D Explanation:
- নাম: কলা
- প্রকার: পার্থেনোকার্পিক ফল
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: কলার ফল সাধারণত পুরুষোত্তর বা অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে এবং জিবেরেলিন নামক ফাইটোহরমোনের প্রয়োগে এটি পার্থেনোকার্পিক রূপে পরিণত হয়।
- উৎপত্তি: এই প্রক্রিয়ায় কলা ফলের গাছের নির্দিষ্ট অংশে জিবেরেলিন প্রয়োগ করে ফলের স্বাভাবিক জন্মের সময় ছাড়াই ফলের বৃদ্ধি ঘটানো হয়।
- ব্যবহার: কৃষি গবেষণা এবং ফলের উৎপাদনে এই প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হয় যাতে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ফলের মান নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।