কোন ভাইরাসের আক্রমনে দেহের কোষ ফেটে যায়?
JnUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসের অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Topic Practice)JnU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
Ebola ভাইরাস
Explanation:

Another Explanation (5):
ইবোলা ভাইরাস: কোষ ফেটে যাওয়ার কারণ 💥
ইবোলা ভাইরাস একটি মারাত্মক প্যাথোজেন যা মানবদেহের কোষগুলোকে ধ্বংস করে দেয়। এটি Filoviridae পরিবারের সদস্য। এই ভাইরাসের সংক্রমণে কোষ ফেটে যাওয়ার মূল কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
ইবোলা ভাইরাস কিভাবে কোষ ধ্বংস করে? 🦠
- ভাইরাসীয় প্রবেশ (Viral Entry): ইবোলা ভাইরাস প্রথমে কোষের রিসেপ্টরগুলোর সাথে যুক্ত হয় এবং এন্ডোসাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষের ভেতরে প্রবেশ করে। 🚪
- ভাইরাসীয় প্রতিলিপি (Viral Replication): কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর, ভাইরাসটি তার জিনোম ব্যবহার করে নিজের অসংখ্য কপি তৈরি করে। 🧬➡️🧬🧬🧬
- প্রোটিন উৎপাদন (Protein Production): ভাইরাস প্রচুর পরিমাণে ভাইরাল প্রোটিন তৈরি করে যা কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করে। ⚙️❌
- কোষীয় অঙ্গাণুর ক্ষতি (Damage to Cellular Organelles): ভাইরাস কোষের বিভিন্ন অঙ্গাণু, যেমন - মাইটোকন্ড্রিয়া ও এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের ক্ষতি করে। 💔
- ইমিউন প্রতিক্রিয়া (Immune Response): ভাইরাসের সংক্রমণ শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে অতিরিক্ত সক্রিয় করে তোলে, যার ফলে সাইটোকাইন স্টর্ম (Cytokine Storm) তৈরি হয়। এটি প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং কোষের ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দেয়। 🤯
- অ্যাপোপটোসিস ও নেক্রোসিস (Apoptosis and Necrosis): শেষ পর্যন্ত, ভাইরাস সংক্রমণ কোষের স্বাভাবিক মৃত্যু প্রক্রিয়া (অ্যাপোপটোসিস) বা অনিয়ন্ত্রিত কোষ মৃত্যু (নেক্রোসিস) ঘটায়, যার ফলে কোষ ফেটে যায়। 💀
কোষ ফেটে যাওয়ার প্রভাব 💔
| অঙ্গ (Organ) | ক্ষতির ধরণ (Type of Damage) | ফলাফল (Consequence) |
|---|---|---|
| লিভার (Liver) 肝 | হেপাটোসাইট ধ্বংস (Hepatocyte damage) | জন্ডিস, রক্তক্ষরণ (Jaundice, bleeding) |
| প্লীহা (Spleen) 脾 | লিম্ফোসাইট ধ্বংস (Lymphocyte damage) | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া (Weakened immunity) |
| রক্তনালী (Blood vessels) 血管 | এন্ডোথেলিয়াল কোষের ক্ষতি (Endothelial cell damage) | রক্তক্ষরণ, রক্ত জমাট বাঁধা (Bleeding, blood clots) |
ইবোলা ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ 🤒
- জ্বর (Fever) 🌡️
- দুর্বলতা (Weakness) 😩
- পেশী ব্যথা (Muscle pain) 💪🤕
- গলা ব্যথা (Sore throat) 🗣️
- অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক রক্তক্ষরণ (Internal and external bleeding) 🩸
ইবোলা ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস। এটি কোষকে ধ্বংস করার মাধ্যমে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।🧬☠️🩸 সুতরাং, এর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সচেতনতা জরুরি। 🙏
Option A Explanation:
HIV ভাইরাসের সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি পরিচিতি: HIV (Human Immunodeficiency Virus) একটি ভাইরাস যা মানব দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
- প্রভাব: এটি মূলত শরীরের ইমিউন সিস্টেমের কোষ, বিশেষ করে CD4 টি lymphocyte কোষ, আক্রান্ত করে।
- কোষের ধ্বংস: HIV ভাইরাসের আক্রমণে শরীরের কোষ সরাসরি ফেটে বা ধ্বংস হয় না, বরং এটি কোষের মধ্যে প্রবেশ করে তার কার্যক্ষমতা পরিবর্তন করে এবং ধীরে ধীরে কোষের ক্ষতি সাধন করে।
- অপরাধ: ভাইরাসের কারণে কোষের ভেতরপ্রবেশের সময়, কিছু ক্ষেত্রে কোষের অভ্যন্তরে অ্যাপোপটোসিস বা প্রানসংহার প্রক্রিয়া ঘটে, তবে এটি সাধারণত কোষ ফেটে যায় বলে বিবেচিত নয়।
- উপসংহার: HIV ভাইরাসের আক্রমণে দেহের কোষ সরাসরি ফেটে যায় না, বরং ভাইরাসের কারণে কোষের কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং ধীরে ধীরে কোষের মৃত্যু ঘটে।
Option B Explanation:
- Polio ভাইরাস: এটি একটি রোভার ভাইরাস যা পোলিও (Poliomyelitis) রোগের কারণ।
- প্রধানত এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং ডিম্বপ্রসর বা কোষের ক্ষতি ঘটায়।
- বিশেষ করে, এটি নিউরোনাল কোষের মধ্যে প্রবেশ করে তাদের ধ্বংস করে দেয়।
- অবশ্য, পোলিও ভাইরাসের আক্রমণে সাধারণত কোষ ফেটে যায় বলে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই।
- তবে, গুরুতর ক্ষেত্রে নিউরনের ক্ষতি বা paralysis হতে পারে।
Option C Explanation:
- বিশ্লেষণ: Ebola ভাইরাস একটি মারাত্মক রক্তক্ষরণজনিত রোগ সৃষ্টি করে, যা দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে।
- কোষের প্রভাব: এই ভাইরাসের আক্রমণে দেহের কোষের ক্ষতি হয়, এবং কিছু ক্ষেত্রে কোষের ফেটে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
- প্রকাশ: কোষের ফেটে যাওয়ার ফলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং জীবননাশের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
- আক্রমণের প্রক্রিয়া: Ebola ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কোষে আঘাত হানে, যার ফলে কোষের গঠন ও কার্যক্ষমতা পরিবর্তিত হয়।
Option D Explanation:
- ডেঙ্গু ভাইরাস: এটি একটি রক্তে সংক্রমিত ভাইরাস যা ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী।
- রোগের প্রভাব: এটি রক্তের প্লেটলেট কমিয়ে দেয় এবং রক্তনালীগুলির দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত করে।
- প্রভাবের ফলাফল: গুরুতর ক্ষেত্রে, এটি রক্তনালীর ফেটে যাওয়া বা ব্লিডিংয়ের কারণ হতে পারে।
- প্রতিরোধ: এড়ানোর জন্য সচেতনতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধক ব্যবস্থা এবং এডিস মশার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।