মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোন ভাইরাসের আক্রমনে দেহের কোষ ফেটে যায়?

A. HIV ভাইরাস
B. Polio ভাইরাস
C. Ebola ভাইরাস
D. Dengue ভাইরাস
Poster Download
JnUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসের অর্থনৈতিক গুরুত্ব (Topic Practice)JnU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. Ebola ভাইরাস
Explanation:

Another Explanation (5):

ইবোলা ভাইরাস: কোষ ফেটে যাওয়ার কারণ 💥

ইবোলা ভাইরাস একটি মারাত্মক প্যাথোজেন যা মানবদেহের কোষগুলোকে ধ্বংস করে দেয়। এটি Filoviridae পরিবারের সদস্য। এই ভাইরাসের সংক্রমণে কোষ ফেটে যাওয়ার মূল কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

ইবোলা ভাইরাস কিভাবে কোষ ধ্বংস করে? 🦠

  1. ভাইরাসীয় প্রবেশ (Viral Entry): ইবোলা ভাইরাস প্রথমে কোষের রিসেপ্টরগুলোর সাথে যুক্ত হয় এবং এন্ডোসাইটোসিস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষের ভেতরে প্রবেশ করে। 🚪
  2. ভাইরাসীয় প্রতিলিপি (Viral Replication): কোষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর, ভাইরাসটি তার জিনোম ব্যবহার করে নিজের অসংখ্য কপি তৈরি করে। 🧬➡️🧬🧬🧬
  3. প্রোটিন উৎপাদন (Protein Production): ভাইরাস প্রচুর পরিমাণে ভাইরাল প্রোটিন তৈরি করে যা কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করে। ⚙️❌
  4. কোষীয় অঙ্গাণুর ক্ষতি (Damage to Cellular Organelles): ভাইরাস কোষের বিভিন্ন অঙ্গাণু, যেমন - মাইটোকন্ড্রিয়া ও এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের ক্ষতি করে। 💔
  5. ইমিউন প্রতিক্রিয়া (Immune Response): ভাইরাসের সংক্রমণ শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে অতিরিক্ত সক্রিয় করে তোলে, যার ফলে সাইটোকাইন স্টর্ম (Cytokine Storm) তৈরি হয়। এটি প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং কোষের ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দেয়। 🤯
  6. অ্যাপোপটোসিস ও নেক্রোসিস (Apoptosis and Necrosis): শেষ পর্যন্ত, ভাইরাস সংক্রমণ কোষের স্বাভাবিক মৃত্যু প্রক্রিয়া (অ্যাপোপটোসিস) বা অনিয়ন্ত্রিত কোষ মৃত্যু (নেক্রোসিস) ঘটায়, যার ফলে কোষ ফেটে যায়। 💀

কোষ ফেটে যাওয়ার প্রভাব 💔

অঙ্গ (Organ) ক্ষতির ধরণ (Type of Damage) ফলাফল (Consequence)
লিভার (Liver) 肝 হেপাটোসাইট ধ্বংস (Hepatocyte damage) জন্ডিস, রক্তক্ষরণ (Jaundice, bleeding)
প্লীহা (Spleen) 脾 লিম্ফোসাইট ধ্বংস (Lymphocyte damage) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া (Weakened immunity)
রক্তনালী (Blood vessels) 血管 এন্ডোথেলিয়াল কোষের ক্ষতি (Endothelial cell damage) রক্তক্ষরণ, রক্ত জমাট বাঁধা (Bleeding, blood clots)

ইবোলা ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ 🤒

  • জ্বর (Fever) 🌡️
  • দুর্বলতা (Weakness) 😩
  • পেশী ব্যথা (Muscle pain) 💪🤕
  • গলা ব্যথা (Sore throat) 🗣️
  • অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক রক্তক্ষরণ (Internal and external bleeding) 🩸

ইবোলা ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস। এটি কোষকে ধ্বংস করার মাধ্যমে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়।🧬☠️🩸 সুতরাং, এর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সচেতনতা জরুরি। 🙏

Option A Explanation:

HIV ভাইরাসের সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা

  • সম্প্রতি পরিচিতি: HIV (Human Immunodeficiency Virus) একটি ভাইরাস যা মানব দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।
  • প্রভাব: এটি মূলত শরীরের ইমিউন সিস্টেমের কোষ, বিশেষ করে CD4 টি lymphocyte কোষ, আক্রান্ত করে।
  • কোষের ধ্বংস: HIV ভাইরাসের আক্রমণে শরীরের কোষ সরাসরি ফেটে বা ধ্বংস হয় না, বরং এটি কোষের মধ্যে প্রবেশ করে তার কার্যক্ষমতা পরিবর্তন করে এবং ধীরে ধীরে কোষের ক্ষতি সাধন করে।
  • অপরাধ: ভাইরাসের কারণে কোষের ভেতরপ্রবেশের সময়, কিছু ক্ষেত্রে কোষের অভ্যন্তরে অ্যাপোপটোসিস বা প্রানসংহার প্রক্রিয়া ঘটে, তবে এটি সাধারণত কোষ ফেটে যায় বলে বিবেচিত নয়।
  • উপসংহার: HIV ভাইরাসের আক্রমণে দেহের কোষ সরাসরি ফেটে যায় না, বরং ভাইরাসের কারণে কোষের কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং ধীরে ধীরে কোষের মৃত্যু ঘটে।
Option B Explanation:
  • Polio ভাইরাস: এটি একটি রোভার ভাইরাস যা পোলিও (Poliomyelitis) রোগের কারণ।
  • প্রধানত এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং ডিম্বপ্রসর বা কোষের ক্ষতি ঘটায়।
  • বিশেষ করে, এটি নিউরোনাল কোষের মধ্যে প্রবেশ করে তাদের ধ্বংস করে দেয়।
  • অবশ্য, পোলিও ভাইরাসের আক্রমণে সাধারণত কোষ ফেটে যায় বলে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই।
  • তবে, গুরুতর ক্ষেত্রে নিউরনের ক্ষতি বা paralysis হতে পারে।
Option C Explanation:
  • বিশ্লেষণ: Ebola ভাইরাস একটি মারাত্মক রক্তক্ষরণজনিত রোগ সৃষ্টি করে, যা দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে।
  • কোষের প্রভাব: এই ভাইরাসের আক্রমণে দেহের কোষের ক্ষতি হয়, এবং কিছু ক্ষেত্রে কোষের ফেটে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
  • প্রকাশ: কোষের ফেটে যাওয়ার ফলে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং জীবননাশের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
  • আক্রমণের প্রক্রিয়া: Ebola ভাইরাস রক্তের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কোষে আঘাত হানে, যার ফলে কোষের গঠন ও কার্যক্ষমতা পরিবর্তিত হয়।
Option D Explanation:
  • ডেঙ্গু ভাইরাস: এটি একটি রক্তে সংক্রমিত ভাইরাস যা ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী।
  • রোগের প্রভাব: এটি রক্তের প্লেটলেট কমিয়ে দেয় এবং রক্তনালীগুলির দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত করে।
  • প্রভাবের ফলাফল: গুরুতর ক্ষেত্রে, এটি রক্তনালীর ফেটে যাওয়া বা ব্লিডিংয়ের কারণ হতে পারে।
  • প্রতিরোধ: এড়ানোর জন্য সচেতনতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধক ব্যবস্থা এবং এডিস মশার নিয়ন্ত্রণ জরুরি।