লিটন শীল আর চন্দনা একে অপরের ভালো বন্ধু। ছাত্রজীবন থেকে তাদের মাঝে বেশ সখ্য আর জানা-শোনা। উভয়ই উচ্চ শিক্ষিত। চন্দনা এম.এ পাশ করে স্বল্প বেতনের একটা চাকরি করে। স্বল্প বেতনের জন্য মা-বাবাকে সাথে নিয়ে শরহতলিতে একটা পুরোনো ভাড়া বাসায় বাস করে। তার যাপিত জীবন আভিজাত্যের নয় নিম্নমধ্যবিত্তের। লিটন শীল সরকারি চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাবা বিক্রম শীলের কাছে চন্দনকে বিয়ে করার কথা জানালে বাবা বিক্রম শীল মেয়েকে এবং মেয়ের 'পরিবারকে দেখতে চান। মেয়ের পারিবারিক অবস্থা দেখে ফিরে এসে বাবা গম্ভীর কণ্ঠে বলেন, "মেয়ে দেখতে সুন্দর তবে এ বিয়ে হবে না।" বাবার এরূপ মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেনি লিটন শীল। কারণ বাল্যকাল থেকেই সে তার বাবার কথার অবাধ্য হয়নি কখনো।
"উদ্দীপকের বিক্রম শীল এবং 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার মতো মানুষের হীনমানসিকতার কারণেই তৎকালীন সমাজে যৌতুক প্রথা মারাত্মক রূপ ধারণ করেছিল।"- আলোচনা করো।

- 'বাতাবি নেবুর, ফুল ফুটেছে কি?'- এ চরণটি দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে-
- 'ঘরে-বাইরে' গ্রন্থের রচয়িতা-
- হাসনাহেনা' কোন দেশের শব্দ?
- 'লাখেরাজ সম্পত্তি ' এখানে লাখেরাজ ব্যবহত হয়েছে -
- একুশের প্রথম কবিতা কে লিখেছেন?
- মাতৃস্নেহের তুলনা নাই, কিন্তু অতিস্নেহ অনেক সময় অমঙ্গল আনয়ন করে। যে স্নেহের উত্তাপে সন্তানের পরিপুষ্টি, তাহারই আধিক্যে সে অসহায় হইয়া পড়ে। মাতৃহৃদয়ে মমতার প্রাবল্য, মানুষ আপনাকে হারাইয়া আপন শক্তির মর্যাদা বুঝিতে পারে না।.... দুর্বল অসহায় পক্ষী শাবকের মতো চিরদিন স্নেহাতিশয্যে আপনাকে সে একান্ত নির্ভরশীল মনে করে। ক্রমে জননীর পরম সম্পদ সন্তান অলস, ভীরু, দুর্বল ও পরনির্ভরশীল হইয়া মনুষ্যত্ব বিকাশের পথ হইতে দূরে সরিয়া যায়। অন্ধ মাতৃস্নেহ সে কথা বুঝে না।উদ্দীপকের তাৎপর্য অনুসারে অন্ধ মাতৃস্নেহের কবলে পড়ে যেরূপ চরিত্রধর্ম বিকশিত হওয়ার কথা তার অনেকখানিই 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপম চরিত্রে দেখা যায়। মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- কে অনুপমকে শিমুল ফুলের সাথে তুলনা করতেন ?
- 'অপরিচিতা' গল্পে 'মাতৃ-আজ্ঞা' মানে -
- বিনুদাদা অনুপমের কেমন ভাই?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বছর বয়সে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান?
- 'আমার শরীর মন বসন্ত বাতাসে বকুলবনের নব পল্লব রাশির মতো কাঁপিতে কাঁপিতে আলোছায়া বুনিতে লাগিল।' উক্তিটি কোন গদ্যের অন্তর্গত?
- ডাক্তার অপূর্ব রংপুর বাসস্টপেজে দাঁড়িয়ে দেখতে পেলেন একটি স্কুল বাসে একজন শিক্ষিকা শিক্ষার্থীদের ছড়া গান শেখাতে শেখাতে নিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষিকাকে তার চেনা চেনা মনে হলো। তার সঙ্গেই কি অপূর্বের বিয়ে হবার কথা ছিল? অপূর্বের কৌতূহল আর কোলাহলের মধ্যেই বাসটি চলে গেল। শিক্ষিকাকে দেখে মনে হলো স্বাধীনচেতা ও ব্যক্তিত্বময়ী। ডাক্তার অপূর্বের মনে পড়ল সেই বিখ্যাত গানের কলি: আমার বলার কিছু ছিল না...........।উদ্দীপকের শিক্ষিকার মধ্যে 'অপরিচিতা' গল্পের কল্যাণীর চারিত্রিক প্রবণতাসমূহ যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে তুমি মনে করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
- 'আহ্বান' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ কোনটি?
- অনুপমকে 'মাকাল ফলের' সাথে তুলনা করে বিদ্রূপ করেছিল কে?
- 'এ জীবন না দৈর্ঘ্যের হিসেবে বড়ো না গুণের হিসেবে"- ব্যাখ্যা করো।
- কোনটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
- 'ফলুর বালির মতো তিনি আমাদের সমস্ত সংসারটা নিজের অন্তরের মধ্যে শুষিয়া লইয়াছেন।' উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- অপরিচিতা' গল্পে 'জড়িমা' শব্দের অর্থ কী?
- কোনো যৌতুক না চাইলেও বিয়ে বাড়ি থেকে ফেরার সময় গাড়িবোঝাই উপহার দেখে আজাদ সাহেব অবাক হয়ে গেলেন। তিনি মেয়ের বাবাকে বলেন, আমরা উপহার বা যৌতুক নিতে আসেনি, আমার ছেলের জন্য শুধু আপনার মেয়েকে নিতে এসেছি।উদ্দীপকের আজাদ সাহেবের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের বৈসাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি তুলনা করো।