উদাহরণসহ আকৃতি অনুযায়ী ভাইরাসের প্রকারভেদ লিখ।
Explanation: আকৃতি অনুযায়ী ভাইরাসকে নিম্নলিখিত বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা:
১. দণ্ডাকার: এদের আকার অনেকটা দণ্ডের মতো। উদাহরণ- টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV), আলফা-আলফা মোজাইক ভাইরাস, মাম্পস ভাইরাস।
২. গোলাকার: এদের আকার অনেকটা গোলাকার। উদাহরণ- পোলিও ভাইরাস, TIV, HIV, ডেঙ্গু ভাইরাস।
৩. ঘনক্ষেত্রাকার/বহুভুজাকার: এসব ভাইরাস দেখতে অনেকটা পাউরুটির মতো। যেমন- হার্পিস, ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস।
৪. ব্যাঙ্গাচি আকার: এরা মাথা ও লেজ - এ দুই অংশে বিভক্ত। উদহারণ- T2,T4,T6T2,T4,T6 ইত্যাদি।
৫. সিলিন্ড্রিক্যাল/সূত্রাকার: এদের আকার লম্বা সিলিন্ডারের মতো। যেমন- Ebola virus ও মটরের স্ট্রিক ভাইরাস।
৬. ডিম্বাকার: এরা অনেকটা ডিম্বাকার। উদাহরণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস।নম্বর বণ্টন:
উদাহরণসহ আকৃতি অনুযায়ী ভাইরাসের ৫টি প্রকারভেদ লেখলে (০.৫×৫) = ২.৫ নম্বর।
১. দণ্ডাকার: এদের আকার অনেকটা দণ্ডের মতো। উদাহরণ- টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV), আলফা-আলফা মোজাইক ভাইরাস, মাম্পস ভাইরাস।
২. গোলাকার: এদের আকার অনেকটা গোলাকার। উদাহরণ- পোলিও ভাইরাস, TIV, HIV, ডেঙ্গু ভাইরাস।
৩. ঘনক্ষেত্রাকার/বহুভুজাকার: এসব ভাইরাস দেখতে অনেকটা পাউরুটির মতো। যেমন- হার্পিস, ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস।
৪. ব্যাঙ্গাচি আকার: এরা মাথা ও লেজ - এ দুই অংশে বিভক্ত। উদহারণ- T2,T4,T6T2,T4,T6 ইত্যাদি।
৫. সিলিন্ড্রিক্যাল/সূত্রাকার: এদের আকার লম্বা সিলিন্ডারের মতো। যেমন- Ebola virus ও মটরের স্ট্রিক ভাইরাস।
৬. ডিম্বাকার: এরা অনেকটা ডিম্বাকার। উদাহরণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস।নম্বর বণ্টন:
উদাহরণসহ আকৃতি অনুযায়ী ভাইরাসের ৫টি প্রকারভেদ লেখলে (০.৫×৫) = ২.৫ নম্বর।