ভাঙা হাড় নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়-
A. গামা রশ্মি
B. আলফা রশ্মি
C. বিটা রশ্মি
D. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তরঃ
D.
রঞ্জন রশ্মি
Explanation: এক্স-রে এক ধরনের তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ। এর সাহায্যে প্রাপ্ত ফটোগ্রাফ দ্বারা শরীরের কোনো ভাঙা হাড়, ক্ষত বা অবাঞ্ছিত বস্তুর উপস্থিতি বোঝা যায়। ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থ বিজ্ঞানী রন্টজেন এক্সরে আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এক্সরে কে রন্টজেন রশ্মিও বলা হয়।
Related Questions (Any University/Year)
- পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়-
- জোয়ারের কত সময় পর ভাঁটার সৃষ্টি হয়?
- কোন ভিটামিন ক্ষতস্থান হতে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে?
- কোথায় দিন-রাত্রি সর্বদা সমান?
- একজন জনপ্রশাসকের মৌলিক মূল্যবোধ হলো-
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে?
- MKS পদ্ধতিতে ভরের একক-
- পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তন-
- সর্বাপেক্ষা ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে–
- দৃশ্যমান আলোর ক্ষুদ্রতম তরঙ্গ-দৈৰ্ঘ্য কোন রঙের আলোর?
- কোন রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়?
- ব্যাঙের ছাতা কোন শ্রেণির উদ্ভিদ?
- দূষিত বাতাসের কোন গ্যাসটি মানবদেহে রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে?
- নিচের কোনটি সূর্যের আলোকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে?
- জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে বলে-
- কোনো বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?
- দিবারাত্রি সংঘটিত হয়-
- পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ কোনটি?
- রেক্টিফাইড স্পিরিট হলো-