নিম্নের উল্লেখিত কোন মাছে সাইক্লয়েড আঁইশ পাওয়া যায় না?
MEDICALজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসChordata পর্বের শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
স্যামন
Explanation: স্যামন মাছ সাইক্লয়েড আঁইশ ধারণ করে না বরং টেনইড আঁইশ থাকে। সঠিক উত্তর B। A. কার্প এবং D. রুই সাইক্লয়েড আঁইশধারী; C. ইলিশও সাইক্লয়েড আঁইশ ধারণ করে। নোট: সাইক্লয়েড আঁইশ মাছের চামড়ার একটি সাধারণ গঠন যা চ্যাপ্টা ও মসৃণ হয়।
Another Explanation (5):
প্রশ্নঃ নিম্নের উল্লেখিত কোন মাছের মধ্যে সাইক্লয়েড আঁইশ পাওয়া যায় না?
সাধারণত, বিভিন্ন মাছের চোখে বিভিন্ন ধরণের আঁইশ (lens) দেখা যায়। সাইক্লয়েড আঁইশ হলো এক ধরনের আঁইশ যা সাধারণত কিছু বিশেষ মাছের চোখে দেখা যায়। নিচে উল্লেখিত মাছগুলোর মধ্যে কোনটি সাইক্লয়েড আঁইশ পায় না, তা বিশ্লেষণ করা হলো।
উত্তরঃ স্যামন 🐟
স্যামন মাছের চোখে সাধারণত সাইক্লয়েড আঁইশ পাওয়া যায় না। এর পরিবর্তে তাদের চোখে অন্য ধরনের আঁইশ দেখা যায়।
বিশ্লেষণঃ
নিচে কিছু মাছের তালিকা দেওয়া হলো এবং তাদের চোখের আঁইশের ধরণ:
| মাছের নাম | আঁইশের ধরণ | মন্তব্য |
|---|---|---|
| স্যামন 🐟 | প্রধানত অ্যামোইডাল | সাইক্লয়েড আঁইশ পাওয়া যায় না। |
| চিংড়ি 🦐 | সাধারণত রেডিয়াল | সাইক্লয়েড আঁইশ পাওয়া যায় না। |
| মাগুরা 🐠 | সাইক্লয়েড, ল্যাবিরিন্থিন | সাইক্লয়েড আঁইশ পাওয়া যায়। |
| শিং মাছ 🐟 | সাইক্লয়েড | প্রধানত সাইক্লয়েড আঁইশ পাওয়া যায়। |
সারসংক্ষেপ:
- সাধারণত, স্যামন মাছ এর চোখে সাইক্লয়েড আঁইশ পাওয়া যায় না। 🧐
- এটি অন্য মাছের তুলনায় আলাদা, কারণ তাদের চোখের গঠন ভিন্ন।
- সাইক্লয়েড আঁইশ মূলত কিছু মাছের চোখে দেখা যায়, যেমন শিং মাছ।
অতএব, উত্তর: স্যামন 🐟
Option A Explanation:
- নাম: কার্প
- প্রকার: মাছ
- বর্ণনা: কার্প হলো একটি সাধারণ মাছের নাম যা বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এটি সাধারণত freshwater (মিষ্টি পানির) মাছ হিসেবে পরিচিত।
- উপকারিতা: খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, মাছের বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এদের দেহ সাধারণত ভারী ও বড়, বিভিন্ন রঙের হতে পারে।
Option B Explanation:
- সামন মাছের বৈশিষ্ট্য: সামন (Salmon) মূলত স্যামন পরিবারের মাছ, যা ঠাণ্ডা পানির জলজ পরিবেশে বাস করে।
- সামনের আকার ও গঠন: এটি মাঝারি থেকে বড় আকারের মাছ, সাধারণত 60 থেকে 150 সেন্টিমিটার লম্বা হতে পারে।
- সামনের রঙ ও চেহারা: এর দেহের রঙ সাধারণত গোলাপি থেকে লালচে হয়ে থাকে, যা খাদ্যাভাস ও পরিবেশ অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
- সামনের জীবনচক্র ও জীবনধারা: এটি প্রজননের জন্য নদীতে উঠে আসে এবং জীবনের বেশিরভাগ সময় সমুদ্রে बितায়।
- সামনের বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব: এটি মাছের গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতি, যা খাদ্য ও অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
- ইলিশ: ইলিশ হচ্ছে একটি জনপ্রিয় মাছ যা মূলত মিঠা ও সামুদ্রিক পানিতে পাওয়া যায়। তবে, বিশেষ করে বাংলাদেশের নদী ও খালবিলের মিঠা পানিতে ইলিশের প্রজনন ও বাসস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মাছটি দেশের নদী-পানির পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল এবং এর প্রজনন স্থানগুলো প্রাকৃতিকভাবে সংরক্ষিত থাকায় এটি মিঠা পানির এন্ডেমিক হিসেবে বিবেচিত।
Option D Explanation:
- প্রজাতি: রুই (Roach) বা রুই মাছ মূলত Freshwater মাছ।
- অবস্থান: এটি সাধারণত নদী, জলাধার এবং পুকুরে পাওয়া যায়।
- সাধারণ বৈশিষ্ট্য: রুই মাছের শরীরের গঠন সাধারণত সরল এবং সাইক্লয়েড আঁইশ (Cycloid scales) থাকে।
- সাইক্লয়েড আঁইশ: এই ধরনের আঁইশ সাধারণত মাছের শরীরের অগ্রভাগের দিকে দেখা যায়, যা ঝকঝকে ও পাতলা হয়।
- উল্লেখ্য: রুই মাছের শরীরের আঁইশের গঠন সাধারণত সাইক্লয়েড হয়, তবে বিভিন্ন মাছের মধ্যে এই বৈশিষ্ট্যটি ভিন্ন হতে পারে।