, রেইনকোট" গল্পটি কার রচনা?
A. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
B. মোপাসা
C. শওকত আলী
D. শওকত ওসমান
সঠিক উত্তরঃ
A.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- কোনটিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ রয়েছে?
- শওকত ওসমানের 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' উপন্যাসে দেখা যায়, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এ দেশকে বিভীষিকাময় নরককুন্ডে পরিণত করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের গোপন তৎপরতার কথাও আছে। মাছে। প্রবীণ স্কুলশিক্ষক গাজী রহমান স্বীয় প্রাণ সংশয়াপন্ন দেখে আত্মগোপনে চলে যান। কিন্তু এ পলাতক জীবন নিয়ে তিনি বিব্রত। তিনি যেন তাঁর নিজের কাছেই কাছেই অপরিচিত ত জন। দেড় মাসের পলাতক জীবনে তাঁর সঙ্গে পরিচয় ঘটে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার। অসীম সাহসী এ সকল মানুষের সাথে মিশে অনুপ্রাণিত হয়ে নিভীকচিত্তে তিনি পা রাখেন বাস্তবের কঠিন কর্তব্যভূমিতে।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের বিষয়বস্তু কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
- ‘রেইনকোট’ গল্পে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদা মুক্তিযোদ্ধাশ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিলে তার মধ্যে সঞ্চারিতহয়— উষ্ণতাসাহসদেশপ্রেমনিচের কোনটি সঠিক?
- ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১। কালীগঞ্জ গ্রামের একজন যুবক রাতের অন্ধকারে ওই গ্রামের মিলিটারি ক্যাম্পে হামলা করে, বোমা মেরে ব্রিজ উড়িয়ে দেয়। প্রচন্ড গোলাগুলির সময় কয়েকজন মিলিটারির হাতে ধরা পড়ে। সেখান থেকে আহত অবস্থায় পালিয়ে বৃদ্ধ বশির দাদার বাড়িতে আশ্রয় নেয় আহাদ। খবর পেয়ে মিলিটারিরা ছুটে আসে কিন্তু আহাদকে পায় না। বৃদ্ধ বশিরকেই তারা তুলে নিয়ে অনেক অত্যাচার করে। বৃদ্ধ বশির গরম লোহার ছ্যাকা সহ্য করে তবুও আহাদের কোনো তথ্য দেয় না। তার কাছে মনে হয় আহাদকে বাঁচানো মানে দেশকে বাঁচানো।উদ্দীপকে মিলিটারি ক্যাম্পে হামলার ঘটনাটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন ঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।
- মিসকিরিয়ান লোগ ইলেকটিরি টেরান্সফার্মার তোড় দিয়া- বলতে কী বুঝিয়েছেন?
- অযুত প্রাণের অগ্নিশিখায় সূর্য-কুঁড়িফৌজের হাঁকে কাঁপে থরথর দস্যুপুরী,নিমেষে ছড়ায়-তারই আওয়াজ দিগন্তরেমনে কি পড়ে?উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পে বাঙালিদের যে জাতীয় চেতনার স্ফুরণ ঘটেছে তা বিশ্লেষণ করো।
- 'সাবভার্সিভ অ্যাকটিভিটিজ' বলতে 'রেইনকোট' গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?
- ‘রেইনকোট’ গল্পের রেইনকোট কীসের প্রতীক?
- 'রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল -------'। শূন্যস্থানে কী হবে?
- ‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- ১৯৭১ সাল, জুন-জুলাই মাসে প্রচণ্ড বর্ষা হচ্ছে। বৃষ্টিরপানিতে রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। এই বর্ষায় রাস্তার মধ্যে খাদবুঝতে না পেরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি জিপ উলটে যায়।এ বিষয়টি ১৯৭১ সালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।কারণ- পাকিস্তানিদের জন্য প্রতিকূল ছিল পাকিস্তানিরা এ বিষয়ে উদাসীন ছিলপাকিস্তানিরা এ বিষয়ে অনভ্যস্ত ছিলনিচের কোনটি সঠিক?
- 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদাকে বাসস্ট্যান্ডে পৌছে বাসের জন্য কোন দিকে তাকাতে হয়?
- তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাসাকিনা বিবির কপাল ভাঙলো;সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো।দানবের মতো চিৎকার করতে করতেতুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতাছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো। রিকয়েললেস রাইফেলআর মেশিনগান খই ফোটালো যত্রতত্র।'রেইনকোট' গল্পে শিক্ষক নুরুল হুদার শারীরিক ও মানসিক পরিণতির যে চিত্র বর্ণিত হয়েছে তার প্রতীকী ব্যঞ্জনা উদ্দীপকে নেই। মন্তব্যটি তোমার যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর।
- এক কথায় প্রকাশ কর- বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে যে-
- ঢাকার ছয় জায়গায় গ্রেনেড ফেটেছে, আমরা তো সাত-আট দিন আগে এরকম বোমা ফাটার কথা শুনেছিলাম, কিন্তু ঠিক বিশ্বাস করিনি। আমার সারা শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠল। ব্যাপারটা তাহলে সত্যি? সত্যি সত্যি তাহলে ঢাকার আনাচে-কানাচে মুক্তিফৌজের গেরিলারা প্রতিঘাতের ছোটো ছোটো স্ফুলিঙ্গ জ্বালাতে শুরু করেছে? এতদিন জানতাম বর্ডারঘেঁষা অঞ্চলগুলোতেই গেরিলা তৎপরতা। এখন তাহলে খোদ ঢাকাতেও?উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটির ইঙ্গিত পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসে উল্লিখিত সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতের ভয়াবহতায় আতঙ্কগ্রস্ত একজন মানুষ। তাঁর যাপিত জীবন আতঙ্ক আর ভয়ের মধ্য দিয়ে কাটে। কারণ সে রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন পর্যন্ত রেহাই পায়নি। সুদীপ্ত শাহীন এর মাঝে বেঁচে আছেন এটা বিশ্বাস করতে তাঁর বিস্ময় লাগে। ২৬ মার্চের সূর্যোদয় দেখবার কথা তিনি ভাবতেও পারে না।'রেইনকোট' গল্পের মূলভাব উদ্দীপকে অনেকটাই প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের ঘটনার পরিণতি প্রত্যাশিত কিন্তু 'রেইনকোট' গল্পের পরিণতি থেকে ভিন্ন।"- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
- ‘রেইনকোট’ গল্পে প্রিন্সিপালের নাম কী?
- যে কর্ষণ করে তাকে কি বলে?