মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

দেহ প্রাচীরে অস্টিয়া (Ostia) থাকে কোন পর্বের প্রাণীতে?

A. Mollusca
B. Porifera
C. Protozoa
D. Arthropoda
Poster Download
JUUnit-DSet-4জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসননকর্ডাটা প্রাণীর শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. Porifera
Explanation: দেহ প্রাচীরে অস্টিয়া থাকে পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের। সঠিক উত্তর Option B। Option A (Mollusca): এদের দেহে অস্টিয়া নেই। Option C (Protozoa): এদের এককোষী গঠন। Option D (Arthropoda): এদের খোলসযুক্ত দেহ থাকে। নোট: পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহে অস্টিয়া পানির প্রবেশের জন্য ছিদ্র হিসেবে কাজ করে।
Another Explanation (5):

দেহ প্রাচীরে অস্টিয়া: পরিফেরা পর্বের বৈশিষ্ট্য 🧽

পরিফেরা (Porifera) পর্বের প্রাণীদের দেহপ্রাচীরে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র থাকে। এই ছিদ্রগুলোকে অস্টিয়া (Ostia) বলা হয়। অস্টিয়ার মাধ্যমে জলীয় দ্রবণ প্রাণীর দেহে প্রবেশ করে।

অস্টিয়া সম্পর্কিত তথ্য

  • অস্টিয়া কী? পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহ প্রাচীরের ছিদ্র।
  • কাজ: পানির মাধ্যমে খাদ্য এবং অক্সিজেন গ্রহণ এবং রেচন পদার্থ নির্গমন।
  • অবস্থান: পরিফেরার পুরো দেহ জুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে থাকে।
  • বৈশিষ্ট্য: খুব ছোট আকারের অসংখ্য ছিদ্র।

পরিফেরা পর্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ

অস্টিয়া ছাড়াও পরিফেরা পর্বের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে:

  1. এরা সাধারণত স্পঞ্জ নামে পরিচিত।
  2. এরা বহুকোষী প্রাণী তবে টিস্যু বা অঙ্গতন্ত্র গঠিত হয়নি।
  3. এদের কঙ্কাল স্পিকিউল (Spicule) দিয়ে গঠিত।
  4. এদের দেহে কোয়ানোসাইট (Choanocyte) নামক বিশেষ কোষ থাকে।
  5. এদের প্রজনন অযৌন এবং যৌন উভয় প্রক্রিয়ায় হতে পারে।

পরিফেরা পর্বের প্রাণীর উদাহরণ

বৈজ্ঞানিক নাম সাধারণ নাম ছবি
Spongilla lacustris মিঠা পানির স্পঞ্জ Spongilla lacustris
Sycon ciliatum সাইকন Sycon ciliatum

অস্ট্রিয়া, অসকুলাম এবং স্পঞ্জোসিল এর মধ্যে সম্পর্ক

পরিফেরা পর্বের প্রাণীদের দেহে বিদ্যমান এই তিনটি অংশ একটি সরল জলনালী তন্ত্রের অংশ। অস্টিয়া দিয়ে পানি প্রবেশ করে স্পঞ্জোসিল নামক গহ্বরে যায়, এবং অসকুলাম নামক বড় ছিদ্র দিয়ে পানি দেহ থেকে বেরিয়ে যায়। 🌊

  • অস্টিয়া (Ostia): ছোট ছোট ছিদ্র, যা দিয়ে পানি প্রবেশ করে।💧
  • স্পঞ্জোসিল (Spongocoel): দেহের মধ্যে ফাঁকা গহ্বর, যেখানে পানি পরিবাহিত হয়। 🏞️
  • অসকুলাম (Osculum): বড় ছিদ্র, যা দিয়ে পানি বাইরে যায়। 🌋

আশা করি, পরিফেরা পর্বের প্রাণী এবং এদের দেহে অস্টিয়ার ভূমিকা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 💡

আরও জানতে এবং শিখতে থাকুন!📚 😊

Option A Explanation:
  • মোল্লাস্কা (Mollusca): এই পর্বের প্রাণিরা সাধারণত শেল দ্বারা আচ্ছাদিত থাকে এবং জলজ পরিবেশে বেশি দেখা যায়।
  • উদাহরণ: শামুক, অক্টোপাস, স্লুজ, ক্ল্যাম, চিংড়ি ইত্যাদি।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই পর্বের প্রাণিদের শরীর সাধারণত একটিমাত্র টিস্যু স্তর দিয়ে গঠিত, এবং শরীরের মধ্যে একটি পেটোড (visceral mass) থাকে যেখানে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকে।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: বিভিন্ন প্রকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের উপস্থিতি দেখা যায়, যেমন হৃদয়, পেট, এবং শ্বাসতন্ত্র।
  • উপকারিতা: মানব জীবন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ, যেমন খাদ্য, ওষুধ, এবং শেলপ্রাচীন শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • Porifera (নমুনা: স্পঞ্জ প্রজাতি):
    • প্রাণীর শ্রেণি: সরল ও অঙ্গবিহীন প্রাণী
    • সংখ্যা: প্রায় ৫,০০০ প্রজাতি
    • বৈশিষ্ট্য:
      • সাধারণত জলাশয়ে বাস করে
      • শরীরের গঠন: স্পঞ্জের মতো খোলে ভর্তি কাঠামো
      • অঙ্গপ্রতিমা বা জৈবিক উন্নয়নপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় না
    • লাইফ সাইকেল: সাধারণত স্পঞ্জের জীবনচক্রে লার্ভা ধাপ হয়, তবে Amphiblastula নামে বিশেষ লার্ভা পাওয়া যায় না
Option C Explanation:
  • প্রকার: এককোষী জীব
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: সাধারণত সুতার মতো ঝুলন্ত ঝিল্লি বা ঝিল্লির মতো অঙ্গ থাকেঃ Vorticella এর মূল বৈশিষ্ট্য
  • আবাসস্থল: জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়, যেমন পুকুর, জলাশয়, নদী ইত্যাদি
  • পুষ্টি প্রক্রিয়া: ফাগোসাইটোসিসের মাধ্যমে খাদ্য শোষণ করে থাকে
  • প্রজনন: অণ্ডকোষ ও অন্ডাশয় দ্বারা বিভাজন বা অঙ্কুরের মাধ্যমে প্রজনন করে
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: চলাচলের জন্য সাইরিলিয়া (cilia) ব্যবহার করে, যা এর চলাচল ও খাদ্য শোষণে সাহায্য করে
Option D Explanation:

Arthropoda মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

  • অঙ্গপ্রতিনিধি: শরীরের কাঠামো কঠিন কাঁটা বা শেল দিয়ে ঢাকা, যা সাধারণত বিভিন্ন ধাপে বিভক্ত (একাধিক অংশে বিভক্ত শরীর)।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: বহু সংখ্যক জোড়া পা, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অবস্থিত।
  • স্নায়ুব্যবস্থা: উন্নত স্নায়ুতন্ত্র, যা বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
  • প্রজনন: সাধারণত উভলিঙ্গ বা পৃথক লিঙ্গের মাধ্যমে প্রজনন করে।
  • উৎপত্তি: প্রাথমিকভাবে স্থল, জলোচ্ছ্বাস, বা আড়াআড়ি পরিবেশে পাওয়া যায়।
  • নখ ও কাটা: শরীরের বিভিন্ন অংশে শক্তিশালী নখ বা কাটা থাকে, যা খাদ্যগ্রহণ ও গঠন কাজে সাহায্য করে।
  • উদাহরণ: মৌমাছি, মাছি, ঝিঁঝিঁ, চিংড়ি, পিঁপড়া ইত্যাদি।