দ্বিপদ নামকরণ এর প্রবর্তক?
DU.7ClgScienceজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসপ্রাণীবৈচিত্র্য ও প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস (Topic Practice)DU.7Clg - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Carolus Linnaeus
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
দ্বিপদ নামকরণ: ক্যারোলাস লিনিয়াস 🌿
দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature) হলো জীবজন্তুদের নামকরণের একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি। এই পদ্ধতির মাধ্যমেই সারা বিশ্বে একটি প্রজাতিকে একই নামে অভিহিত করা হয়। এর ফলে বিজ্ঞানীদের মধ্যে যোগাযোগ এবং গবেষণার কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।
দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তক 👨🏫
এই পদ্ধতির প্রবর্তক হলেন ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus)। তিনি ছিলেন একজন সুয়েডিশ উদ্ভিদবিদ, চিকিৎসক এবং প্রাণীবিদ। লিনিয়াসকে আধুনিক শ্রেণীবিন্যাসের জনকও বলা হয়।
ক্যারোলাস লিনিয়াস সম্পর্কে কিছু তথ্য ℹ️
- জন্ম: ২৩শে মে, ১৭০৭
- মৃত্যু: ১০ই জানুয়ারি, ১৭৭৮
- জাতীয়তা: সুইডিশ 🇸🇪
- পেশা: উদ্ভিদবিদ, চিকিৎসক, প্রাণীবিদ
- গুরুত্বপূর্ণ কাজ: Systema Naturae (১৭৩৫)
দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি 📝
দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিতে প্রতিটি জীবের নামকরণে দুইটি অংশ থাকে:
- গণ (Genus): এটি জীবের বংশ বা গোত্র নির্দেশ করে এবং এর প্রথম অক্ষরটি বড় হাতের হয়।
- প্রজাতি (Species): এটি জীবের প্রজাতি বা শ্রেণি নির্দেশ করে এবং এর প্রথম অক্ষরটি ছোট হাতের হয়।
উদাহরণস্বরূপ, মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens। এখানে Homo হলো গণ এবং sapiens হলো প্রজাতি।
দ্বিপদ নামকরণের নিয়মাবলী 📜
| নিয়ম | ব্যাখ্যা |
|---|---|
| নাম ল্যাটিন ভাষায় হতে হবে | বৈজ্ঞানিক নাম সর্বদা ল্যাটিন ভাষায় অথবা ল্যাটিনাইজড (Latinized) হতে হয়। |
| গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হবে | গণ নামের প্রথম অক্ষরটি বড় হাতের (Capitalized) হবে। |
| প্রজাতি নামের প্রথম অক্ষর ছোট হবে | প্রজাতি নামের প্রথম অক্ষরটি ছোট হাতের (lowercase) হবে। |
| ইতালিক ফন্ট ব্যবহার | বৈজ্ঞানিক নাম সর্বদা ইটালিক (italic) ফন্টে লিখতে হয়। যদি হাতে লেখা হয়, তবে গণ ও প্রজাতি নামের নিচে আলাদা করে দাগ দিতে হয়। |
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈজ্ঞানিক নাম 🐾
- মানুষ: Homo sapiens 🧑🦱
- বাঘ: Panthera tigris 🐅
- সিংহ: Panthera leo 🦁
- ধান: Oryza sativa 🌾
- আম: Mangifera indica 🥭
দ্বিপদ নামকরণের গুরুত্ব 🎯
- সারা বিশ্বে জীবের একটি সার্বজনীন নাম তৈরি করা।
- নামের বিভ্রান্তি দূর করা। 🙅♀️🙅♂️
- শ্রেণীবিন্যাস এবং জীববৈচিত্র্য Stud করার সুবিধা। 🔬
- বিভিন্ন ভাষার ব্যবহারকারীদের মধ্যে যোগাযোগ সহজ করা। 🗣️
ক্যারোলাস লিনিয়াসের এই অবদান জীববিজ্ঞানের গবেষণাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। 🙏
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 🌐
আশা করি এই ব্য???খ্যাটি আপনার কাজে লাগবে। 😊
```Option A Explanation:
- নাম: Carolus Linnaeus
- জন্ম: 1707 সালে সুইডেন
- প্রসিদ্ধ: জীববিজ্ঞান ও শ্রেণীবিভাগের পিতৃপুরুষ
- অবদান: জীবজন্তু ও উদ্ভিদকে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য লিনিয়াসের নামের উপর ভিত্তি করে "লিনিয়ান সিস্টেম" তৈরি করেন
- বৈশিষ্ট্য: প্রাক-আধুনিক ট্যাক্সনমি পদ্ধতি প্রবর্তন করেন, যার মাধ্যমে জীবজন্তু ও উদ্ভিদ শ্রেণীবদ্ধ করা হয়
- প্রসিদ্ধ কাজ: "Systema Naturae" নামক গ্রন্থে জীবের শ্রেণীবিভাগ ও নামকরণ প্রণালী তুলে ধরেন
Option B Explanation:
- Simpson: জেনেটিক্স এবং জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে একজন গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানী। তিনি মূলত জীববৈচিত্র্য, অ্যান্টোমি, ও বিবর্তন বিষয়ক গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
- তাঁর কাজের মধ্যে জীবের শ্রেণীবিন্যাস, অনুক্রমিক বিন্যাস এবং জীবের বিবর্তনের উপর ব্যাপক গবেষণা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- Simpson এর গবেষণাগুলি জীববিজ্ঞানে বিভিন্ন স্তরে প্রাকৃতিক নির্বাচন, বিবর্তন ও জেনেটিক বৈচিত্র্য বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
- নাম: জঁবাপ্টিস্ট লামার্ক (Jean-Baptiste Lamarck)
- জন্ম ও মৃত্যু: ১৭৪৪ - ১৮২৯
- প্রসঙ্গ: জীববিজ্ঞানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন
- মূল তত্ত্ব: লামার্কিয়ান সেমিয়োটিক্স বা অভ্যন্তরীণ বিকাশের তত্ত্ব, যেখানে তিনি আশা করেছিলেন যে জীবের বৈশিষ্ট্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পরিবর্তিত হয়
- প্রভাব: জীববৈচিত্র্য ও প্রজন্মান্তর বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন
Option D Explanation:
- প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক: Aristotle একজন প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক, যিনি বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করেছেন, যার মধ্যে প্রাণিবিজ্ঞানও ছিল।
- প্রাণির শ্রেণীবিভাগ: তিনি জীবজন্তুর শ্রেণীবিভাগ ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেন।
- প্রাণীর গঠন ও কার্যপ্রণালী: Aristotle প্রাণীর গঠন ও কার্যপ্রণালী বিষয়ে বিভিন্ন সংকলন লিখেছেন, যা প্রাণিবিজ্ঞান বিকাশে ভূমিকা রাখে।
- প্রথম দিকের গবেষক: তিনি প্রথম দিকের গবেষকদের মধ্যে একজন, যিনি জীবজন্তুর জীববৈচিত্র্য ও গঠন সম্পর্কে মৌলিক ধারণা প্রবর্তন করেন।