১৯৭১ সালে কোন জেলা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে প্রথম শত্রুমুক্ত হয়?
CUUnit-DSet-1সাধারন জ্ঞান - বাংলাদেশমহান মুক্তিযুদ্ধমহান মুক্তিযুদ্ধ (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
যশোর
Explanation:

Another Explanation (5):
১৯৭১ সালে যশোর জেলার প্রথম শত্রুমুক্ত হওয়ার প্রেক্ষাপট
১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ 💥 বাঙালির জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। এই যুদ্ধের শুরুতেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী সারাদেশে গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। তবে, বীর বাঙালি তাদের জীবন বাজি রেখে রুখে দাঁড়িয়েছিল।
যশোর জেলার ভূমিকা
যশোর জেলা 🥇 প্রথম পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয়। এর পেছনে ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের অসীম সাহস ও জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন।
যশোর শত্রুমুক্ত হওয়ার ঘটনা
- প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু: ১৯৭১ সালের মার্চ মাস থেকেই যশোরে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হয়।
- মুক্তি বাহিনীর গঠন: স্থানীয় জনগণ ও ছাত্র-যুবকদের সমন্বয়ে মুক্তি বাহিনী গঠিত হয়।
- পাক বাহিনীর আক্রমণ: পাকিস্তান সেনাবাহিনী যশোর শহরে প্রবেশ করে এবং ঘাঁটি স্থাপন করে।
- সম্মুখ যুদ্ধ: মুক্তি বাহিনী পাক বাহিনীর ঘাঁটির ওপর একের পর এক আক্রমণ চালায়।
- বিজয় লাভ: অবশেষে, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহেই যশোর শত্রুমুক্ত হয় 🎉।
যশোরের যুদ্ধকালীন কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান
- চৌগাছা: এখানে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।🔥
- শার্শা: এটি ছিল মুক্তি বাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি। 🏕️
- বেনাপোল: সীমান্ত এলাকা হওয়ায় কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। 🛃
যশোরের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা
| ক্রমিক | নাম | অবদান |
|---|---|---|
| ১ | কাজী আরেফ আহমেদ | মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। |
| ২ | রওশন আলী | মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রেখেছেন। |
| ৩ | মোহাম্মদ আলী | যশোরের যুদ্ধকালীন কমান্ডার ছিলেন। |
গুরুত্ব
যশোরের এই বিজয় 🌟 সারাদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধি করে। এটি মুক্তিযুদ্ধের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করে। 🚀
পরিশেষে, বলা যায় যশোর জেলার মানুষ তাদের সাহস ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে প্রথম শত্রুমুক্ত হয়ে 💐 স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করে। 🙏