মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

নিম্নের কোন পদ্ধতিতে রোগমুক্ত উদ্ভিদ উৎপাদন করা যায় ?

A. পরাগধানী কালচার
B. পরাগরেণু কালচার
C. মেরিস্টেম কালচার
D. ভ্রুণ কালচার
Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবপ্রযুক্তিউদ্ভিদের টিস্যু কালচার (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. মেরিস্টেম কালচার
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হলো: মেরিস্টেম কালচার। এটি একটি প্রকারের উদ্ভিদ প্রজনন পদ্ধতি, যা দ্বারা রোগমুক্ত এবং দ্রুত উৎপাদনযোগ্য উদ্ভিদ তৈরি করা সম্ভব। নিচে এর উপযুক্ত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
  1. সংজ্ঞা: মেরিস্টেম কালচার হলো এমন একটি কলচার পদ্ধতি যেখানে উদ্ভিদের অঙ্গ বা টিস্যু (যেমন, এমার্জেন্সি মার্জিন, ষ্টেম কলার, বা চারা) ইনঅক্সিডেট বা স্টেরিল পরিবেশে ল্যাবরেটরিতে বৃদ্ধি করা হয়।
  2. উপকারিতা: এই পদ্ধতিতে রোগমুক্ত, জটিল রোগবাহিত উদ্ভিদ দ্রুত এবং অধিক সংখ্যায় উৎপাদন করা যায়।
  3. প্রক্রিয়া: প্রথমে সুস্থ উদ্ভিদের ছোট অংশ সংগ্রহ করে, তারপর সেটি স্টেরিল পরিবেশে প্রস্তুত করা হয়। এরপর সেই অংশে উপযুক্ত খাদ্যদ্রব্য বা মিডিয়া দেওয়া হয়, যাতে তা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
  4. উপসংহার: এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত উদ্ভিদ রোগবিহীন, দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং প্রজননের জন্য উপযুক্ত হয়।
সুতরাং, রোগমুক্ত উদ্ভিদ উৎপাদনের জন্য মেরিস্টেম কালচার একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি।
Option A Explanation:

পরাগধানী কালচার

  • পরাগধানী কালচার হলো এক ধরনের টিস্যু কালচার প্রক্রিয়া যেখানে পরাগধানী বা পল্লবের টিস্যু প্রতিস্থাপন বা বৃদ্ধি করা হয়।
  • এটি মূলত ফুলের পরাগদান বা ফল উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে পরাগধানীর কোষের সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করা হয়।
  • এই প্রযুক্তি কৃষি ও উদ্ভিদবিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয় নতুন জাতের উদ্ভিদ তৈরি ও গুণগত মান উন্নয়নের জন্য।
  • পরাগধানী কালচার সাধারণত স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি অন্যান্য টিস্যু কালচার থেকে আলাদা।
Option B Explanation:

পরাগরেণু কালচার (Pollen Culture) এর ব্যাখ্যা

  • সংজ্ঞা: পরাগরেণু কালচার হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে পরাগরেণু বা pollen গুলোকে পৃথক করে কালচার মিডিয়াতে বৃদ্ধি ও প্রস্তুত করা হয়।
  • উদ্দেশ্য: এটি মূলত উদ্ভিদের শাবক উৎপাদন, জেনেটিক স্টেবিলিটি বৃদ্ধি, এবং কিছু ক্ষেত্রে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি করতে ব্যবহৃত হয়।
  • প্রক্রিয়া:
    • প্রথমে, পরাগরেণু সংগ্রহ করা হয়।
    • তারপর, সেগুলোকে উপযুক্ত কালচার মিডিয়াতে রাখা হয়।
    • উদ্ভিদের শাবক বা অঙ্গ বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত পরিবেশ ও পুষ্টি সরবরাহ করা হয়।
  • উপকারিতা: এই পদ্ধতিতে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি এবং উদ্ভিদের উন্নত প্রজাতি উৎপাদন সম্ভব।
  • ব্যবহার: এটি মূলত পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ উৎপাদনে, জেনেটিক গবেষণা ও উন্নত জাতের উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
  • মেরিস্টেম কালচার: এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে গাছের নির্দিষ্ট অংশ যেমন পাতা, ডাল বা মূলের টুকরো থেকে নতুন গাছের চারা তৈরি করা হয়।
  • প্রক্রিয়াটিতে সাধারণত, নির্দিষ্ট ধরনের কোষ বা টিস্যু নির্বাচন করে তা কালি বা সংস্কৃতি মাধ্যমে বৃদ্ধি করা হয়।
  • এটি রোগমুক্ত এবং দ্রুত গাছের চারা উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • মেরিস্টেম কালচার পদ্ধতিতে গাছের মূল বা শাখা থেকে নির্দিষ্ট কোষ বা টিস্যু সংগ্রহ করে ল্যাবের পরিবেশে উন্নত করা হয়।
  • এটি মূলত অঙ্গবিকৃতি বা রোগমুক্ত গাছের চারা উৎপাদনের জন্য কার্যকর।
Option D Explanation:
  1. ভ্রুণ কালচার (Embryo Culture): এটি একটি প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদের ভ্রুণ বা embryo কে আলাদা করে নিয়ে উন্নত করা হয়। এই পদ্ধতিতে, ভ্রুণকে পৃথক করে এক বা একাধিক ক্লোন গাছের চারা তৈরি করা সম্ভব হয়।
  2. উপকারিতা: এই পদ্ধতিতে রোগমুক্ত ও উন্নত মানের গাছের চারা দ্রুত উৎপাদন করা যায়।
  3. ব্যবহার ক্ষেত্র: সাধারণত অর্গানিক বা উন্নত প্রজাতির উদ্ভিদ উৎপাদনে এই পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।