কোনটি ভাইরাস জনিত রোগ?
RUUnit-GSet-2জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবভাইরাসঘটিত রোগসমূহ (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
পোলিও
Explanation:

Another Explanation (5):
পোলিও: একটি ভাইরাস জনিত রোগ 🦠
পোলিও একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এটি পোলিওভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট হয়। ভাইরাসটি সাধারণত দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়। এটি স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং পক্ষাঘাত ( paralysis ) সৃষ্টি করতে পারে।
পোলিও রোগের কারণ 🔍
- পোলিওভাইরাস নামক ভাইরাস এর সংক্রমণ
- দূষিত খাবার ও জল গ্রহণ 🚰
- ভাইরাস বহনকারীর সংস্পর্শে আসা 🤝
- দুর্বল স্বাস্থ্যবিধি 🧼
পোলিও রোগের লক্ষণ 🤒
- জ্বর 🔥
- মাথাব্যথা 🤕
- বমি বমি ভাব 🤢
- ক্লান্তি 😪
- ঘাড় ও পিঠে ব্যথা 💪
- পেশী দুর্বলতা 🦵
- পক্ষাঘাত (paralysis) ♿
পোলিও রোগের বিস্তার 🌍
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| সংক্রমণের মাধ্যম | মল-মুখ পথ (Fecal-oral route) 💩 |
| ঝুঁকিপূর্ণ স্থান | যেখানে স্বাস্থ্যবিধি দুর্বল এবং টিকাদান কর্মসূচি কম 🏥 |
| সংক্রমণের সময়কাল | ভাইরাস প্রবেশের কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ ⏳ |
পোলিও থেকে সুরক্ষা 🛡️
- টিকাদান: পোলিও টীকা গ্রহণ করা এই রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়। 💉
- স্বাস্থ্যবিধি: নিয়মিত হাত ধোয়া এবং পরিষ্কার পরিছন্ন থাকা। 🧼
- নিরাপদ খাবার ও জল: বিশুদ্ধ খাবার ও জল পান করা। 💧
পোলিও নির্মূলের প্রচেষ্টা 💪
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং অন্যান্য সংস্থা পোলিও নির্মূলের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। টিকাদান কার্যক্রমের মাধ্যমে অনেক দেশ পোলিওমুক্ত হয়েছে। 👍
সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন 😊
Option A Explanation:
- ডিফথেরিয়া হলো একটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়, বরং এটি একটি ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ।
- এটি Corynebacterium diphtheriae নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়।
- রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে গলা ব্যথা, জ্বর, এবং গলা থেকে ধোঁয়াটে, ধূসর বা সাদা ধরণের ধ্বংসাবশেষের সৃষ্টি।
- বিশেষ করে গলার উপরে এক ধরণের ধূসর আবরণ সৃষ্টি হয় যা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে।
- প্রতিরোধের জন্য ডিপথেরিয়া টিকা গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- পোলিও: পোলিও বা পোলিওমাইলাইটিস হলো একটি সংক্রামক রোগ যা পোলিওভাইরাস দ্বারা হয়।
- এটি সাধারণত প্রধানত শিশুদের মধ্যে ঘটে, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
- রোগের লক্ষণসমূহের মধ্যে থাকে মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জ্বর, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে প্যারালাইসিস বা অক্ষমতা হয়ে থাকে।
- বিশেষ করে, পোলিও ভাইরাসের কারণে পেরেক বা পা এর অস্থিরতা বা পক্ষাঘাত দেখা দিতে পারে, যা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে যেতে পারে।
- প্রতিরোধের জন্য মূল উপায় হলো পোলিও ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা (ইনজেকশন বা ওরাল ভ্যাকসিন)।
- সাধারণত, সঠিক চিকিৎসা না থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে রোগের প্রভাব স্বাভাবিক হতে পারে, তবে কিছু ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অক্ষমতা হতে পারে।
Option C Explanation:
- কলেরা: এটি একটি সংক্রামক রোগ যা ভাইরাসের পরিবর্তে ব্যাকটেরিয়া Vibrio cholerae দ্বারা সৃষ্ট।
- প্রধান লক্ষণসমূহের মধ্যে রয়েছে দ্রুত ডিহাইড্রেশন, জলজুলুস, এবং গুরুতর জলশোষণজনিত সমস্যা।
- সাধারণত দূষিত পানি ও খাবার থেকে ছড়ায়।
- উপশমের জন্য rehydration therapy, অ্যান্টিবায়োটিক্স, এবং পরিষ্কার পানি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
Option D Explanation:
- সংক্রমণ উৎস: টিটেনাস মূলত মৃতদেহ বা ক্ষতস্থানে থাকা ক্লোস্ট্রিডিয়াম টিটেনি নামক ব্যাকটেরিয়া থেকে হয়।
- ব্যাকটেরিয়া ধরণ: এটি একটি অ্যানারোবিক, স্পোর-নির্মাতা ব্যাকটেরিয়া যা অঙ্গজীবাণুর মাধ্যমে জীবিত বা মৃত দেহ থেকে সংক্রমিত হতে পারে।
- সংক্রমণের প্রক্রিয়া: ব্যাকটেরিয়ার স্পোরগুলো ক্ষতস্থানে প্রবেশ করে গ্ল্যান্ড বা টিস্যুতে বিকাশ ঘটায় এবং টেটানাস টক্সিন নিঃসরণ করে।
- রোগের লক্ষণ: এটি একটি নিউরোঅ্যাকটিভ রোগ যা পেশীর কাঁপুনি, শক্তি, ও স্পাস্টিসিটি সৃষ্টি করে।
- প্রতিরোধ: টিটেনাস প্রতিরোধের জন্য টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ।