আকাল কী?
JUUnit-BSet-1বাংলা ব্যাকরনসমার্থক শব্দসমার্থক শব্দ (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
দুর্ভিক্ষ
Explanation:

Another Explanation (5):
আকাল: একটি একাডেমিক ব্যাখ্যা
আকাল বা দুর্ভিক্ষ হলো এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠী দীর্ঘ সময়ের জন্য খাদ্য সংকটে ভোগে, যার ফলস্বরূপ ব্যাপক অপুষ্টি, রোগ এবং মৃত্যুহার বৃদ্ধি পায়।
আকালের কারণসমূহ
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বন্যা 🌊, খরা ☀️, ঘূর্ণিঝড় 🌪️, ভূমিকম্প 🌋 ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত করে আকাল সৃষ্টি করতে পারে।
- যুদ্ধ ও সংঘাত: যুদ্ধ ⚔️, গৃহযুদ্ধ 💣 বা রাজনৈতিক অস্থিরতা খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে দিতে পারে।
- অর্থনৈতিক সংকট: দারিদ্র্য 🥺, মুদ্রাস্ফীতি 💸, বেকারত্ব 😔 এবং খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি আকাল ডেকে আনতে পারে।
- সরকারের ব্যর্থতা: খাদ্য বিতরণ ব্যবস্থায় দুর্বলতা 👎, দুর্নীতি corrupt এবং ভুল নীতি গ্রহণের কারণেও আকাল হতে পারে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি: দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি 🧑🤝🧑🧑🤝🧑🧑🤝🧑 খাদ্য চাহিদার উপর চরম চাপ সৃষ্টি করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন : অনিয়মিত বৃষ্টি 🌧️ এবং উষ্ণতা বৃদ্ধির 🌡️ কারণে ফসল উৎপাদন কমে যেতে পারে।
আকালের প্রভাব
আকালের কারণে বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক প্রভাব দেখা যায়। নিচে কয়েকটি প্রধান প্রভাব আলোচনা করা হলো:
| প্রভাব | বর্ণনা |
|---|---|
| অপুষ্টি | দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যাভাবের কারণে মানুষ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থেকে বঞ্চিত হয় এবং দুর্বল হয়ে পড়ে। |
| রোগব্যাধি | অপুষ্টির কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ফলে বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়রিয়া 🤢, কলেরা 🤮, টাইফয়েড 🤒 ইত্যাদি মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। |
| মৃত্যুহার বৃদ্ধি | আকালে শিশু 👶, বৃদ্ধ 👴👵 এবং দুর্বল মানুষের মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। |
| সামাজিক বিশৃঙ্খলা | খাদ্যের অভাবে চুরি, ডাকাতি, লুটপাট 🔪 এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যায়। |
| অর্থনৈতিক ক্ষতি | আকালের কারণে উৎপাদনশীলতা কমে যায়, ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। |
| অভিবাসন | মানুষ খাদ্য এবং আশ্রয়ের 🏠 জন্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হতে বাধ্য হয়। |
আকাল প্রতিরোধে করণীয়
- খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি: উন্নত বীজ 🌾 ব্যবহার, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন 💧 এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে।
- খাদ্য মজুদ তৈরি: ভবিষ্যতের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ করে রাখতে হবে।
- দারিদ্র্য বিমোচন: দরিদ্র মানুষের জন্য কর্মসংস্থান 💼 সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করতে হবে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের পূর্বাভাস এবং দ্রুত ত্রাণ সরবরাহের ব্যবস্থা করতে হবে।
- শিক্ষা ও সচেতনতা: জনগণের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা এবং পুষ্টি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
- আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছ থেকে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা 🤝 নিতে হবে।
আকাল একটি জটিল সমস্যা। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এর প্রতিরোধ করা সম্ভব।