কোনটি বংশগতির বাহক?
সঠিক উত্তরঃ
A.
ক্রোমোজোম
Explanation: বংশগতির বাহক ক্রোমোজোম, যা ডিএনএ এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত। অপশন A সঠিক। B. অ্যাক্রোজোম শুধুমাত্র শুক্রাণুর শীর্ষে থাকে; C. লাইসোজোম কোষে এনজাইম ধারণ করে; D. রাইবোজোম প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। নোট: ক্রোমোজোমে জিন থাকে যা বংশগত বৈশিষ্ট্য বহন করে।
Another Explanation (5):
বংশগতির বাহক প্রশ্নের উত্তর
প্রশ্ন: কোনটি বংশগতির বাহক?
উত্তর: ক্রোমোজোম
বংশগতির বাহক বলতে বোঝায় সেই জিন বা উপাদান যা জেনেটিক তথ্য বহন করে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে পৌঁছে দেয়।
বংশগতির বাহক হিসেবে ক্রোমোজোম এর ভূমিকা:
- ক্রোমোজোম হলো ডিএনএ (DNA) এর সংকলন, যা জেনেটিক তথ্য ধারণ করে।
- প্রতিটি জীবের কোষে বিভিন্ন সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে, যা জীবের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
- বংশগতির তথ্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ট্রান্সমিট করে ক্রোমোজোমের মাধ্যমে।
- উদাহরণস্বরূপ, মানবদেহে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
তালিকা: ক্রোমোজোমের বৈশিষ্ট্যসমূহ
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| অস্তিত্ব | জীবের কোষে পাওয়া যায় |
| সংখ্যা | প্রতিটি জীবের জন্য আলাদা সংখ্যা (উদাহরণ: মানব - ২৩ জোড়া) |
| প্রধান উপাদান | ডিএনএ (DNA) |
| ভূমিকা | জেনেটিক তথ্য বহন ও প্রজন্মান্তরে ট্রান্সমিট |
উপসংহার
অতএব, বংশগতির বাহক হিসেবে ক্রোমোজোম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি জীবের বৈশিষ্ট্য ও উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে মূল মাধ্যম।
🌱🧬👶🔬✨
Option A Explanation:
ক্রোমোজোমের ব্যাখ্যা
ক্রোমোজোমের ব্যাখ্যা
- সংজ্ঞা: ক্রোমোজোম হলো ডিএনএ (DNA) এর গুচ্ছ, যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে।
- অবস্থান: এইক্রোমোজোমগুলি জীবের কোষের নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায়।
- সংখ্যা: প্রজাতির উপর নির্ভর করে ক্রোমোজোমের সংখ্যা পরিবর্তিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মানুষের মধ্যে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
- ভূমিকা: ক্রোমোজোম জেনেটিক বৈচিত্র্য, বৈশিষ্ট্য ও বংশগতির তথ্য বহন করে।
- প্রকার: মূলত দুই ধরণের ক্রোমোজোম আছে: স্বাভাবিক (অটোসোম) এবং লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
Option B Explanation:
- অ্যাক্রোজোম: অ্যাক্রোজোম হল এক ধরনের ক্রোমোজোম যা প্রজননজনিত ও বংশগতির জন্য দায়ী।
- এটি জীবের জেনেটিক উপাদান ধারণ করে, যা বংশবৃদ্ধি ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- অ্যাক্রোজোমের মধ্যে জেনেটিক তথ্য সংরক্ষিত থাকায় তা নতুন প্রজন্মে স্থানান্তরিত হয়।
- এটি জীবের বৈশিষ্ট্য ও স্বাভাবিক গঠন নির্ধারণে মূল ভূমিকা রাখে।
Option C Explanation:
- লাইসোজোম: লাইসোজোম হল একটি অণুকোষী বা ইউক্যারিওটিক কোষে থাকা এক ধরনের অঙ্গাণু যা জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ও কণিকাগুলি ভেঙে ফেলার জন্য কাজ করে।
- ভিত্তি: লাইসোজোমের মধ্যে বিভিন্ন এঞ্জাইম থাকে, যেমন হাইড্রোলাইসিস এঞ্জাইম, যা পচনপ্রক্রিয়া চালায়।
- গঠন: এটি সাধারণত গ্লাইকলিপিড দিয়ে আবৃত, যার ভিতরে এঞ্জাইম ও বিভিন্ন প্রকারের প্রোটিন থাকে।
- কাজ: এটি জীবাণু বা মৃত কোষের অঙ্গাণু ভেঙে নতুন উপাদানে রূপান্তর করে, যা কোষের স্বাভাবিক কার্যকলাপে সহায়তা করে।
- উপকারিতা: কোষের পরিপক্বতা ও পুনঃপ্রজননে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Option D Explanation:
- রাইবোজোম: রাইবোজোম হল কোষে প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী অঙ্গানু। এটি সাধারণত কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত এবং দুটি ধরণের হতে পারে: ফ্রি রাইবোজোম এবং রিটিকুলার এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER)-এর সাথে যুক্ত রাইবোজোম।
- অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য: রাইবোজোমের মধ্যে রাইবোজোমের উপাদানগুলি প্রধানত RNA এবং প্রোটিন। এগুলি ছোট, গোলাকার গঠন, যা প্রোটিন সংশ্লেষের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।
- অঙ্গানুর গঠন: রাইবোজোম সাধারণত দুটি উপাদানে গঠিত: ছোট এবং বড় উপাদান। এগুলি একসাথে জোড়া হয়ে কাজ করে, এবং এর মধ্যে RNA এর উপস্থিতি প্রোটিন সংশ্লেষণে সহায়ক।
- অঙ্গানুর কার্যকারিতা: রাইবোজোমের মূল কাজ হল অ্যামিনো অ্যাসিডের যোগান দিয়ে প্রোটিন তৈরি করা, যা কোষের বিভিন্ন কার্যকলাপে ব্যবহৃত হয়।