পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের-
কখনোই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোন খড়গের।
শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;
অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ;
একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি গলায় পড়েছি ফাঁস
আপোষ-করিনি কখনোই আমি- এই হলো ইতিহাস।
উদ্দীপকের ইতিহাস প্রসঙ্গ এবং 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় ঐতিহ্যচেতনার সাদৃশ্য নির্দেশ করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:


Related Questions (Any University/Year)
- হে দেশ আমার, বন্যার মতোসমস্ত পলিমাটির অভিজ্ঞতাকে গড়িয়ে এনে একটি চেতনাকেউর্বর করেছি;এখানে আমাদের মৃত্যু ও জীবনের সন্ধি,সমুদ্র সৈকতে দুঃসাহসী নাবিকের করোটির ভেতর যেমনদূরদিগন্তের হাওয়া হাহাকার করেতেমনি এখানে রয়েছে একটি কোমল নারীর আশাহত সখিনা হৃদয়এখানে রয়েছে মা আর পিতা,ভাই আর বোন, স্বজন বিধুর পরিজনআর তুমি আমি, দেশ আমার।"উদ্দীপকটিতে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মতোই বাঙালি সংস্কৃতির হাজার বছরের ইতিহাস বিধৃত হয়েছে।"- তোমার মতামত দাও।
- ‘গর্ভবতী বোনের মৃত্যুর কথা বলছি'— আমিকিংবদন্তির কথা বলছি কবিতার এই পঙক্তিতেকবিকণ্ঠের যে সুর পাওয়া যায়, তা হলো-আর্তনাদ আনন্দবিদ্রোহনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতা অনুসারে কীভাবে যুদ্ধ আসে?
- বিশ্বম্ভর বাবু মনে করতেন তার পূর্বপুরুষেরা মননশীলতা, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায়ের যে স্বাধীনচেতা মানসিকতা প্রকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন তা আজ ইতিহাস। তাঁরা ঔপনিবেশিক শাসন আমলে ক্রীতদাসে পরিণত হয়ে নানা নিপীড়ন সহ্য করলেও স্বাধীনতার বাক্য উচ্চারণ করতে দ্বিধা করেননি। তিনিও তাই তাদের মনোভাব আঁকড়ে ধরে সামনের দিকে এগোতে চান, সত্য প্রকাশ করতে চান।উদ্দীপকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কোন দিকটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
- 'গর্ভবতী বোনের মৃত্যুর কথা বলছি'- এরপরের চরণ কোনটি?
- ইদানীং সম্ভ্রান্ত পরিবারগুলো গৃহকর্মীর ওপর অমানবিকপাশবিক নির্যাতন করে থাকে। উদ্দীপকটিতে ফুটে ওঠা ভাবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণচরণ কোনটি?
- 'আমরা কি তাঁর মতো কবিতার কথা বলতে পারবো?' -এ অংশে কবির কোন আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত হয়েছে?
- কবির পূর্বপুরুষের পিঠে কীসের মতো ক্ষত ছিল?
- "যে কবিতা শুনতে জানে না" সে কি সের আর্তনাদ শুনবে?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবিরমা কীসের কথা বলতেন?
- কবির পুর্বপুরুষদের দেহে কোথায় রক্তজবার মতো ক্ষত ছিল?
- খ্যাতিমান সমাজবিজ্ঞানী ড. সামাদ তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এ বাংলাদেশের ইতিহাস শোষণ আর বঞ্চনার। কৃষিই ছিল আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রধান অবলম্বন আর ছিল মৃৎশিল্প, তাঁত শিল্প, মৎসজীবীতা। আমাদের পূর্বপুরুষদের বা তাদের পেশার প্রতি অশ্রদ্ধা দেখিয়ে জাতি হিসেবে আমরা উন্নতি করতে পারব না। বিদেশি শোষণের নির্মম অত্যাচার সহ্য করে আমাদের পূর্বপ্রজন্ম আমাদের জন্য বর্তমানের যে ভিত তৈরি করেছিলেন, তাই-ই আমাদের শিল্প সাহিত্যের মৌলিক প্রেরণা।'উদ্দীপকের বিদেশি শোষকের অত্যাচার 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কোন প্রসঙ্গকে মনে করিয়ে দেয়? কেন?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় রক্তজবার মতো ক্ষত ছিলো -
- পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের--কখনই ভয় করিনিকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের।শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস;অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ; একই হাসি মুখে বাজিয়েছি বাঁশি, গলায় পড়েছি ফাঁসআপস করিনি কখনই আমি--এই হলো ইতিহাস।উদ্দীপক এবং 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূলভাব অভিন্ন- মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।
- ‘সাতনরী হার’ কাব্যগ্রন্হটি কোন কবির রচনা?
- 'একটি উজ্জ্বল জানালার কথা বলছি'— এখানেউজ্জ্বল জানালা' কীসের প্রতীক?
- . "কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা" বলতে বোঝায়-কবিতা সৃষ্টিশীল উপাদানফসল উৎপাদনে কর্ষণ প্রয়োজনশস্যদানা এবং কবিতা অভিন্ন চেতনানিচের কোনটি সঠিক?
- বিশ্বম্ভর বাবু মনে করতেন তার পূর্বপুরুষেরা মননশীলতা, সৃজনশীলতা ও অধ্যবসায়ের যে স্বাধীনচেতা মানসিকতা প্রকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন তা আজ ইতিহাস। তাঁরা ঔপনিবেশিক শাসন আমলে ক্রীতদাসে পরিণত হয়ে নানা নিপীড়ন সহ্য করলেও স্বাধীনতার বাক্য উচ্চারণ করতে দ্বিধা করেননি। তিনিও তাই তাদের মনোভাব আঁকড়ে ধরে সামনের দিকে এগোতে চান, সত্য প্রকাশ করতে চান।"উদ্দীপকে বর্ণিত বিশ্বম্ভর বাবুর পূর্বপুরুষের যে ইতিহাস তা মূলত 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার সারাংশ।"- বিশ্লেষণ করো।
- 'বিচলিত স্নেহ' বলতে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি'কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?আপনজনের উৎকণ্ঠা ভালোবাসা আর শঙ্কাবিফল স্নেহনিচের কোনটি সঠিক?
- কবি উচ্চারিত সত্যের মতো কীসের কথা বলেছেন?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' বলতে কবি বোঝাতেচেয়েছেন—বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্যবাঙালির সুদীর্ঘকালের শোষণ-বঞ্চনার ইতিকতাঅন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে বাঙালির শাশ্বত সত্তা প্ৰতিবাদী নিচের কোনটি সঠিক?
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'আমিই সে' ছোট্ট উপন্যাসটিতেবিধৃত হয়েছে মানবসভ্যতার আদিম ইতিহাস আর সভ্যতারঅগ্রগতি। কীভাবে আদিম মানুষ সভ্য মানুষে পরিণতহয়েছে, তারই প্রকাশ ঘটেছে উপন্যাসটিতে। উদ্দীপকের সাথে আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতারসাদৃশ্য রয়েছে—ঐতিহ্য চেতনায়মুক্তির চেতনায়সংগ্রামী চেতনায়নিচের কোনটি সঠিক?
- হে দেশ আমার, বন্যার মতোসমস্ত পলিমাটির অভিজ্ঞতাকে গড়িয়ে এনে একটি চেতনাকেউর্বর করেছি;এখানে আমাদের মৃত্যু ও জীবনের সন্ধি,সমুদ্র সৈকতে দুঃসাহসী নাবিকের করোটির ভেতর যেমনদূরদিগন্তের হাওয়া হাহাকার করেতেমনি এখানে রয়েছে একটি কোমল নারীর আশাহত সখিনা হৃদয়এখানে রয়েছে মা আর পিতা,ভাই আর বোন, স্বজন বিধুর পরিজনআর তুমি আমি, দেশ আমার।উদ্দীপকে উদ্ধৃত 'পলিমাটি' এবং কবিতায় উদ্ধৃত 'পলিমাটির সৌরভ' একই অর্থ বহন করে কিনা আলোচনা কর।
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছিআমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি।তাঁর পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত ছিলকারণ তিনি ক্রীতদাস ছিলেন।নিচের কোন গল্পটিতে উদ্দীপকে বর্ণিত ঐতিহ্যেরকথা প্রকাশিত হয়েছে?
- ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছ???' কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
- খ্যাতিমান সমাজবিজ্ঞানী ড. সামাদ তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এ বাংলাদেশের ইতিহাস শোষণ আর বঞ্চনার। কৃষিই ছিল আমাদের পূর্বপুরুষদের প্রধান অবলম্বন আর ছিল মৃৎশিল্প, তাঁত শিল্প, মৎসজীবীতা। আমাদের পূর্বপুরুষদের বা তাদের পেশার প্রতি অশ্রদ্ধা দেখিয়ে জাতি হিসেবে আমরা উন্নতি করতে পারব না। বিদেশি শোষণের নির্মম অত্যাচার সহ্য করে আমাদের পূর্বপ্রজন্ম আমাদের জন্য বর্তমানের যে ভিত তৈরি করেছিলেন, তাই-ই আমাদের শিল্প সাহিত্যের মৌলিক প্রেরণা।'"উদ্দীপকের ড. সামাদ এবং 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কবি চৈতন্যগত দিক থেকে অভিন্ন"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- "আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি ,আমি বাংলার আলপথ দিয়ে হাজার বছর চলি। চলি পলিমাটি কোমলে আমার চলার চিহ্ন ফেলে। তেরোশত নদী শুধায় আমাকে, 'কোথা থেকে তুমি এলে?" উদ্দীপকে প্রতিফলিত চেতনা নিচের কোন চরণে ব্যান্ড হয়েছে?
- “কে কবি— কবে কে মোরে? ঘটকালি করিশবদে শবদে বিয়া দেয় যেই জন”,উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়ের সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথাবলছি' কবিতার নিম্নোক্ত সাদৃশ্যপূর্ণ পঙক্তি কোনটি?
- 'সে সূর্যকে হৃৎপিন্ডে ধরে রাখতে পারে না।'- কেন?
- ‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’–কবিতাটি কার লেখা?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় কবির মা কীসের কথা বলতেন?
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেন বাঙালি জাতিকে মুক্তির কবিতা শোনালেন। বাঙালি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, শোষণ বঞ্চনার কথা তুলেধরে তিনি বলেন, 'বাঙলার ইতিহাস এদেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস।' তিনি এক পর্যায়ে বাঙালি জাতিকে প্রতিবাদী আর সংগ্রামী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছে, রক্ত আরও দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশা-আল্লাহ।' প্রধানত,- বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা।'বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৭ই মার্চের ভাষণটি ছিল বাঙালি জাতির কাছে ইতিহাস-ঐতিহ্যের স্মারক আর মুক্তির কবিতা।'-মন্তব্যটি 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' চরণে প্রকাশিত হয়েছে-
- যে কবিতা শুনতে চানে না, সেত সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে' কেন?
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার কীভাবে- যুদ্ধ আসার কথা বলা হয়েছে?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় ইস্পাতেরতরবারি যাকে সশস্ত্র করবে, সে হলো—
- আমি যে এসেছি জয়বাংলার বজ্রকণ্ঠ থেকেআমি যে এসেছি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকেএসেছি আমার পেছনে চরণচিহ্ন ফেলেশুধাও আমাকে এতদূর তুমি কোন প্রেরণায় এলে?উদ্দীপকের আলোকে 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতার মূলভাব আলোচনা কর।
- আমি তো এসেছি তিতুমীর আর হাজী শরিয়ত থেকে।আমি তো এসেছি গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণার থেকে।এসেছি বাঙালি ক্ষুদিরাম আর সূর্যসেনের থেকে।এসেছি বাঙালি জয়নুল আর অবন ঠাকুর থেকে।এসেছি বা???ালি রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ থেকে।উদ্দীপকের চেতনার সঙ্গে 'আমি কিংবদন্তির কথাবলছি' কবিতার যে চরণের মিল রয়েছে—
- 'সশস্ত্র সুন্দরের অনিবার্য অভ্যুত্থান কবিতা' - কোন কবিতার চরণ?
- 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?