জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।
"উদ্দীপকের বর্ণিত ভগৎ সিং এর ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে নিজের জীবন উৎসর্গ করার সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনার প্রেক্ষাপট ও কাহিনির ভিন্নতা রয়েছে।" মন্তব্যটি সমর্থন করো কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কীভা??ে সাদৃশ্যপূর্ণ- ব্যাখ্যা করো।
- মিলিটারি পান্ডা কোথায় বসেছিল?
- বিদেশি সেনার কামান বুলেটে বিদ্ধনারী শিশু আর যুবক-জোয়ান-বৃদ্ধশত্রু সেনারা হত্যার অভিযানেমুক্তিবাহিনী প্রতিরোধ উত্থানেমুক্তির পথ যুদ্ধেও রয় জেনেঘাতক ধ্বংস করেছে অস্ত্র হেনে।"উদ্দীপকটির 'মুক্তিবাহিনী'র সাথে 'রেইনকোট' গল্পে বর্ণিত মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষশক্তির বর্ণনা অনেকটা সাদৃশ্যযুক্ত হলেও বৈসাদৃশ্যও রয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- 'টুপির তেজ কী পানিতেও লাগল নাকি?' ব্যাখ্যা করো।
- মাস তিনেক পর শহরে গেরিলা অপারেশন করতে এসে রাজাকারের হাতে ধরা পড়ে মিনহাজউদ্দিন। ওকে ক্যাম্পে এনে বকুল গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। উলঙ্গা শাস্তি সকালে দশ বেত। বিকেলে দশ বেতা। এমন দৃশ্য রহমত আলীর জীবনের শ্রেষ্ঠ আনন্দ। শুধু জানালায় বসে থাকলে এ দৃশ্য পুরোপুরি উপভোগ করা যায় না। বেত মারার আগেই বকুলতলায় এসে দাঁড়ায়। দু'কান ভরে মিনহাজউদ্দিনের গোঙ্গানি শোনে। বেইমানের এমন চরম শাস্তিই তো পাওয়া উচিত। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করার জন্য ভীতু লোকটা সাহসী হয়ে গিয়েছিল। পালিয়েছিল বাড়ি থেকে।"'রেইনকোট' গল্পে মুক্তিযোদ্ধাদের যে গেরিলা আক্রমণের সার্থক চিত্র পাই তা উদ্দীপকে নেই।"-মন্তব্যটির সাথে তুমি কি একমত? যুক্তি দিয়ে বিচার করো।
- 'রেইনকোট' গল্পে রেইনকোটটি কীসের প্রতীক?প্রতিহিংসারদেশপ্রেমেরমুক্তিযুদ্ধেরনিচের কোনটি সঠিক?
- সাদবীন একটি স্কুলে মালীর কাজ করে। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজমান। হঠাৎ রাতে তার বাড়িতে আশ্রয় নেয় দূরসম্পর্কের এক আত্মীয়। পরে জানতে পারে সে ছিল একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। ভুলক্রমে তার একটি অস্ত্র ফেলে ভোররাতে সে চলে যায়। মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রটি হাতে নিলে সাদবীনের ভিতরে দ্রোহের ভাব লক্ষ করে। কাউকে কিছু না জানিয়ে সে যুদ্ধে চলে যায় দেশ স্বাধীন করার জন্য।'সাদবীনদের 'দ্রোহ চেতনা স্বাধীনতা অর্জনের অন্যতম কারণ।'- উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
- কোনটি প্রবাদ?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে রতনপুর গ্রামের মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে পরিণত হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতেম আলী হয়ে ওঠেন হানাদার বাহিনীর আশ্রয়দাঁতা ও সাহায্যকারী। তিনি এ কাজে সহকর্মীদেরও বাধ্য করেন এবং কেউ সম্মত না হলে তার সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন। অধিকাংশ শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের এ ধরনের কাজকে ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন কিন্তু ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পান না। সহকারী প্রধান শিক্ষক বাছেদ মিয়া ভীরু প্রকৃতির মানুষ হলেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে একজন দেশপ্রেমিক মানুষ। তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করতেন। তাঁর পরামর্শে মুক্তিযোদ্ধারা রাতের অন্ধকারে হাতেম আলীকে ধরে নিয়ে বিচারের মুখোমুখি করেন।উদ্দীপকের হাতেম আলী 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং কেন?
- নিচের কোনটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা উপন্যাস?
- ইয়েস-নো-ভেরি গুড টাইপ ইংরেজি শিখে বাঙালি রামকানাই ইংরেজনীলকরদের কাছে নিজেকে বিশ্বস্ত প্রমাণ করার জন্যনীলচাষীদের উপর অমানবিক নির্যাতনের উপায় বাতলে দেয়।নির্যাতন অসহনীয় হয়ে উঠলে প্রতিরোধ ছাড়া উপায় থাকে নাবাঙালি চাষীদের।উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পে যুগপৎ প্রকাশিত হয়েছে____
- কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতিআক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায় খানসেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুলমাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে বন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসা করছে, 'মুক্তি কিধার হ্যায় বোলা।'- এক উত্তর- ওরা জানে না।"এদিকে নাকি নৌকা করে চলে আসে স্টেনগানওয়ালা ছোকরার দল।"- 'রেইনকোট' গল্পের এ প্রসঙ্গটি উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসে উল্লিখিত সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতের ভয়াবহতায় আতঙ্কগ্রস্ত একজন মানুষ। তাঁর যাপিত জীবন আতঙ্ক আর ভয়ের মধ্য দিয়ে কাটে। কারণ সে রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন পর্যন্ত রেহাই পায়নি। সুদীপ্ত শাহীন এর মাঝে বেঁচে আছেন এটা বিশ্বাস করতে তাঁর বিস্ময় লাগে। ২৬ মার্চের সূর্যোদয় দেখবার কথা তিনি ভাবতেও পারে না।'রেইনকোট' গল্পের মূলভাব উদ্দীপকে অনেকটাই প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- ‘ঐহিক’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো-
- ‘রেইনকোট’ গল্পে পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা' কী?
- ‘রেইনকোট' গল্পে নুরুল হুদার কাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে ইচ্ছা করল?
- 'রেইনকোট' গল্পে মিন্টু কবে বাড়ি ছেড়ে গিয়েছিল?
- মমতাজ উদ্দীন আহমদ রচিত নাটক 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা'। এ নাটকের উজ্জ্বল চরিত্র। দারোগা নুর মোহাম্মদ। অর্থ পুরস্কারের লোভে তিনি আকৃষ্টি হননি। তাইতো ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক পুরস্কার ঘোষিত আসামি স্বদেশি আন্দোলনের নেতাকে হাতের নাগালে পেয়েও ছেড়ে দিয়েছেন। এভাবেই দেশের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে যাওয়া বিপ্লবী চেতনার সাথে একাত্ম হয়ে গেছেন তিনি।উদ্দীপকের দারোগা নূর মোহাম্মদের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের নুরুল হুদা চরিত্রের কোন বৈশিষ্ট্যের মিল রয়েছে? বুঝিয়ে দাও।
- "ঊষা" শব্দটির বিপরীত শব্দ
- You shall suffer in the long run- এর বঙ্গানুবাদ কোনটি?