মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

সুমন চট্টগ্রাম থেকে ঘুরে আসার পর জ্বরে আক্রান্ত হলো।কিন্তু তার জ্বর নির্দিষ্ট সময় পর পর কাঁপুনি দিয়ে আসতে লাগে।

সুমন যে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিল তার নাম কি? 


A.

Bordetalla pertusis

B.

Salmonella typosa

C.

Plasmodium vivax

D.

Microsporum canis

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C.

Plasmodium vivax

Explanation:

Type explanation here...

Another Explanation (5): ```html

সুমন জ্বরে আক্রান্ত: একটি বিশ্লেষণ 🤒

সুমন সম্প্রতি চট্টগ্রাম থেকে ঘুরে এসেছে এবং জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। তার জ্বরের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি নির্দিষ্ট সময় পর পর কাঁপুনি দিয়ে আসে। এই লক্ষণগুলো Plasmodium vivax নামক পরজীবীর সংক্রমণে হওয়া ম্যালেরিয়ার দিকে নির্দেশ করে। নিচে এর একটি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

Plasmodium vivax ম্যালেরিয়া: বৈশিষ্ট্য ও লক্ষণ 📝

  • কারণ: Plasmodium vivax নামক একটি প্রোটোজোয়া পরজীবী।
  • সংক্রমণ: স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ের মাধ্যমে এই পরজীবী মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। 🦟
  • কাঁপুনি দিয়ে জ্বর: এই জ্বরের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি সাধারণত ৪৮ ঘণ্টা পর পর কাঁপুনি দিয়ে আসে।
  • অন্যান্য লক্ষণ:
    • মাথাব্যথা 🤕
    • মাংসপেশীতে ব্যথা 😫
    • দুর্বলতা 😩
    • বমি বমি ভাব 🤢

রোগ নির্ণয় 🤔

রোগ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত রক্তের পরীক্ষা করা হয়। রক্তের পরীক্ষায় Plasmodium vivax এর উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়।🔬

চিকিৎসা 👨‍⚕️

এই ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায় সাধারণত নিম্নলিখিত ওষুধগুলো ব্যবহার করা হয়:

  1. ক্লোরোকুইন (Chloroquine)
  2. প্রিমা কুইন (Primaquine)

চিকিৎসা চলাকালীন ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলা উচিত। ✅

প্রতিরোধ 🛡️

ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে:

  • মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচানো। 🛌
  • মশারি ব্যবহার করা। 🌃
  • মশা তাড়ানোর স্প্রে ব্যবহার করা। 🦟❌
  • ঘরবাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। 🏠✨

তথ্য সংক্ষেপ 📊

বিষয় তথ্য
রোগের নাম Plasmodium vivax ম্যালেরিয়া
প্রধান লক্ষণ নির্দিষ্ট সময় পর পর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর
রোগ নির্ণয় পদ্ধতি রক্ত পরীক্ষা
চিকিৎসা ক্লোরোকুইন, প্রিমা কুইন

আশা করি, এই তথ্যগুলো সুমন এবং অন্যান্যদের জন্য সহায়ক হবে। 🙏 সুস্থ থাকুন। 😊

```
Option A Explanation:
  • Bordetella pertussis হলো একটি ব্যাকটেরিয়া যা মূলত কাশি বা কফের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
  • এটি গুরুতর কাশি সৃষ্টি করে, যা সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী ও কঠিন হয়।
  • প্রধানত এটি শিশু ও কিশোরদের মধ্যে দেখা যায়, তবে বড়দেরও সংক্রমিত হতে পারে।
  • বাড়িতে বা সামাজিক পরিবেশে সহজে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে যেখানে জনসংখ্যা ঘনঘন হয়।
  • প্রতিরোধের জন্য টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ, যা বাচ্চাদের জন্য সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে় তোলে।
Option B Explanation:
  • সাধারণ পরিচিতি: Salmonella typhi হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া, যা টিফয়েড জ্বরের কারণ হয়।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: এটি মূলত দূষিত পানির বা খাবারের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়।
  • উপসর্গ: দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, ক্লান্তি, দুর্বলতা, পেট ব্যথা, বমি, মাথাব্যথা, এবং কখনো কখনো জ্বরের সঙ্গে কাঁপুনি দেখা দিতে পারে।
  • জ্বরের বৈশিষ্ট্য: টাইফয়েড জ্বর সাধারণত ধীরে ধীরে শুরু হয় এবং সময়ের সাথে সাথে বেড়ে যায়। নির্দিষ্ট সময় পর পর জ্বরের সঙ্গে কাঁপুনি দেখা যাওয়া টাইফয়েডের একটি লক্ষণ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
  • চিকিৎসা: এটির জন্য সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়।
Option C Explanation:
  1. প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাকিউট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
  2. উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
  3. লক্ষণ:
    • অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
    • জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
    • শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
    • অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
  4. প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
  5. চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।
Option D Explanation:
  • Microsporum canis: এটি একটি ফাঙ্গাল সংক্রমণের জন্য দায়ী ছত্রাক, যা সাধারণত ত্বক, চুল, এবং মাথার ত্বকে ঘটে।
  • প্রধানত ত্বক ও মাথার ত্বক জ্বালা, খোসপাঁচড়া এবং খোসা পড়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়।
  • এটি সংক্রামক, সাধারণত সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়, যেমন পশু বা অন্য ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক যোগাযোগের মাধ্যমে।
  • বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, তবে সব বয়সের মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন।
  • চিকিৎসা সাধারণত অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের মাধ্যমে হয়, যেমন টারবিনাফিন বা ক্লোট্রিমাজোল।