মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মানুষের যকৃতের বাহিরের দিকে আবৃতকারী পর্দার নাম কী?

A. বোম্যান্স ক্যাপসুল
B. স্প্লিনিক ক্যাপসুল
C. রেনাল ক্যাপসুল
D. গ্লিসনস ক্যাপসুল
Poster Download
Dentalজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরিপাক ও শোষণযকৃত ও পিত্তরস (Topic Practice)Dental - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ D. গ্লিসনস ক্যাপসুল
Explanation:

Another Explanation (5):

মানুষের যকৃতের বহিরাবরণ: গ্লিসনস ক্যাপসুল

যকৃত বা লিভার মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি পেটের ডান উপরিভাগে অবস্থিত। যকৃতের বহির্ভাগে একটি স্থিতিস্থাপক তন্তুময় ক্যাপসুল বা আবরণ থাকে, যা গ্লিসনস ক্যাপসুল (Glisson's Capsule) নামে পরিচিত।

গ্লিসনস ক্যাপসুলের গঠন 🔬

গ্লিসনস ক্যাপসুল প্রধানত তিনটি উপাদান দিয়ে গঠিত:

  • ফাইব্রাস টিস্যু: এটি ক্যাপসুলের প্রধান উপাদান, যা কোলাজেন নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
  • ইলাস্টিক ফাইবার: এই ফাইবারগুলো ক্যাপসুলকে স্থিতিস্থাপকতা প্রদান করে।
  • ভাস্কুলার নেটওয়ার্ক: ক্যাপসুলের মধ্যে রক্তনালী এবং লসিকানালী বিস্তৃত থাকে, যা যকৃতের পুষ্টি সরবরাহ ও বর্জ্য অপসারণে সাহায্য করে।

গ্লিসনস ক্যাপসুলের কাজ ⚙️

গ্লিসনস ক্যাপসুলের প্রধান কাজগুলো হলো:

  1. সুরক্ষা: এটি যকৃতকে বাহ্যিক আঘাত এবং অন্যান্য ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।🛡️
  2. আকার প্রদান: ক্যাপসুল যকৃতের একটি নির্দিষ্ট আকার বজায় রাখতে সাহায্য করে। 📐
  3. সংকোচন ও প্রসারণ: এটি যকৃতের সামান্য সংকোচন ও প্রসারণে সাহায্য করে, যা রক্ত প্রবাহের সময় প্রয়োজন হয়।
  4. সংবেদী অঙ্গ: গ্লিসনস ক্যাপসুলে প্রচুর সংখ্যক নার্ভ রিসেপ্টর রয়েছে, যা ব্যথা এবং চাপের অনুভূতি গ্রহণ করতে পারে। 🤕

গ্লিসনস ক্যাপসুলের ক্লিনিক্যাল তাৎপর্য ⚠️

গ্লিসনস ক্যাপসুলের রোগ বা প্রদাহ যকৃতের বিভিন্ন সমস্যার কারণ হতে পারে। নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করা হলো:

সমস্যা কারণ লক্ষণ
হেপাটাইটিস (Hepatitis) ভাইরাস সংক্রমণ, অ্যালকোহল, ওষুধ ইত্যাদি। জ্বর, জন্ডিস, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব। 🤢
সিরোসিস (Cirrhosis) দীর্ঘস্থায়ী লিভার রোগ, অ্যালকোহল, হেপাটাইটিস। ক্লান্তি, দুর্বলতা, পেটে জল জমা, রক্তবমি। 🩸
লিভার ক্যান্সার (Liver Cancer) হেপাটাইটিস বি বা সি সংক্রমণ, সিরোসিস। পেটে ব্যথা, ওজন হ্রাস, জন্ডিস। 😥

গ্লিসনস ক্যাপসুলের রোগ নির্ণয় 🤔

গ্লিসনস ক্যাপসুলের রোগ নির্ণয়ের জন্য নিম্নলিখিত পরীক্ষাগুলো করা যেতে পারে:

  • শারীরিক পরীক্ষা: পেটের আকার ও যকৃতের ফোলাভাব পরীক্ষা করা হয়।
  • রক্ত পরীক্ষা: লিভারের কার্যকারিতা এবং প্রদাহের মাত্রা নির্ণয় করা হয়। 🧪
  • ইমেজিং: আলট্রাসাউন্ড, সিটি স্ক্যান বা এমআরআই-এর মাধ্যমে যকৃতের ছবি দেখা হয়। 📸
  • বায়োপসি: যকৃতের টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। 🔬

উপসংহার 📝

গ্লিসনস ক্যাপসুল যকৃতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা যকৃতকে সুরক্ষা প্রদান করে এবং এর স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই ক্যাপসুলের রোগ বা প্রদাহ যকৃতের মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তাই, যকৃতের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। 👍