মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

রক্তের ক্ষুদ্রতম কণিকার নাম :

A. থ্রম্বোসাইট
B. মেগাক্যারিওসাইট
C. গ্ৰানুলোসাইট
D. লিম্ফোসাইট
E. হেলমুনথ
Poster Download
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনরক্তকণিকা (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. থ্রম্বোসাইট
Explanation:

Another Explanation (5):

রক্তের ক্ষুদ্রতম কণিকা: থ্রম্বোসাইট

রক্তের ক্ষুদ্রতম কণিকা হলো থ্রম্বোসাইট, যা প্লেটলেট নামেও পরিচিত। এট??? রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়ক।🩸

থ্রম্বোসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত:

  • নাম: থ্রম্বোসাইট (Thrombocyte) অথবা প্লেটলেট (Platelet)
  • উৎপত্তি: অস্থি মজ্জা (Bone Marrow) থেকে উৎপন্ন হয়। 🦴
  • আকার: ২-৩ মাইক্রোমিটার ব্যাস বিশিষ্ট।🔬
  • আকৃতি: গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির।⚪
  • নিউক্লিয়াস: নিউক্লিয়াসবিহীন।🚫
  • জীবনকাল: প্রায় ৭-১০ দিন। ⏳
  • কাজ: রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।🛑
  • স্বাভাবিক সংখ্যা: প্রতি মাইক্রোলিটারে ১৫০,০০০ - ৪৫০,০০০। 🔢

থ্রম্বোসাইটের কার্যাবলী:

  1. রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হলে থ্রম্বোসাইটগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
  2. এরা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে জমাট বাঁধে এবং প্লাগ তৈরি করে।
  3. এই প্লাগ রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সাহায্য করে।
  4. থ্রম্বোসাইটগুলো ক্লটিং ফ্যাক্টর নিঃসরণ করে যা জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে।

থ্রম্বোসাইটের সংখ্যা কম বা বেশি হলে কি হয়?

অবস্থা কারণ লক্ষণ প্রভাব
থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া (কম সংখ্যা) সংক্রমণ, ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, অটোইমিউন রোগ। সহজে রক্তপাত, ত্বকে লাল বা বেগুনি দাগ (পেটেচি)। রক্তক্ষরণ বন্ধ হতে সমস্যা। 🤕
থ্রম্বোসাইটোসিস (বেশি সংখ্যা) সংক্রমণ, প্রদাহ, কিছু ক্যান্সারের কারণে। মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, বুকে ব্যথা। রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বৃদ্ধি। 🩸 clots

থ্রম্বোসাইট আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ❤️ এদের সঠিক সংখ্যা এবং কার্যকারিতা বজায় রাখা জরুরি।🩺

আরও জানতে: এখানে যান 🌐

সুস্থ থাকুন! 😊

Option A Explanation:
  • থ্রম্বোসাইট:
    • অথবা রক্তের থ্রম্বোসাইট, যা রক্তের প্লেট্লেট হিসেবেও পরিচিত।
    • এগুলি মূলত রক্তের জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
    • থ্রম্বোসাইটের মূল কাজ হলো ক্ষতস্থানে জমাট বাঁধা সৃষ্টি করে রক্তক্ষরণ রোধ করা।
    • এগুলি ছোট, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো গাঠনিক কণিকা, যা রক্তের মধ্যে পর্যাপ্ত সংখ্যায় থাকে।
    • থ্রম্বোসাইটের ক্ষরণ বা কার্যক্রম ক্ষতস্থানে রক্তের জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয়।
Option B Explanation:
  • মেগাক্যারিওসাইট: এটি হলো একটি বৃহৎ সেল যা মূলত অস্থিসন্ধি বা হাড়ের মারফত উৎপন্ন হয়।
  • মূল কাজ হলো শ্বেত রক্তকণিকা, প্লাটিলেট এবং অন্যান্য রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করা।
  • এটি হাড়ের মজ্জার মধ্যে অবস্থিত এবং বিভিন্ন ধরণের সেলুলার উপাদান উৎপাদনের জন্য দায়ী।
  • মেগাক্যারিওসাইটের বিভাজন প্রক্রিয়ায় প্লাটিলেট বা থ্রোমবোসাইট তৈরি হয়।
Option C Explanation:

গ্ৰানুলোসাইট

  • বর্ণনা: গ্ৰানুলোসাইট হলো এক ধরনের সাদা রক্তের কোষ, যা মূলত শরীরের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • অন্তঃকোষীয় গঠন: এই কোষের অভ্যন্তরে নানা ধরনের গ্রানুল (সারাংশ) থাকে, যা বিশেষ ধরনের এনজাইম ও প্রোটিন ধারণ করে।
  • প্রকারভেদ:
    • নিউটрофিলস (Neutrophils)
    • ইউসিনোফিলস (Eosinophils)
    • বেসোফিলস (Basophils)
  • কর্ম: সংক্রমণজনিত ক্ষতস্থানে গিয়ে জীবাণু ধ্বংস করে, প্রদাহ সৃষ্টি করে ও রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • আকার: সাধারণত ক্ষুদ্র, যা রক্তের অন্যান্য কোষের তুলনায় বেশ বড়।
Option D Explanation:
  • লিম্ফোসাইট: এটি একটি ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত অ্যান্টিবডি উৎপাদন করে এবং দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • লিম্ফোসাইটের প্রধান কাজ হলো ইনফেকশন ও রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা প্রদান করা।
  • এই কোষগুলো প্রধানত লিম্ফ নোড, স্প্লিন, থাইমাস গ্ল্যান্ড এবং রক্তে পাওয়া যায়।
  • তাদের মধ্যে দুটি প্রধান ধরনের হলো B-লিম্ফোসাইট এবং T-লিম্ফোসাইট, যারা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিরক্ষা কার্য সম্পাদন করে।
  • লিম্ফোসাইটের মধ্যে হেপারিন উপস্থিত থাকলেও, এটি প্রধানত অন্য কোষে বেশি দেখা যায়।
Option E Explanation:

হেলমুনথ

  • হেলমুনথ হলো এক ধরনের পরজীবী প্রাণী যা মানুষের অন্ত্রে বসবাস করে।
  • এগুলো সাধারণত ওষুধের মাধ্যমে নির্মূল করা হয় এবং খারাপ পুষ্টি ও নানা রোগের কারণ হতে পারে।
  • হেলমুনথের প্রকারভেদ অন্তর্ভুক্ত: টেপওয়ার্ম, এগ, এবং অন্যান্য পরজীবী দেহদেহে বাস করে।
  • এগুলো সাধারণত মাটির মাধ্যমে বা অপরিষ্কার পানির সংস্পর্শে আসার ফলে মানবদেহে প্রবেশ করে।
  • সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে অস্থিরতা, ক্ষুধা কমে যাওয়া, ওজন কমে যাওয়া, পেটের সমস্যা উল্লেখযোগ্য।