মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

তড়িৎ প্রবাহের সাথে চৌম্বক ক্ষেত্রের সম্পর্ক নির্ণয় করে-

A. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র
B. পরিবাহীর সূত্র
C. ফেরোচুম্বক
D. কোনটিই নয়
Poster Download
JUUnit-ASet-3পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রস্থির তড়িৎচার্জের কোয়ান্টায়ন এবং সংরক্ষণশীলতা (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: এই প্রশ্নে তড়িৎ প্রবাহ এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের সম্পর্ক নির্ণয় করতে বলা হয়েছে। তড়িৎ প্রবাহের সাথে চৌম্বক ক্ষেত্র সম্পর্কিত অ্যাম্পিয়ারের সূত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। অপশন বিশ্লেষণ: A. অ্যাম্পিয়ারের সূত্র: সঠিক, তড়িৎ প্রবাহের সাথে চৌম্বক ক্ষেত্র সম্পর্কের ??ন্য অ্যাম্পিয়ারের সূত্র ব্যবহার করা হয়। B. পরিবাহীর সূত্র: ভুল, এটি ঠিক নয়, কারণ পরিবাহীর সূত্র চৌম্বক ক্ষেত্র সম্পর্কিত নয়। C. ফেরোচুম্বক: ভুল, এটি সম্পর্কিত নয়। D. কোনটিই নয়: ভুল, অ্যাম্পিয়ারের সূত্র সঠিক। নোট: চৌম্বক ক্ষেত্র এবং তড়িৎ প্রবাহ সম্পর্কিত অ্যাম্পিয়ারের সূত্র প্রয়োগ করতে হয়।
Another Explanation (5):

তড়িৎ প্রবাহ ও চৌম্বক ক্ষেত্রের সম্পর্ক: অ্যাম্পিয়ারের সূত্র 🧲⚡

অ্যাম্পিয়ারের সূত্র তড়িৎ প্রবাহ এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করে। এই সূত্রটি ব্যবহার করে কোনো পরিবাহীর চারপাশে সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্রের মান নির্ণয় করা যায়।

অ্যাম্পিয়ারের সূত্রটি কী? 🤔

অ্যাম্পিয়ারের সূত্রানুসারে, কোনো আবদ্ধ লুপের (closed loop) চারপাশে চৌম্বক ক্ষেত্রের রেখা উপাংশের (line integral) যোগফল ঐ লুপ দ্বারা আবদ্ধ মোট তড়িৎ প্রবাহের μ₀ গুণ। গাণিতিকভাবে:

∮ B ⋅ dl = μ₀I

  • B = চৌম্বক ক্ষেত্র (Magnetic Field)
  • dl = লুপের ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য (infinitesimal length)
  • μ₀ = শূন্যস্থানের ভেদ্যতা (Permeability of free space) = 4π × 10⁻⁷ T⋅m/A
  • I = আবদ্ধ লুপ দ্বারা অতিক্রান্ত মোট তড়িৎ প্রবাহ (Enclosed current)

সূত্রের ব্যাখ্যা 💡

সহজ ভাষায়, যদি একটি তারের মধ্যে দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয়, তাহলে তারটির চারপাশে একটি চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হবে। অ্যাম্পিয়ারের সূত্রটি সেই চৌম???বক ক্ষেত্রের তীব্রতা নির্ণয় করতে সাহায্য করে।

অ্যাম্পিয়ারের সূত্রের প্রয়োগ 🎯

অ্যাম্পিয়ারের সূত্রের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. সরল পরিবাহীর জন্য চৌম্বক ক্ষেত্র নির্ণয়।
  2. সোলেনয়েডের (solenoid) অভ্যন্তরে চৌম্বক ক্ষেত্র নির্ণয়।
  3. টোরয়েডের (toroid) অভ্যন্তরে চৌম্বক ক্ষেত্র নির্ণয়।

উদাহরণ: একটি সরল পরিবাহীর চারপাশে চৌম্বক ক্ষেত্র 🧵

মনে করি, একটি সরল তারের মধ্যে দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহিত হচ্ছে। তার থেকে r দূরত্বে চৌম্বক ক্ষেত্রের মান নির্ণয় করতে হবে।

অ্যাম্পিয়ারের সূত্র ব্যবহার করে:

B = (μ₀I) / (2πr)

অ্যাম্পিয়ারের সূত্রের সুবিধা 👍 ও অসুবিধা 👎

সুবিধা অসুবিধা
চৌম্বক ক্ষেত্র নির্ণয়ের সহজ উপায়। শুধুমাত্র উচ্চ প্রতিসাম্য (high symmetry) আছে এমন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়।
বিভিন্ন জ্যামিতিক আকারের পরিবাহীর জন্য প্রযোজ্য। পরিবর্তনশীল তড়িৎ ক্ষেত্রের (time-varying electric field) ক্ষেত্রে সরাসরি ব্যবহার করা যায় না ( এক্ষেত্রে ম্যাক্সওয়েলের সংশোধিত সূত্র প্রয়োজন)।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 🔑

  • অ্যাম্পিয়ারের সূত্র একটি ইন্টিগ্রাল সূত্র।
  • চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ণয় করতে ডান হাতের নিয়ম (right-hand rule) ব্যবহার করা হয়। 🖐️
  • সূত্রটি শুধুমাত্র স্থির তড়িৎ প্রবাহের (steady current) জন্য প্রযোজ্য।

অতিরিক্ত তথ্য ➕

অ্যাম্পিয়ারের সূত্র ব্যবহার করে বায়ো-সাভার্ট সূত্রও প্রতিপাদন করা যায়। 🧐

এই সূত্র তড়িৎ এবং চৌম্বকত্বের মধ্যে গভীর সম্পর্ক প্রকাশ করে। 😮

আরও জানতে, পদার্থবিজ্ঞান বইয়ের "তড়িৎচুম্বকত্ব" অধ্যায়টি পড়ো। 📚

হ্যাপি লার্নিং! 🎉