একটি স্ত্রী জনন মাতৃকোষ থেকে কয়টি ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়?
NursingBSCজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রকোষ বিভাজনমাইটোসিস বা সমীকরণিক কোষ বিভাজন (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
একটি
Another Explanation (5): প্রশ্ন: একটি স্ত্রী জনন মাতৃকোষ থেকে কয়টি ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়?
উত্তর: একটি
উপযুক্ত ব্যাখ্যা:
স্ত্রী জনন মাতৃকোষ বা ওভামেট্রিয়াম সাধারণত প্রতিটি মাসে একটিই ডিম্বাণু উৎপন্ন করে। এই ডিম্বাণু তৈরি প্রক্রিয়াকে বলে অভিউশন। যখন একজন নারীর ওভারি ডিম্বাণু প্রস্তুত হয়, তখন এটি ফোলিকল নামে ছোট ছোট থলি দ্বারা ঘেরা থাকে। এই ডিম্বাণুটি ঋতুচক্রের মাঝামাঝি সময়ে ফেটে যায় এবং ডিম্বাণু মুক্ত হয়। সাধারণত, একজন নারীর ওভারি থেকে প্রতি মাসে একটি ডিম্বাণু মুক্তি পায়, যার ফলে:
- প্রতিটি মাসে সাধারণত একজন ডিম্বাণু তৈরি হয়।
- যদি গর্ভধারণ হয়, তবে এই ডিম্বাণুর সাথে পুরুষের শুক্রাণু মিলিত হয়।
- অন্যথায়, ডিম্বাণুটি মৃত হয় বা নিঃসৃত হয় ঋতুচক্রের সাথে।
Option A Explanation:
- প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া: নারীর ডিম্বাশয়ে প্রতিটি মাসে একটি ডিম্বাণু তৈরি হয়।
- অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া: এই ডিম্বাণুটি ডিম্বাশয় থেকে মুক্তি পায় এবং জরায়ু ফাঁক দিয়ে চলাচল করে।
- উৎপত্তির সংখ্যা: সাধারণত, প্রতিটি মাসে একটিই ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়।
- প্রজনন পর্যায়: এই একটিই ডিম্বাণু পরবর্তী ধাপে গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত হয়।
Option B Explanation:
- মানবদেহে একজন স্ত্রী জনন মাতৃকোষ থেকে সাধারণত দুটি ডিম্বাণু তৈরি হয়।
- প্রথম ডিম্বাণুটি সাধারণত দ্রুত বিকাশ লাভ করে এবং ঋতুস্রাবের সময় বের হয়ে যায়।
- দ্বিতীয় ডিম্বাণু সাধারণত পরবর্তী সময়ে বিকাশ লাভ করে, যদি প্রথম ডিম্বাণুর গর্ভধারণ না হয়।
- এই প্রক্রিয়ার ফলে একজন মহিলার ঋতুস্রাব চক্রের মধ্যে দুটি ডিম্বাণু মুক্ত হয়।
Option C Explanation:
তিনটি
- মানুষের স্ত্রী জনন মাতৃকোষ (অভ্যন্তরীণ অণ্ডকোষ বা ওভারি) থেকে সাধারণত তিনটি ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়।
- প্রতিটি ডিম্বাণু আলাদাভাবে বিকাশ লাভ করে এবং শরীরের বাইর হতে ডিম্বাশয় থেকে মুক্তি পায়।
- এই প্রক্রিয়ার ফলে তিনটি ডিম্বাণু সাধারণত একসঙ্গে উৎপন্ন হয়, যা গর্ভধারণের জন্য প্রস্তুত থাকে।
Option D Explanation:
- প্রশ্নের উত্তরে চারটি পুংকেশর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
- ক্রুসিফেরি গোত্রে সাধারণত চারটি পুংকেশর দেখা যায়।
- এগুলো হচ্ছে মূল পুংকেশর এবং তার তিনটি উপ-পুংকেশর।
- প্রতিটি পুংকেশর বিভিন্ন দেহের অংশে অবস্থান করে।
- এই সংখ্যাটি বিভিন্ন শারীরিক বৈশিষ্ট্য বা অঙ্গের উপর নির্ভর করে।