'রশ্মিময় পাখনাবিশিষ্ট মাছ (Ray finned fishes) নামে পরিচিত কোন শ্রেণি?
জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাসChordata পর্বের শ্রেণীবিন্যাস (Topic Practice)
সঠিক উত্তরঃ
C.
Actinopterygii
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
রশ্মিময় পাখনাবিশিষ্ট মাছ (Ray-finned fishes): অ্যাক্টিনোপটেরিগি (Actinopterygii)
অ্যাক্টিনোপটেরিগি (Actinopterygii) হলো রশ্মিময় পাখনাবিশিষ্ট মাছের শ্রেণি। এরা মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ একটি দল। এদের কঙ্কালতন্ত্রে পাখনাগুলো রশ্মির মতো দেখতে হাড় দিয়ে গঠিত, তাই এদের রশ্মিময় পাখনাবিশিষ্ট মাছ বলা হয়।🐠🐟🐡
অ্যাক্টিনোপটেরিগি শ্রেণির বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- পাখনা: পাখনাগুলো কঙ্কালের মতো রশ্মি দিয়ে গঠিত এবং এগুলো নড়াচড়া ও ভারসাম্য রক্ষায় কাজে লাগে। 🌊
- শ্বসন: ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায় এবং কানকো দিয়ে ঢাকা থাকে। 🌬️
- পটকা: অধিকাংশ প্রজাতির দেহে পটকা (swim bladder) থাকে, যা প্লবতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।⚖️
- কঙ্কাল: এদের কঙ্কাল প্রধানত হাড় দিয়ে গঠিত।🦴
- আবাসস্থল: এরা স্বাদুপানি ও লবণাক্ত পানি উভয় স্থানেই বসবাস করতে পারে।🏞️🌊
- বৈচিত্র্য: এদের মধ্যে প্রায় ৩৪,০০০ এর বেশি প্রজাতি বিদ্যমান।🤯
অ্যাক্টিনোপটেরিগি শ্রেণির উদাহরণ:
- রুই মাছ (Rohu)
- কাতলা মাছ (Catla)
- ইলিশ মাছ (Hilsa)
- স্যালমন মাছ (Salmon) 🍣
- টুনা মাছ (Tuna)
অ্যাক্টিনোপটেরিগি বনাম সার্কোপটেরিগি (Sarcopterygii): একটি তুলনা
| বৈশিষ্ট্য | অ্যাক্টিনোপটেরিগি (Actinopterygii) | সার্কোপটেরিগি (Sarcopterygii) |
|---|---|---|
| পাখনার গঠন | রশ্মির মতো হাড় দিয়ে গঠিত। 🦴 | মাংসল এবং লোবযুক্ত পাখনা। 💪 |
| উদাহরণ | রুই, কাতলা, টুনা। 🐟🐠🐡 | সিলাкан্থ, লাংফিশ। 🐊 |
| বিবর্তন | আধুনিক রশ্মিময় পাখনাবিশিষ্ট মাছ। Evolution is ongoing. 🧬 | স্থলজ মেরুদণ্ডী প্রাণীদের পূর্বপুরুষ। 👣 |
গুরুত্ব:
অ্যাক্টিনোপটেরিগি মাছেরা খাদ্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।🐟 এছাড়াও, এরা জলজ বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 🌍
আশা করি, অ্যাক্টিনোপটেরিগি শ্রেণি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊
```Option A Explanation:
- নাম: Myxini
- অর্থাৎ: হ্যাগফিশ বা হ্যাগফিশের অন্যান্য নাম
- বৈশিষ্ট্য: এটা একটি অস্থি বিহীন, আঠালো ও অপ্রত্যাশিত জলজ প্রাণী, যা মূলত গভীর সামুদ্রিক পরিবেশে বাস করে।
- উৎপত্তি: এই প্রাণীটি প্রাচীনতম জীবের মধ্যে একটি, যা এর অদ্ভুত শারীরিক গঠন এবং অস্থি বিহীন দেহের জন্য পরিচিত।
- উপকারিতা: হ্যাগফিশের দেহের স্রাব বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা ও গবেষণার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
- Chondrichthyes: এই ক্লাসের প্রাণীগুলি মূলত শার্ক, ইলিশ ও রেথার মতো জেলি-সামৃদ্ধ মাছের অন্তর্ভুক্ত।
- প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- শরীরের কাঠামো: কার্টিলেজের মতো কঙ্কাল, হাড় নয়।
- দাঁত: শক্তিশালী ও পরিবর্তনশীল, খাদ্যগ্রহণে সহায়ক।
- চোখ ও চেহারা: সুচারু দৃষ্টি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর জন্য বিশেষ বৈশিষ্ট্য।
- প্রজনন: প্রজনন প্রক্রিয়া অনেকটাই ভিন্ন, কিছু মাছ সরাসরি ডিম পাড়ে, আবার কিছু সরাসরি বাচ্চা জন্ম দেয়।
- অন্য নাম: এই ক্লাসটি সাধারণত "কার্টিলেজিয়াস মাছ" বা "চন্দ্রিমুখ মাছ" হিসেবেও পরিচিত।
Option C Explanation:
- অ্যাকটিনোপটারিজি (Actinopterygii): এই শ্রেণীটি মূলত পাখির মতো মাছ বা রেডিওফোরসের গোষ্ঠী, যা মূলত জলজ প্রাণী।
- প্রাণীর গঠন: এই শ্রেণীর মাছের প্রধান্য বৈশিষ্ট্য হলো তাদের সরু, পাখির মতো প্রান্তবিশিষ্ট ফ্ল্যাপ বা পাখা (ফ্লিপার) যা মাছের চলাচলে সহায়ক।
- প্রজনন: এই মাছের প্রজনন প্রায়ই স্পার্ম ও ডিমের মাধ্যমে হয়।
- বৈচিত্র্য: অ্যাকটিনোপটারিজি খুবই বৈচিত্র্যপূর্ণ, এটি বিশ্বের জলজ জীববৈচিত্র্যের একটি বৃহৎ অংশ।
- উদাহরণ: ক্যাটফিশ, শ্রিম্প, সীলফিশ ইত্যাদি এই শ্রেণীর মধ্যে পড়ে।
Option D Explanation:
- সার্কোপটারিগি (Sarcopterygii): এটি একটি শ্রেণি যা মূলত লম্বা, পাখনাযুক্ত মাছগুলোকে বোঝায়।
- এই শ্রেণির মাছগুলোর পাখনাগুলো মূলত লম্বা এবং স্নায়ুবিষয়কভাবে শক্তিশালী, যা ভবিষ্যতে টেরাপোড বা লেজযুক্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সার্কোপটারিগি শ্রেণির মধ্যে প্রাচীন মাছ যেমন লোচ, সিলুরা ও রেকুইন অন্তর্ভুক্ত।
- এই প্রাণীগুলোর শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য ফুসফুসের মতো অঙ্গের বিকাশ হয়, যা জল ও স্থলে জীবনযাত্রার জন্য উপযুক্ত।
- সার্কোপটারিগির মধ্যে কিছু প্রজাতি সাঁতার কাটার জন্য পাখনাগুলির গঠন ও কার্যক্ষমতায় উন্নত।