'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসের কাদের পীর হিসেবে পরিচিত। এক পূর্ণিমা রাতে বাঁশঝাড়ে একজন মহিলাকে হত্যা করলে স্কুল শিক্ষক 'আরেফ আলি' তা দেখতে পায়। তখন কাদেরের চরিত্র সম্পর্কে 'আরেফ আলির' বুঝতে বাকি থাকে না যে সে ভন্ডপির। তখন 'আরেফ আলি' সমস্ত ঘটনা পুলিশকে বললেও পুলিশ তা বিশ্বাস করতে পারে না।
"উদ্দীপকের 'আরেফ আলির', চরিত্রটি 'লালসালু' উপন্যাসের আক্কাস চরিত্রের চেয়েও কি শক্তিশালী?" উক্তিটির যথার্থতা 'লালসালু' উপন্যাস ও উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন কর।
A.
B.
C.
D.
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- আক্কাসের বাবার নাম কী?
- 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে'- ব্যাখ্যা কর।
- 'লালসালু' উপন্যাসে দুর্লঙ্গনীয় রহস্যে আবৃত কী?
- কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস?
- মজিদের মহব্বত নগর গ্রামে প্রবেশটা কেমন ছিল?
- বয়স হলে এরা আর কিচ্ছু না হোক-
- 'নাফরমানি করিও না। খোদার উপর তোয়াক্কল রাখ" – উক্তিটি কার?
- শিক্ষিত মানুষের সংস্কৃতিই ধর্ম আর সাধারণ মানুষের ধর্মই সংস্কৃতি। তাই অশিক্ষিত দরিদ্র অঞ্চলে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। এই সংগঠনের নেতাগণ সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলেন সম্পদের পাহাড়। তেমনি একজন নেতা শাহ্ কদম আলী। নিজের পানি পড়ায় বিশ্বাস নেই তার। তাই চিকিৎসার জন্য ভক্তদের টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুর যান। তবে গ্রামবাসীর মহৌষধ হলো শাহ্ কদম আলীর পড়া পানি।উদ্দীপকের শাহ্ কদম আলী 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ও কতটুকু ব্যাখ্যা কর।
- আধিপত্য মানে কর্তৃত্ব বা প্রভুত্ব। এর মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করা মানুষের আজন্ম স্বভাব। সামাজিক কাজ করে হোক, খারাপ কাজ করে হোক, অর্থবিত্ত দিয়ে হোক মানুষ প্রভাব বিস্তার করতে পারে। প্রভাব বিস্তার করতে কেউ-বা জীবিকার প্রয়োজনে নিজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। অতঃপর পরিশ্রম ও বুদ্ধির জোরে নিঃস্ব ও সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে বিত্তশালী হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের বর্ণনায় 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য পাওয়া যায় তা আলোচনা করো।
- মোদাচ্ছের' কথাটির অর্থ কী?
- 'ওর কাছে সব কিছুই যেন বড় রকমের জুয়ো খেলা'- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- গ্রামের স্কুলশিক্ষক বাবা তমিজুদ্দীন তাঁর ছেলে রাসেলকে শহরের বড়ো প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষার জন্য পাঠায়। রাসেল ডাক্তার হয়ে বাবার মুখ উজ্জ্বল করে ফিরে আসে গ্রামে। তার ইচ্ছা গ্রামের অসহায়, দুস্থ রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তুলবে এবং তাবিজ কবজ, ঝাড় ফুঁক ও পানিপড়া প্রভৃতি অন্ধবিশ্বাস থেকে গ্রামবাসীেেদর মুক্ত করবে। কিন্তু ব্যাপারটা গ্রামের মোড়ল করিম খান মেনে নিতে পারে না। রাসেল যাতে গ্রামের মানুষদের সচেতন করতে না পারে সেই চেষ্টা করতে থাকে সে, কিন্তু রাসেল কোন দিকে কর্ণপাত না করে এগিয়ে যায় নিজের লক্ষ্যের দিকে।উদ্দীপকের রাসেল চরিত্রটির সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের তুলনীয় চরিত্র কোনটি? আলোচনা করো।
- 'শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি'- ব্যাখ্যা করো।
- মজিদের ভাষ্যে সে কোন অঞ্চল থেকে মহব্বতনগর গ্রামে গিয়েছিল?
- মমতাজ প্রভুত্ব করার চেয়ে নির্ভর করিতেই ভালোবাসে বেশি, আদর পাওয়াটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্য। কুলসুমের গৃহিণীপনার ভিত্তিও ওইখানেই। মমতাজকে সে নয়নের মণি করিয়া রাখিয়াছে। কে বলিবে মমতাজ তাহার সতীন? স্নেহ-যত্নে মমতাজের দিনগুলিকে সে ভরাট করিয়া রাখে।- সতীনের সংসারেও তাই এখানে কলহ-বিবাদ, মান-অভিমান, মন-কষাকষি নাই।"উদ্দীপকের সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের বর্ণিত ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে।"- বুঝিয়ে লেখো।
- গৌরিপুর গ্রামের সুশিক্ষিত ছেলে আরিফ হোসেন। এলাকার উন্নয়ন, বিশেষ করে নিরক্ষর মানুষদের সাক্ষর করে তোলার লক্ষ্যে সে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু এ মহৎ কাজে সে তীব্র বাধার সম্মুখীন হয়। নিজের প্রভাব ও প্রতিপত্তি বজায় রাখার জন্য মাতব্বর আনসার আলী ও তার লোকেরা আরিফকে অপমানিত করে গ্রাম ছাড়া করে।উদ্দীপকের আরিফ 'লালসালু' উপন্যাসের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে পদ্মাপাড়ের জেলে ও মাঝিদের জীবন সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে। তাদের একমাত্র অবলম্বন, সুখ- দুঃখের সাথী পদ্মানদী। জীবন সংগ্রামী এসব জেলেদের মধ্যে কুবের ও তার সঙ্গীদের জীবনাচরণ নিয়ে আবর্তিত হয়েছে উপন্যাসের কাহিনী। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে তাদের জীবন। ধনঞ্জয়ের নৌকায় মাছ ধরে, কুবের ও গণেশ। মালিক হিসেবে ধনঞ্জয় নেয় অর্ধেক আর কুবের ও গণেশ পায় বাকি অর্ধেক। এছাড়া মাছের সংখ্যা কম দেখিয়ে ধনঞ্জয় তাদের ঠকায়। সব বুঝেও তারা কোনো প্রতিবাদ করতে পারে না। এই অবস্থা সর্বত্র, সব নৌকায়। শত শত নৌকায় শত শত কুবের ও গণেশ শ্রম দিয়ে মাছ ধরে। এক সময় কুবেরই কাহিনীর প্রাণকেন্দ্রে এসে দাঁড়ায় সে-ই পদ্মাপাড়ের সকল জেলে-মাঝিদের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই "পদ্মানদীর মাঝি" নামকরণের মধ্য দিয়ে ঔপন্যাসিক তার জীবন-সত্যকেই প্রতিষ্ঠা দিয়েছে।"উপন্যাসের নামকরণের দিক থেকে 'পদ্মানদীর মাঝি' এবং 'লালসালু' অভিন্ন চেতনার অনুসারী"- মূল্যায়ন কর।
- অজ পাড়াগাঁয়ের মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল কালাম নিজের মুদি দোকানের সামান্য উপার্জনে কোনোভাবে সংসার খরচ নির্বাহ করেন। অজ্ঞ গ্রামবাসী অসুখ-বিসুখে প্রায়শই তার কাছে আসে টাকাপয়সার বিনিময়ে পানিপড়া ও তাবিজ-কবজ নেওয়ার জন্য। কিন্তু মাওলানা সাহেব তা না করে রোগীদের শহরের ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন। তিনি গ্রামবাসীকে শিক্ষা দেন- ধর্ম ব্যাবসার বিষয় নয়, মানুষকে প্রতারণা বা নিপীড়নের জন্য নয়।উদ্দীপকের মূলভাব 'লালসালু' উপন্যাসের রচয়িতার মানসচিন্তাকে ধারণ করে কি? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করো।
- পাঠান পরিবারের নারীরা বলতে গেলে বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না। আর চাকরি করার কথাতো কল্পনাও 'কারা যায় না। কিন্তু আজিজ পাঠানের ছোটো পুত্রবধূ চাকরি করেছেন। এই নিয়ে পাঠান পরিবারের কেউ সন্তুষ্ট তো নন-ই, পারলে সকলে মিলে ছোটো পুত্রবধূর নিন্দা করেন, তাকে বিরক্তির চোখে দেখেন। সকল বাধা অতিক্রম করে ছোটো পুত্রবধূ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন প্রতিদিন বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন, পা রাখছেন স্বাধীনতার আঙিনায়, স্বাবলম্বনের মাটিতে।উদ্দীপকের ছোটো পুত্রবধূ 'লালসালু' উপন্যাসের কার সাথে কীভাবে তুলনীয় বুঝিয়ে লেখো।
- উম্মত মিয়া অনেক বছর ???গেই তাঁর জন্মস্থান ছেড়ে, জীবিকার সন্ধানে যশোর অঞ্চলে বসতি গড়েছে। পরিশ্রম, সততা ও বুদ্ধির জোরে সহায়সম্বলহীন অবস্থা থেকে উম্মত মিয়া আজ বড়ো ব্যবসায়ীতে পরিণত হয়েছে। সে লোক ঠকায় না বরং মানুষের উপকার করে। মানুষ তার মানবিকতা ও ব্যক্তিত্বের জন্য সম্মান করে।"অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় মজিদ ও উম্মত মিয়া দৃঢ় হলেও উভয়ের কৌশল এবং পরিণতি ভিন্ন।"- মন্তব্যটি যুক্তি ও উদাহরণের সাহায্যে বিশ্লেষণ করো।