১০ মার্চ, ১৯৭১। রাস্তায় রাস্তায় পাকিস্তানি মিলিটারি। গুয়াতলী গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠী ভয়ে ভারতে পাড়ি জমায়। শুধু ভিটে আঁকড়ে পড়ে থাকে কেষ্টবাবু। পাশের গ্রামে, ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। স্থানীয় রাজাকার কাশেম মোড়ল কেষ্টবাবুকে সন্দেহের চোখে দেখে। সে মনে করে কেষ্টবাবু মুক্তি বাহিনীর লোক। এক বৃষ্টিমুখর দিনে গুয়াতলী গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে এবং কাশেম মোড়লের ইশারায় হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে জীবন্ত পুঁতে রেখে চলে যায়।
উদ্দীপকের কেষ্টবাবু 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রকে স্মরণ করিয়ে দেয়? বুঝিয়ে দাও।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- ‘রেইনকোট’ গল্পের প্রধান চরিত্রটির নাম কী ?
- ‘শ্বাপদ’ শব্দের অর্থ-
- কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতিআক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায় খানসেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুলমাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে বন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসা করছে, 'মুক্তি কিধার হ্যায় বোলা।'- এক উত্তর- ওরা জানে না।"এদিকে নাকি নৌকা করে চলে আসে স্টেনগানওয়ালা ছোকরার দল।"- 'রেইনকোট' গল্পের এ প্রসঙ্গটি উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- চারদিন ধরে বৃষ্টি। শনিবার রাতে কি মুষলধারেই যে হলো, রোববার তো দিনভর একটানা। গতকাল সকালের পর বৃষ্টি থামলেও সারাদিন আকাশ মেঘলা ছিল। মাঝে মাঝে এক পশলা বৃষ্টি এখন সন্ধ্যার পর বৃষ্টি নেই। ঘন ঘন মেঘ ডাকছে আর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। বসার ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে ভাবছিলাম, আমার জীবনেও এতদিনে সত্যি সত্যি দুর্যোগের মেঘ ঘন হয়ে আসছে। এ 'রকম সময় করিম এসে ঢুকল ঘরে। সামনে সোফায় বসে বলল, ফুফুজান এ পাড়ার অনেকেই চলে যাচ্ছে বাড়ি ছেড়ে। আপনারা কোথাও যাবেন না? আরও একটা কথা শুনেছেন ফুফুজান? নদীতে নাকি প্রচুর লাশ ভেসে যাচ্ছে। পেছনে হাত বাঁধা, গুলিতে মরা লাশ।উদ্দীপকের প্রথমাংশের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নিশ্চিন্তে দেশেই অবস্থান করেছিলেন। তাঁদের ধারণা ছিল, পাকিস্তান সেনাবাহিনী অকারণে মানুষ হত্যা করবে না। অন্তত যুদ্ধের নিয়ম, জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী এমনই হওয়ার কথা। কিন্তু পরাজয় নিশ্চিত জেনে ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর আলবদর বাহিনীর সাহায্যে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। যাদের কেউ আর ফিরে আসেননি; লাশও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও বাংলার স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করতে পারেনি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টিকে উপস্থাপন করেছে? আলোচনা করো।
- ‘রেইনকোট' গল্পে স্টেট ঘাসের রং কী ছিল?
- ‘উজবুক’ শব্দের অর্থ-
- "চিলেকোঠার সেপাই' উপন্যাসটি কার লেখা ?
- 'ভোর রাত থেকে বৃষ্টি'- কোন রচনার শুরুতেই উল্লিখিত হয়েছে?
- জেলে বন্দি থাকাকালে ভগৎ সিং ভারতীয় বন্দিদের সমানাধিকারের দাবিতে ৬৩ দিন অনশন করেন। ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত দুজনই ছিলেন অনশন ধর্মঘটে। তাদের স্ট্রেচারে করে যখন আদালতে আনা হয়, অন্য কারাবন্দিরা অনশনের কথা জানতে পেরে যোগ দেন। ৬৩ দিন অনশনের পর ব্রিটিশশক্তি নতি স্বীকার করে। নিজের দেশকে মুক্ত করার জন্য জীবন বাজি রেখে ভগৎ সিং নানা সংগ্রামে অংশ নেন ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে। পরে হাসিমুখে ব্রিটিশদের দেওয়া ফাঁসির দড়ি তিনি বরণ করে নেন।"উদ্দীপকে বর্ণিত অনশন ধর্মঘটের সঙ্গে 'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনায় প্রতিফলিত অনশন ধর্মঘটের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা করো।
- 'জিগীষা' এর বাক্য প্রসারণ-
- 'সাবভার্সিভ অ্যাকটিভিটিজ' বলতে 'রেইনকোট' গল্পে কী বোঝানো হয়েছে?
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
- 'বিহান' - এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
- কলেজ থেকে ঘরে ফেরার পথে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের মধ্যেপড়ে যায় মাহমুদ। পুলিশের বেধড়ক লাঠিপেটায় সেদিনথেকেই সে হয়ে ওঠে ভাষা আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী। উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পটিকে যে প্রেক্ষাপট থেকেপ্রতিনিধিত্ব করে তা হলো-
- হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারেবিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়েআমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।উদ্দীপকটি 'রেইনকোট' গল্পের সঙ্গে কীভা??ে সাদৃশ্যপূর্ণ- ব্যাখ্যা করো।
- রুমী চাপা আনন্দ আর উত্তেজনায় ফিসফিস করে বলল, "আম্মা আমরা একটা অ্যাকশন করে এলাম, এই মাত্র সাত আটটা খান সেনা মেরে এসেছি।" আম্মার মুখ হাঁ হয়ে গেল, বলিস কী রে? আনন্দ ডগমগ গলায় কাজী বলল, হা চাচি ১৮ নম্বর রোডে......... মিলিটারির জিপ পিছু নিয়েছিল, তাই দেখে রুমী গাড়ির পেছনের কাছ থেকে গুলি চালায়...... জিপ উল্টে সবগুলো মরেছে।"উদ্দীপকটি 'রেইনকোট গল্পের কাহিনির একটি বিশেষ দিকের প্রতিকায় মাত্র-প্রকৃতপক্ষে 'রেইনকোট' গল্পের প্রেক্ষাপট আরও বিস্তৃত।"- মূল্যায়ন কর।
- ‘মিলির হাতে স্টেনগান’ গল্পটি কার লেখা?
- “অলভ্য জয়ের লোভে, জ্বালায় শহর, গ্রামে গ্রামেপ্রাচীন সংহতি ভেঙে ভগ্নস্তূপে দূরের উল্লুক'উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টি সাদৃশ্যমান?
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসে উল্লিখিত সুদীপ্ত শাহীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতের ভয়াবহতায় আতঙ্কগ্রস্ত একজন মানুষ। তাঁর যাপিত জীবন আতঙ্ক আর ভয়ের মধ্য দিয়ে কাটে। কারণ সে রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকার নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ এমনকি মসজিদের মুয়াজ্জিন পর্যন্ত রেহাই পায়নি। সুদীপ্ত শাহীন এর মাঝে বেঁচে আছেন এটা বিশ্বাস করতে তাঁর বিস্ময় লাগে। ২৬ মার্চের সূর্যোদয় দেখবার কথা তিনি ভাবতেও পারে না।'রেইনকোট' গল্পের মূলভাব উদ্দীপকে অনেকটাই প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।