শ, ষ, স এ তিনটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি কী?
A. অঘোষ অল্পপ্রাণ
B. অঘোষ মহাপ্রাণ
C. ঘোষ অল্পপ্রাণ
D. ঘোষ মহাপ্রাণ
E. স্পর্শধ্বনি
সঠিক উত্তরঃ
A.
অঘোষ অল্পপ্রাণ
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- ‘কালান্তর’ শীর্ষক প্রবন্ধ গ্রন্হের রচয়িতা কে?
- অনুপমের মামা সেকরাকে বিয়েবাড়িতে এনেছিল কেন?
- সেই শৈশবের সুরবালা তোমার যত কাছেই থাকুক, তাহার চুড়ির শব্দ শুনিতে পাও, তাহার মাথা ঘষার গন্ধ অনুভব করো, কিন্তু মাঝখান বরাবর একখানি করিয়া দেয়াল থাকিবে। আমি বলিলাম থাক-না, সুরবালা আমার কে? উত্তর শুনিলাম; সুরবালা আজ তোমার কেহই নয়; কিন্তু সুরবালা তোমার কী না হইতে পারিত।। সে কথা সত্য। সুরবালা আমার এর কী কী না হইতে পারিত। আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ, আমার সবচেয়ে নিকটবতী, আমার জীবনের সমস্ত সুখ-দুঃখভাগিনী হইতে পারিত- সে আজ এত দূর এত পর, আজ তাহাকে দেখা নিষেধ, তাহার সঙ্গে কথা কওয়া দোষ, তাহার বিষয়ে চিন্তা করা পাপ।"প্রিয়জনকে না পাওয়ার হাহাকারই উদ্দীপকের বাহক ও 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমকে একই সূত্রে গেঁথেছে।"- বিশ্লেষণ করো।
- বিভুতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গদ্যের ধরণ কেমন?
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমকালীন ভারতবর্ষে পুরুষশাসিত সমাজজীবনের সবক্ষেত্রে তৎকালীন নারীসমাজের পশ্চাৎপদতা, দুর্বিষহ জীবন এবং অধিকারহীনভাবে দেখেছেন পুরুষের নিদারুণ স্বার্থপরতা, আধিপত্যকামী মানসিকতার প্রেক্ষাপটে। তাঁর বিভিন্ন রচনায় তিনি নারী সমাজকে জ্ঞানচর্চা ও কর্মব্রতী, অধিকার সচেতন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় প্রলুব্ধ করতে চেয়েছেন। পরিবার ও সমাজের অপরিহার্য অর্ধেক শক্তি নারীসমাজের দুর্বল ও অবনত অবস্থার জন্য পুরুষ সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন আশা করেছেন।কল্যাণীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন-এর সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- ‘ছিন্নপত্রে’র অধিকাংশ পত্র কাকে উদ্দেশ্য করে লেখা?
- ঘরেতে এলো না সে তো 'মনে তার নিত্য আসা যাওয়া'- পরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর।'উদ্দীপকের ঘরে না আসা ব্যক্তিটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ?
- 'অপরিচিতা' গল্পে উল্লিখিত 'ফল্গু' নদীর বৈশিষ্ট্য কী?
- 'আমার ভাগ্যে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের কোন বিরোধ নাই'- বাক্যটির তাৎপর্য কী?
- অফিস থেকে ফেরার পথে রাশেদ বাসে দীর্ঘদিন পর দেখতে পেল রাবেয়াকে। মনে পড়ল রাবেয়ার সাথে তার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পর হঠাৎ রাশেদের বাবা মোটা অংকের যৌতুক দাবি করে বসে মেয়ের বাবার কাছে। উচ্চশিক্ষিত সুদর্শন পুত্রের জন্য এটা নাকি তার ন্যায্য দাবি। রাবেয়ার বাবার যথেষ্ট সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও তিনি রাজি হলেন না যৌতুক দিতে। ক্ষোভে অপমানে তৎক্ষণাৎ ভেঙে দেন বিয়ে। ক্ষুব্ধ রাবেয়াও সমর্থন করে বাবাকে। বিয়ে ভেঙে গেলেও রাবেয়া থেমে থাকেনি। এক ব্যাংকারকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছে। চাকরি করছে একটা কলেজে।উদ্দীপকের রাবেয়ার বাবার সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের শম্ভুনাথ বাবুর সাদৃশ্য কোথায়?
- কোনটি রবীন্দ্রনাথের রচনা?1
- ‘জীবনটা না দৈর্ঘ্যের হিসাবে বড়, না গুণের হিসাবে’
- তিনি কোনোমতেই কারো কাছে ঠকিবেন না- তিনি বলতে অপরিচিতা গল্প?? কাকে বোঝানো হয়েছে?
- "ঠাট্টা করিতেছেন নাকি?" উদ্ধৃতিটি 'অপরিচিতা' গল্পের কোন চরিত্রের?
- 'ঘরে - বাইরে' গ্ৰন্থের রচয়িতা -
- ’মজিনু বিফল তপে অবরণ্যে বরি/কেলিনু শৈবালে বুলি, কমল-কানন।' চরণটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- কাজী নজরুল ইসলামের ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
- গোলাপফুল’ শব্দটি কোন সমাস?
- ‘অপরিচিতা’ গল্পে নায়কের বয়স কত বলা হয়েছে?
- বিয়ে ভাঙার পর অনুপম কেবল কী কামনা করতে লাগল?
- নিবেদিতা তার স্বামী প্লাবনসহ বইয়ের দোকানে এসে অবাক হলেন। ফোনে নিবেদিতা বই বিক্রেতাকে বইয়ের নাম, সংখ্যা, প্রকাশনী, কমিশন এবং সরবরাহের তারিখ প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত সব বলে দিয়েছিলেন। কিন্তু দোকানদার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বই সরবরাহের ন্যূনতম প্রস্তুতিও নেননি। একপর্যায়ে দোকানদার প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করলে নিবেদিতা মোবাইল থেকে প্রমাণ উপস্থাপন করলেন। প্লাবনের অনুরোধে নিবেদিতা দোকানদারের সাথে আর তর্কে জড়ালেন না। উদ্দীপকের প্লাবন ও 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মধ্যে সাযুজ্য নির্ণয় করো।
- 'অপরিচিতা' গল্পে 'মেয়ের বিয়ে হইবে না এ ভয় যার মনে নাইতার শাস্তির উপায় কী।' উক্তিতে প্রকাশ পেয়েছে—
- কোন সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম-শতবার্ষিকী পালিত হয়?
- 'দিবারাত্রির কাব্য' কী জাতীয় রচনা?
- রামসুন্দর বাবু বনেদি ঘর পেয়ে মেয়ে বিয়ে দিতে উদ্যতহন। এক্ষেত্রে তিনি বরপক্ষ থেকে দাবিকৃত দেনাপাওনাচুকিয়ে দিয়ে মহাসাড়ম্বরে মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করেন। উদ্দীপকের রামসুন্দর বাবুর সাথে 'অপরিচিতা'গল্পের কোন চরিত্রের বৈসাদৃশ্য রয়েছে?
- নিম্নের কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক?
- একজন মানুষ তখনই চমৎকার ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে পারে যখন সে অনর্থক কথা ও অপকর্মকে পরিত্যাগ করতে পারে। [এডিসন]নিজের সন্তানের ভালোমন্দ সম্বন্ধে যে পিতা সচেতন সে-ই যথার্থ পিতা। [টেগনার]অর্থের বিনিময়ে যারা একটি নারীকে বিবাহ করিতে সম্মত হয় সেই পুরুষ কোনোদিন তার স্ত্রীকে ভালোবাসিবে না- পাত্রীর অভিভাবকদের এ কথাটা বোঝা উচিত। [শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।উদ্দীপকের দ্বিতীয় উক্তির সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের কোন ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।
- গীতাঞ্জলীর ইংরেজি অনুবাদক কে?
- হরিশ কোথায় কাজ করে?
- বিবাহ ভাঙার পর হতে কল্যাণী কোন ব্রত গ্রহণ করেছে?
- নিচের কোন গল্পটির লেখক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর?
- সেই শৈশবের সুরবালা তোমার যত কাছেই থাকুক, তাহার চুড়ির শব্দ শুনিতে পাও, তাহার মাথা ঘষার গন্ধ অনুভব করো, কিন্তু মাঝখান বরাবর একখানি করিয়া দেয়াল থাকিবে। আমি বলিলাম থাক-না, সুরবালা আমার কে? উত্তর শুনিলাম; সুরবালা আজ তোমার কেহই নয়; কিন্তু সুরবালা তোমার কী না হইতে পারিত।। সে কথা সত্য। সুরবালা আমার এর কী কী না হইতে পারিত। আমার সবচেয়ে অন্তরঙ্গ, আমার সবচেয়ে নিকটবতী, আমার জীবনের সমস্ত সুখ-দুঃখভাগিনী হইতে পারিত- সে আজ এত দূর এত পর, আজ তাহাকে দেখা নিষেধ, তাহার সঙ্গে কথা কওয়া দোষ, তাহার বিষয়ে চিন্তা করা পাপ।উদ্দীপকের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের সাদৃশ্য তুলে ধরো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারলাভ করেন?
- 'মামার মুখ লাল হয়ে উঠল'- ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'স্ত্রীর পত্র' গল্পের মেজো বউ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ জানিয়ে সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। সে সমাজের শৃঙ্খল ও সংসারের জাল ছিন্ন করেছে। মেজো বউয়ের শেষ কথা ছিল'- তোমাদের গালিকে 'আমি আর ভয় করিনে। আমার সম্মুখে আজ নীল সমুদ্র, আমার মাথার উপরে আষাঢ়ের মেঘপুঞ্জ।উদ্দীপকের মেজো বউ 'অপরিচিতা' গল্পের যে দিকটি তুলে ধরেছে তা ব্যাখ্যা করো।
- বিভূতিভূষণ এর "পথের পাঁচালী" উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মান করেন কে?
- 'কন্যার পিতা রামসুন্দর আমাদের রায় বাহাদুরের হাতে পায়ে ধরিয়া বলিলেন, "শুভ কার্য সম্পন্ন হইয়া যাক, আমি নিশ্চয়ই টাকাটা শোধ করিয়া দিব।" রায় বাহাদুর বললেন, "টাকা হাতে না পাইলে বর সভাস্থ করা যাইবে না।" এই দুর্ঘটনায় অন্তঃপুরে একটা কান্না পড়িয়া গেল। ইতঃমধ্যে একটি সুবিধা হইল। বর সহসা তার পিতৃদেবের অবাধ্য হইয়া উঠিল। সে বাবাকে বলিয়া বসিল, "কেনাবেচা দরদামের কথা আমি বুঝি না; বিবাহ করিতে আসিয়াছি, বিবাহ করিয়া যাইব।""উদ্দীপকের ঘটনাটি 'অপরিচিতা' গল্পে বর্ণিত সামাজিক অসঙ্গতির দিকটি তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
- 'তাহা হইলে তাশার যেটুকু বাকি আছে তাহা পুরা হইবে। এটা বুঝিয়ে দেয়-
- 'যাহা লয়ে ছিনু ভুলে'- এ চরণে কী ফুটে উঠেছে?
- ‘তবে চলুন আপনাদের গাড়ি বলিয়া দিই'— উক্তিটিতেপ্রকাশ পেয়েছে শম্ভুনাথ বাবুর-