মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

অনিক সুন্দর বনে বেড়াতে গেল। সেখানে সে গাছের গোড়ায় শিং আকৃতির মূল দেখতে পেল। 

উদ্দীপকের উদ্ভিদের অভিযোজন বৈশিষ্ট্য কোনটি? 

A.

জরায়ুজ অংকুরোদগম 

B.

কাঁটায় পরিণত পাতা

C.

কিউটিকল পাতলা

D.

বৃহৎ বায়ুকুঠুরি 

Poster Download
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনবাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় জীব - পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ (Topic Practice)
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A.

জরায়ুজ অংকুরোদগম 

Explanation:

Another Explanation (5):

সুন্দরবনের উদ্ভিদে জারায়ুজ অঙ্কুরোদগম: একটি ব্যাখ্যা 🧐

অনিক সুন্দরবনে 🌳 ঘুরতে গিয়ে গাছের গোড়ায় শিং আকৃতির মূল 뿔 দেখেছে। এটি সুন্দরবনের উদ্ভিদের একটি বিশেষ অভিযোজন কৌশল। নিচে এর ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

জারায়ুজ অঙ্কুরোদগম (Vivipary) কি? 🤔

সাধারণত, বীজ 🌱 থেকে চারা গাছ 🪴 জন্ম নেয়। কিন্তু জারায়ুজ অঙ্কুরোদগমে বীজ মাতৃ উদ্ভিদের সাথে যুক্ত থাকা অবস্থাতেই অঙ্কুরিত হতে শুরু করে। এর ফলে গাছের ফল মাটিতে পড়ার আগেই তার থেকে একটি ছোট চারা গাছ তৈরি হয়। এই চারা গাছটি তখন সরাসরি মাটিতে পরে নতুন গাছ হিসেবে বেড়ে ওঠে।

সুন্দরবনের উদ্ভিদে জারায়ুজ অঙ্কুরোদগমের কারণ 🤷‍♀️

সুন্দরবনের মাটি লবণাক্ত 🧂 এবং কর্দমাক্ত হওয়ার কারণে বীজ থেকে চারা গাছ তৈরি হওয়া কঠিন। তাই:

  • লবণাক্ততা থেকে রক্ষা 🛡️: জারায়ুজ অঙ্কুরোদগমের মাধ্যমে চারা লবণাক্ত পরিবেশের সাথে অভিযোজিত হওয়ার সুযোগ পায়।
  • অক্সিজেনের অভাব 🌬️🚫: কর্দমাক্ত মাটিতে অক্সিজেনের অভাব থাকে। মাতৃ উদ্ভিদের সাথে যুক্ত থাকাকালীন চারা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পায়।
  • দ্রুত বৃদ্ধি 🚀: অঙ্কুরিত চারা সরাসরি মাটিতে পড়েই দ্রুত বাড়তে শুরু করে, যা প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে সাহায্য করে।

শিং আকৃতির মূল: শ্বাসমূল 🫁

অনিক গাছের গোড়ায় যে শিং আকৃতির মূল দেখেছে, তা আসলে শ্বাসমূল বা নিউম্যাটোফোর (pneumatophore)।

  • শ্বাসমূল কী? 🤔 : শ্বাসমূল হলো বিশেষ ধরনের মূল যা মাটির উপরে খাড়াভাবে ওঠে আসে।
  • কাজ কী? ⚙️ : এই মূলের গায়ে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যার মাধ্যমে গাছ বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
  • কেন প্রয়োজন? 🤷‍♀️ : সুন্দরবনের মাটি কর্দমাক্ত হওয়ায় গাছের মূল শ্বাস নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। তাই শ্বাসমূল বাতাস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে গাছকে বাঁচিয়ে রাখে।

জারায়ুজ অঙ্কুরোদগম দেখা যায় এমন কিছু উদ্ভিদ 🪴

  1. ম্যানগ্রোভ 🌳
  2. কেওড়া 🌴
  3. গেওয়া 🥭
  4. গর্জন 🌱

অভিযোজন বৈশিষ্ট্যের তালিকা 📝

বৈশিষ্ট্য গুরুত্ব ℹ️
জারায়ুজ অঙ্কুরোদগম লবণাক্ত ও কর্দমাক্ত পরিবেশে চারা গাছের বেঁচে থাকার হার বাড়ায়।
শ্বাসমূল মাটির নিচে অক্সিজেনের অভাব পূরণ করে।

আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে সুন্দরবনের উদ্ভিদের জারায়ুজ অঙ্কুরোদগম সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। 😊

Option A Explanation:
  • জরায়ুজ অংকুরোদগম: এই বৈশিষ্ট্যটি ঘটে যখন অংকুরের জন্য জরায়ু বা ডিম্বাশয় থেকে আলাদা করে পৃথক হয়।
  • এতে অংকুরের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন হয় জরায়ু বা ডিম্বাশয়ের ভিতরে থাকা নির্দিষ্ট পরিবেশের।
  • প্রাকৃতিক পরিবেশে এই অংকুরোদগমের মাধ্যমে গাছের প্রজনন প্রক্রিয়া সহজ হয় এবং অংকুরের সংরক্ষণ ও বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত হয়।
  • বিশেষ করে, কিছু উদ্ভিদ এই বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে তাদের প্রজনন ও অভিযোজনের জন্য সুবিধা পায়।
Option B Explanation:
  • প্রতিরোধ ব্যবস্থা: কাঁটায় পরিণত পাতা মূলত শিকার বা ক্ষতিকর পৃষ্ঠ থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • প্রাণীর আঘাত থেকে রক্ষা: কাঁটাগুলি তীক্ষ্ণ হওয়ায় শিকারী প্রাণীর আঘাতের ঝুঁকি কমে যায়।
  • জলশোষণ নিয়ন্ত্রণ: কাঁটাগুলি জল শোষণ বা ক্ষয় রোধে সহায়ক হয়, যা শীতকালীন বা শুষ্ক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ।
  • অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড বিনিময়: কাঁটাগুলি পাতার জন্য অতিরিক্ত কার্যকারিতা প্রদান করে, যেমন বেশি পাতা বা পাতার আকারে পরিবর্তন।
Option C Explanation:
  • কিউটিকল পাতলা: কিউটিকল হল উদ্ভিদের পাতা ও শাখার উপর স্তরবিশিষ্ট আবরণ, যা জলপাত, আর্দ্রতা সংরক্ষণ এবং ক্ষতিকারক উপাদান থেকে রক্ষা করে।
  • যখন কিউটিকল পাতলা হয়, তখন উদ্ভিদ সহজে জল শোষণ এবং নিঃসরণের জন্য সক্ষম হয়, বিশেষ করে আর্দ্র পরিবেশে।
  • পাতলা কিউটিকল উদ্ভিদের জন্য গরমে তাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, কারণ এটি তাপ অপচয় কমাতে পারে।
  • এটি সাধারণত জলপ্রবাহ বা আর্দ্র পরিবেশে বসবাসকারী উদ্ভিদে দেখা যায়, যেখানে জল সংরক্ষণের প্রয়োজন হয় না বা কম।
  • উদ্ভিদের অভিযোজনের অংশ হিসেবে, পাতলা কিউটিকল তাদের জীবনযাত্রা এবং পরিবেশের সাথে মানানসই হতে সহায়ক।
Option D Explanation:

বৃহৎ বায়ুকুঠুরি (Large Stomata) এর ব্যাখ্যা:

  • বায়ুকুঠুরি হলো পাতার উভয় পাশে অবস্থিত ছোট ফুটো বা ছিদ্র, যা গ্যাস বিনিময় করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • বৃহৎ বায়ুকুঠুরি গাছের পাতায় থাকে, যা গ্যাসের আদান-প্রদানে সাহায্য করে।
  • বৃহৎ বায়ুকুঠুরির মাধ্যমে অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড সহজে প্রবেশ ও বের হয়ে যায়।
  • এটি সাধারণত শুষ্ক বা জলহীন পরিবেশে অভিযোজিত গাছের একটি বৈশিষ্ট্য, যেখানে জল সংরক্ষণ জরুরি।
  • বৃহৎ বায়ুকুঠুরি গাছের জলীয় ক্ষয় কমানোর জন্য সহায়ক হতে পারে, কারণ এর মাধ্যমে গ্যাস বিনিময় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ হয়।