মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

ঘাসফড়িং কোন ফসলের বালাই?

A. আখ 
B. ধান 
C. ভুট্টা 
D. তিল 
Poster Download
RUUnit-Gজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপ্রাণীর পরিচিতিঘাসফড়িং এর পরিচিতি (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. ধান 
Explanation:

Another Explanation (5):

ঘাসফড়িং: ধানের ক্ষতিকর বালাই 🌾🐛

ঘাসফড়িং (Grasshopper) পোকা বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি করে থাকে, এর মধ্যে ধান অন্যতম। 🌾 বাংলাদেশে ঘাসফড়িং ধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বালাই হিসেবে বিবেচিত হয়।

ঘাসফড়িং দ্বারা ধানের ক্ষতির ধরণ 🤔

  • পাতা খাওয়া: ঘাসফড়িং ধান গাছের পাতা খেয়ে ফেলে, 🌱 ফলে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
  • কুশি ক্ষতিগ্রস্ত করা: ছোট অবস্থায় ঘাসফড়িং ধান গাছের কুশি খেয়ে ক্ষতি করে।
  • ফলন হ্রাস: মারাত্মক আক্রমণে ধান গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং ফলন কমে যায়। 📉
  • ভাইরাস ছড়ানো: কিছু ঘাসফড়িং ভাইরাসজনিত রোগ ছড়াতে পারে। 🦠

ঘাসফড়িং চেনার উপায় 🔍

  1. সবুজ বা বাদামী বর্ণের লম্বাটে আকারের পোকা। 🦗
  2. শক্তিশালী পা থাকায় লাফাতে পারে।
  3. এদের লম্বা শুঁড় থাকে।
  4. ধান ক্ষেতে এদের বিচরণ দেখা যায়।

ঘাসফড়িংয়ের আক্রমণ প্রতিরোধের উপায় 🛡️

পদ্ধতি বিবরণ গুরুত্ব 🌟
নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ধান ক্ষেত নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে ঘাসফড়িংয়ের উপস্থিতি চিহ্নিত করা। 🧐 উচ্চ
আলোর ফাঁদ আলোর ফাঁদ ব্যবহার করে ঘাসফড়িং ধরা এবং মারা। 💡 মাঝারি
রাসায়নিক কীটনাশক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার করা। 🧪 জরুরী অবস্থায়
জৈবিক নিয়ন্ত্রণ পরজীবী ও শিকারী পোকা ব্যবহার করে ঘাসফড়িং নিয়ন্ত্রণ করা। 🐞 দীর্ঘমেয়াদী

আরও কিছু তথ্য ℹ️

ঘাসফড়িং সাধারণত গরম এবং শুষ্ক আবহাওয়ায় বেশি বংশবৃদ্ধি করে। ☀️ তাই, এই সময়ে ধান ক্ষেতের প্রতি বিশেষ নজর রাখা উচিত। ঘাসফড়িংয়ের আক্রমণ থেকে ধানকে বাঁচাতে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (Integrated Pest Management) পদ্ধতি অনুসরণ ক??া উচিত। 👍

সতর্কতা: কীটনাশক ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই ব্যবহারের নিয়মাবলী জেনে নিতে হবে। ⚠️

ভালো ফলনের জন্য সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিন। ✅

Option A Explanation:
  • আখ (Saccharum officinarum) হলো এক ধরনের উদ্ভিদ যা মূলত শর্করা বা চিনি উৎপাদনের জন্য পরিচিত।
  • এটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ, যা উচ্চতায় সাধারণত ৩ থেকে ৫ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
  • আখের পাতা লম্বা ও সরু, সবুজ রঙের এবং তার ভিতরে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে।
  • বিশেষ করে, আখের রস থেকে চিনি বা সাকারোজ উৎপাদিত হয়, যা খাদ্য ও শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
  • আখের মূল উৎপাদন স্থানগুলো হলো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, থাইল্যান্ড ও ব্রাজিল।
Option B Explanation:
  • ধান (Oryza sativa)
  • এটি একটি C4 উদ্ভিদ, যার অর্থ হলো এটি একটি C4 প্রক্রিয়ায় ফটোসিনথেসিস করে।
  • সাধারণত, ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্যের মধ্যে একটি, যা উষ্ণ এবং আর্দ্র পরিবেশে ভাল বৃদ্ধি পায়।
  • এটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর পাতার গড়া এবং রঙের বৈচিত্র্য, যা সূর্যরশ্মির তাপ ও আলোতে কার্যকরভাবে ফটোসিন্থেসিস করতে সক্ষম।
  • প্রধানত, ধান দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলন উচ্চ মানের খাদ্যশস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
Option C Explanation:
  • ভুট্টা হলো একটি উদ্ভিদ যা প্রোক্যারিওটিক নয়।
  • এটি একটি উদ্ভিদ, যা ইউক্যারিওটিক কোষ দ্বারা গঠিত।
  • অর্থাৎ, এর কোষের মধ্যে নিউক্লিয়াস এবং অন্যান্য অঙ্গাণু (organelles) উপস্থিত থাকে।
  • প্রোক্যারিওটিক কোষের বৈশিষ্ট্য হলো, এদের মধ্যে নিউক্লিয়াস বা অঙ্গাণু সংযুক্ত থাকে না।
  • ভুট্টা একটি উদ্ভিদ হিসেবে, এটি ইউক্যারিওটিক প্রজাতির।
Option D Explanation:
  • প্রকার: তিল একটি গুরুত্বপূর্ণ তেলবীজ ফসল।
  • উৎপত্তি: এটি মূলত এশিয়া, আফ্রিকা, এবং লাতিন আমেরিকায় উৎপন্ন হয়।
  • প্রয়োগ: তিলের বীজ থেকে তেল তৈরি করা হয়, যা রান্নায় এবং বিভিন্ন প্রসাধনীজাতীয় দ্রব্যে ব্যবহৃত হয়।
  • অন্য ব্যবহার: তিলের বীজ থেকে খাদ্য, মিষ্টান্ন, এবং শাক-সবজির সঙ্গে ব্যবহার হয়।
  • বৈশিষ্ট্য: তিলের বীজ ছোট, গোলাকার এবং বাদামী বা সোনালি রঙের হয়।