"বাজারে মিলিটারি ঢোকার পর থেকেই কলিমদ্দি দফাদারের ওপর বোর্ড অফিস খোলার ভার পড়েছে। অপেক্ষাকৃত কমবয়স্ক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান মিলিটারির ভয়ে পারতপক্ষে এদিকে আসেন না। মেম্বারগণও আত্মগোপন করেছেন। কিন্তু বোর্ড অফিস নিয়মিত খোলা রাখার হুকুম জারি আছে। কলিমদ্দি এ কাজ করার জন্য বাজারে আসে। খান সেনারা ওকেই ওদের অভিযানে সঙ্গী করে নেয়। সে সরকারি লোক, নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং যা হুকুম তা পালন করে। সুতরাং সন্দেহের কারণ নেই।" তাই এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাক-ক্যাম্পের খবর মুক্তি বাহিনীর নিকট সরবরাহ করাসহ পাকিস্তানি হানাদারদের বিপথে চালিত করতে পারে কলিমদ্দি।
'রেইনকোট' গল্পে বর্ণিত কলেজের পরিস্থিতির সাথে উদ্দীপকের বোর্ড অফিসের পরিস্থিতির তুলনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- প্রিন্সিপ্যাল আজকাল কাকে তোয়াজ করে?
- কোন গ্রন্থ দুটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত?
- 'আব্বুকে ছোটো মামার মতে দেখাচ্ছে'-উক্তিটি কার?
- "এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।"- ব্যাখ্যা কর।
- কোন গল্পগ্রন্থ আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা?
- নুরুল হুদা মিলিটারির কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের ঠিকানা জানা আছে এরূপ স্বীকার করার মধ্যে তার কোনদিকটি প্রকাশ পেয়েছে?
- ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১। কালীগঞ্জ গ্রামের একজন যুবক রাতের অন্ধকারে ওই গ্রামের মিলিটারি ক্যাম্পে হামলা করে, বোমা মেরে ব্রিজ উড়িয়ে দেয়। প্রচন্ড গোলাগুলির সময় কয়েকজন মিলিটারির হাতে ধরা পড়ে। সেখান থেকে আহত অবস্থায় পালিয়ে বৃদ্ধ বশির দাদার বাড়িতে আশ্রয় নেয় আহাদ। খবর পেয়ে মিলিটারিরা ছুটে আসে কিন্তু আহাদকে পায় না। বৃদ্ধ বশিরকেই তারা তুলে নিয়ে অনেক অত্যাচার করে। বৃদ্ধ বশির গরম লোহার ছ্যাকা সহ্য করে তবুও আহাদের কোনো তথ্য দেয় না। তার কাছে মনে হয় আহাদকে বাঁচানো মানে দেশকে বাঁচানো।'দেশকে মুক্ত করার লক্ষ্যে বৃদ্ধ বশির ও নুরুল হুদার আত্মত্যাগ একই সূত্রে গাঁথা।'- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করিমোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি।"উদ্দীপকের ভাবানুষঙ্গ 'রেইনকোট' গল্পের যে দিকটিকেপ্রতিফলিত করে—
- 'নুরুল হুদার চোখের চাউনি ভোঁতা কিন্তু গরম।"- এ কথার মানে কী?
- দেশমাতৃকার মুক্তির শপথ নিয়ে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয় হুমায়ূন সাহেবের পাঁচ ছেলে। রাজাকারের মাধ্যমে এই খবর জানতে পেরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হুমায়ুন সাহেবের ঘর- বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। অবশেষে ক্যাম্পে ধরেও নিয়ে যায় তাকে, বারবার জানতে চায় তাঁর -ছেলেদের ঠিকানা। হুমায়ুন সাহেব চুপ করে করে থাকলে তাঁর পিঠের ওপর প্রচন্ড জোরে চাবুকের আঘাত করে। যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন তিনি। রক্তাক্ত ও ক্ষত-বিক্ষত হয় তাঁর শরীর। তবু তিনি মুক্তিবাহিনীর কোনো খবর দেননা হানাদার বাহিনীকে।উদ্দীপকের হুমায়ুন সাহেবের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র কোনটি? আলোচনা করো।
- ‘রেইনকোট’ গল্পে ব্যবহৃত রেইনকোটটি কার?
- রেইনকোট' গল্পে রেইনকোটটি কীসের প্রতীক?
- 'নূরুল হুদার ঝুলন্ত শরীর যেন কবির পূর্বপুরুষ, যার পিঠে রক্তজবার মতো ক্ষত'।এই মন্তব্যের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক হলো-
- ”রেইনকোট” গল্পের বিষয়বস্তু কোনটি ?
- সন্তানকে রক্ষা করতে নিজের বুকে গুলি পর্যন্ত খেলেন লিপি মণ্ডল। এরপরও শেষ রক্ষা হলো না। ছয় বছরের শিশু পুত্র পরাগ মন্ডলকে দিন দুপুরে অপহরণ করে নিয়ে গেল দুর্বৃত্তরা। শিশুটির এখনো কোনো খোঁজ নেই। এ ধরনের একটি ঘটনা তখনই ঘটে যখন আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটে। আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে জনমনে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার জন্ম দিয়েছে।উদ্দীপকের লিপি মণ্ডলের সাথে 'রেইনকোট' গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ালপুরের, মাতব্বর খিজির আলি পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে হাত মেলায়। মুক্তিবাহিনীর সূদস্যদের জীবন সে বিপর্যস্ত করে তোলে। গৃহস্থের হাঁস-মুরগি, গোরু-ছাগল লুট করে পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে দিয়ে আসে। পাকিস্তানি সেনারাও তার পরামর্শ আমলে নিয়ে অভিযান চালায়।উদ্দীপকে 'রেইনকোট' গল্পের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।
- দেশমাতৃকার মুক্তির শপথ নিয়ে মুক্তি বাহিনীতে যোগ দেয় হুমায়ূন সাহেবের পাঁচ ছেলে। রাজাকারের মাধ্যমে এই খবর জানতে পেরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হুমায়ুন সাহেবের ঘর- বাড়ি জ্বালিয়ে দেয়। অবশেষে ক্যাম্পে ধরেও নিয়ে যায় তাকে, বারবার জানতে চায় তাঁর -ছেলেদের ঠিকানা। হুমায়ুন সাহেব চুপ করে করে থাকলে তাঁর পিঠের ওপর প্রচন্ড জোরে চাবুকের আঘাত করে। যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়েন তিনি। রক্তাক্ত ও ক্ষত-বিক্ষত হয় তাঁর শরীর। তবু তিনি মুক্তিবাহিনীর কোনো খবর দেননা হানাদার বাহিনীকে।"দেশকে মুক্ত করার জন্য বাঙালি জনসাধারণের আত্মত্যাগই উদ্দীপক ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য।"-মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
- 'অনুরাগ' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
- ‘পর্বত’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
- কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতিআক্রমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায় খানসেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুলমাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে বন্দুকের নল উচিয়ে জিজ্ঞাসা করছে, 'মুক্তি কিধার হ্যায় বোলা।'- এক উত্তর- ওরা জানে না।"এদিকে নাকি নৌকা করে চলে আসে স্টেনগানওয়ালা ছোকরার দল।"- 'রেইনকোট' গল্পের এ প্রসঙ্গটি উদ্দীপকের বিষয়ের সাথে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।