বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষের বৈজ্ঞানিক নাম কি?
CUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনবাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় জীব - পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
A.
Mangifera indica
Explanation:
Another Explanation (5):
বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ: বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা 🌳🥭
বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ হলো আম গাছ। এর ফল মিষ্টি ও রসালো হওয়ায় এটি অনেকের কাছে প্রিয়। নিচে এর বৈজ্ঞানিক পরিচিতি এবং বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো:
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস 🌿
- জগৎ (Kingdom): Plantae (উদ্ভিদ)
- শ্রেণী (Clade): Tracheophytes
- শ্রেণী (Clade): Angiosperms (আবৃতবীজী)
- শ্রেণী (Clade): Eudicots
- বর্গ (Order): Sapindales
- পরিবার (Family): Anacardiaceae (অ্যানাকার্ডিয়েসি)
- গণ (Genus): Mangifera (ম্যানজিফেরা)
- প্রজাতি (Species): Mangifera indica (ম্যানজিফেরা ইন্ডিকা)
বৈশিষ্ট্যসমূহ 📝
Mangifera indica একটি চিরসবুজ বৃক্ষ। এর কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চতা: সাধারণত ৩০-৪০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। ⬆️
- পাতা: পাতাগুলো লম্বাটে এবং ডিম্বাকৃতির, ১৫-৩০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হয়।🌿
- ফুল: ছোট ছোট ফুল যা মঞ্জুরিতে ধরে।🌸
- ফল: রসালো এবং সুস্বাদু ফল, যা গ্রীষ্মকালে পাকে।🥭😋
- কাণ্ড: শক্ত এবং বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট।🌳
- মূল: মাটির গভীরে প্রবেশ করে।🌱
গুরুত্ব 🌟
আম গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি কেবল ফল দেয় না, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও সাহায্য করে:
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: আমের ফল বিক্রি করে অনেকে জীবিকা নির্বাহ করে।💰
- পরিবেশগত গুরুত্ব: এটি ছায়া দেয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখে। 🌍
- সাংস্কৃতিক গুরুত্ব: আম বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। 🇧🇩
বিভিন্ন প্রকার আম 🥭🥭🥭
বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকার আম পাওয়া যায়, যেমন:
| আমের নাম | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| হিমসাগর | মিষ্টি ও সুগন্ধযুক্ত |
| ল্যাংড়া | আঁশবিহীন ও রসালো |
| ফজলি | বড় আকারের এবং মিষ্টি |
| গোপালভোগ | frühe Sorte und sehr lecker |
আশা করি, এই আলোচনা থেকে Mangifera indica সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন।😊
ফল হোক মিষ্টি 😋, জীবন হোক সুন্দর 🥰।
Option A Explanation:
- Mangifera indica (আবোকাডো): এটি ফলের গাছে মজ্জা বা মূলের অংশে বিভিন্ন রোগের কারণে গহ্বর সৃষ্টি হতে পারে।
- মূল রোগের কারণ: কিছু প্যাথোজেন বা ভাইরাসের সংক্রমণে গাছের মূল বা মজ্জা দুর্বল হয়ে যায়।
- গহ্বরের সৃষ্টি: এই রোগের ফলে মূলের মধ্যে ক্ষয় বা ক্ষত সৃষ্টি হয়, যা গহ্বর বা খাঁজের রূপ নিতে পারে।
- প্রভাব: এই গহ্বরের কারণে গাছের পুষ্টি পরিবহন ব্যাহত হয়, ফলের বৃদ্ধি ও মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- প্রতিরোধ: নিয়মিত পরিচর্যা, সুস্থ চারা ব্যবহার ও রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- বৈশিষ্ট্য: Tectona grandis, সাধারণত টেকনো বা teak নামে পরিচিত, একটি দামী ও উচ্চমানের কাঠের গাছ।
- মূলের বৈশিষ্ট্য: এটি সাধারণত মূলের গোড়ায় শিং আকৃতির বা থ্যাবড়া মূলের জন্য পরিচিত নয়। তবে, এটি মূলের সংরক্ষণ বা সুরক্ষার জন্য শক্তিশালী ও গভীর মূল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- অবস্থান ও পরিবেশ: এটি মূলত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে বেড়ে উঠে, যেমন ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ইত্যাদি দেশে পাওয়া যায়।
- উদ্ভিদ প্রকার: এটি একটি অর্কিড বা শঙ্কুবৎ গাছ নয়। এটি একটি উচ্চমানের কাঠের গাছ, যা সাধারণত চাষ করা হয়।
- উপসংহার: শিং আকৃতির মূলের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত নয়, তবে তার মূলের গঠন ও পরিবেশের বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে, এটি কাঠের গাছ হিসেবে জনপ্রিয়।
Option C Explanation:
Dipterocarpus turbinatus
- প্রজাতি: Dipterocarpus turbinatus
- পরিবার: Dipterocarpaceae
- প্রকার: মরুজ উদ্ভিদ (Deciduous tree)
- অবস্থান: মূলত দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উষ্ণ ও আর্দ্র অঞ্চলে পাওয়া যায়
- বিশেষ বৈশিষ্ট্য: বৃহৎ আকারের ঝোপঝাড়, মোটা ডালপালা ও পত্রপত্রিকা, কাঠের জন্য পরিচিত
- ব্যবহার: কাঠের জন্য চাষ হয়, যা নির্মাণ, আসবাবপত্র ও অন্যান্য কাঠের সামগ্রীতে ব্যবহৃত হয়
Option D Explanation:
- বৈশিষ্ট্য: Ficus benghalensis, সাধারণত বটগাছ বা অশ্বত্থ নামে পরিচিত, এটি একটি বৃহৎ বৃক্ষ যা মূলত উপমহাদেশে পাওয়া যায়।
- প্রজাতি: এটি Ficus genus এর অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রজাতি অন্তর্ভুক্ত।
- অবস্থান: এটি প্রধানত বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়।
- উদ্ভিদ প্রকার: এটি একটি বৃক্ষ, যা দীর্ঘজীবী এবং বৃহৎ ছাল ও ছত্রাকযুক্ত বৃক্ষ।
- উপযোগিতা: এর শাখা-প্রশাখা ও পাতা পরিবেশের জন্য উপকারী, এছাড়াও এর গুঁড়ি ও পাতার ঔষধি ব্যবহার রয়েছে।