কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
A. ১৮
B. ২১
C. ২৩
D. ২৫
সঠিক উত্তরঃ
B.
২১
Explanation:
Ans: B
Related Questions (Any University/Year)
- নিশান নামের ছেলেটির সম্ভাবনাময় জীবন আজ মাদকের নীল ছোবলে বিধ্বস্ত। নিশানের স্বপ্ন ছিল একদিন সে চিত্রশিল্পী হয়ে উঠবে। অথচ রংতুলির বদলে আজ তার আঙুলের ফাঁকে সিগারেট। এতদিনের স্বপ্নের ভুবন দুঃস্বপ্নের কালো ছায়ার অতল গহ্বরে বিলীন।উদ্দীপকে নিশান চরিত্রের যে চিত্রায়ণ তা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কীভাবে বর্ণিত? আলোচনা করো।
- 'বিপদের মুখে এ বয়স অগ্রণী'- ব্যাখ্যা করো।
- আমরা করি ভুলঅগাধ জলে ঝাঁপ দিয়েযুঝিয়ে পাই কূল ।যেখানে ডাক পড়েজীবন মরণ ঝড়েআমরা প্রস্তুত।উদ্দীপকের সঙ্গে অধিকতর সাদৃশ্যপূর্ণ চরণ হলো-ক্ষত-বিক্ষত হয় সহস্র প্রাণ আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদাবিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকিনিচের কোনটি সঠিক?
- "আঠারো বছর বয়স" কবিতা কোন ছন্দে রচিত?
- 'আপদ আছে, জানি আঘাত আছেতাই জেনে তো বক্ষে পরান নাচে।'উদ্দীপকটির আঠারো বছর বয়স' কবিতার নিচেরকোন চরণের সাথে মিল রয়েছে?
- 'আকাল' সুকান্ত ভট্টাচার্যের কী ধরনের রচনা?
- ‘এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'– বলতে বোঝানোহয়েছে—
- 'তাই তারা ছোটে' 'কেন?
- "প্রাণ দেওয়া-নেওয়া ঝুলিটা থাকে না শূন্য'- ব্যাখ্যা করো।
- কোন বাগধারাটি মন্দভাগ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়?
- 'আঠারো বছর বয়স'- কবির এই চরণটি যাদের জন্য প্রযোজ্য- জমিলা-ঢেঙাবুড়ো আক্কাস-জমিলা কালু-মতিনিচের কোনটি সঠিক?
- ‘আঠারো বছর বয়স' কবিতায় 'স্পর্ধায় নেয় মাথাতোলবার ঝুঁকি।'- চরণটিতে প্রকাশ পেয়েছেতরুণদের—
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটির স্তবক সংখ্যা হলো :
- 'যে যাবে না সে থাকুক, চলো আমরা এগিয়ে যাই,যে সত্য জেনেছি পুড়ে, রক্ত দিয়ে, যে মন্ত্র শিখেছি,আজ সেই মন্ত্রের সপক্ষে নেব দীপ্র হাতিয়ার।শ্লোগানে কাঁপুক বিশ্ব, চলো আমরা এগিয়ে যাই।প্রথমে পোড়াই চলো অন্তর্গত ভীরুতার পাপ,বাড়তি মেদের মতো বিশ্বাসের দ্বিধা ও জড়তা।''তারুণ্য শক্তিই পারে আগামী জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে।'- উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ঋতু প্রিয়জনের মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন। জীবন-জগতের কোনো সৌন্দর্য তাকে আকৃষ্ট করে না। যে চাঁদের আলো দেখে একসময় তার মনে আনন্দে ভরে উঠত, সেই আলো এখন তার কাছে আঁধারের অধিক।ঋতুর মন 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কোন প্রতীককে ধারণ করেছে?
- নিশান নামের ছেলেটির সম্ভাবনাময় জীবন আজ মাদকের নীল ছোবলে বিধ্বস্ত। নিশানের স্বপ্ন ছিল একদিন সে চিত্রশিল্পী হয়ে উঠবে। অথচ রংতুলির বদলে আজ তার আঙুলের ফাঁকে সিগারেট। এতদিনের স্বপ্নের ভুবন দুঃস্বপ্নের কালো ছায়ার অতল গহ্বরে বিলীন।"আঠারো বছর বয়স কবিতায় প্রাণশক্তির যে উদবোধন কবি প্রত্যাশা করেছেন তা উদ্দীপকে রূপায়িত নিশান চরিত্রের মাঝে অনুপস্থিত।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- "এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে "এ বাক্যে 'আঠারো' কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'- সপ্রসঙ্গ পঙ্ক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
- 'এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়'-নিচের কোন চরণের সাথে উদ্দীপকের ভাবগত মিলরয়েছে?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
- 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'-পরের চরণ কোনটি?
- ফ্যাসিবাদবিরোধী কাব্যগ্রন্থ 'আকাল' সম্পাদনা করেন কে?
- শব বহন করিয়া যখন সে যায় শ্মশানঘাটে, গোরস্তানে, অনাহারে থাকিয়া যখন সে অন্ন পরিবেশন করে দুর্ভিক্ষ বন্যাপীড়িতদের মুখে, বন্ধুহীন রোগীর শয্যা পাশে যখন সে রাত্রির পর রাত্রি জাগিয়া পরিচর্যা করে, যখন সে পথে পথে গান গাহিয়া ভিখারি সাজিয়া দুর্দশাগ্রস্তদের জন্য। ভিক্ষা করে, যখন দুর্বলের পাশে বল হইয়া, দাঁড়ায়, এই ধর্ম যাহাদের তাহারাই তরুণ।উদ্দীপকের বিষয়বস্তুকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন ভাবের সাথে তুলনা করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
- নিচের কোন চরণে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতারকবির মতে ইতিবাচক বক্তব্যের প্রকাশ ঘটেছে?
- মথুরাপুর গ্রামের তরুণ সমাজ একত্র হয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিনা মূল্যে দুস্থদের চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি। এর ফলে একদিকে যেমন মানুষকে মরতে হচ্ছেনা চিকিৎসা ও রক্তের অভাবে, অন্যদিকে এলাকার বেকার ও অলস জীবনযাপনকারী ছেলেমেয়েদের জীবন বদলে গেছে। সেবার মহান ব্রত নিয়ে গোটা সমাজটাকে পালটে ফেলার চেষ্টা করছে তারা। আর তরুণ প্রজন্মের এমন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরে এসেছে এলাকাবাসীর মধ্যে।উদ্দীপকের তরুণদের কার্যক্রমের মাঝে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।
- ’আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- তরুণ নামের জয়-মুকুট শুধু তাহারই, যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যাহ্নের মার্তণ্ড প্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, বিরাট যাহার ঔদার্য, অফুরন্ত যাহার প্রাণ, অটল যাহার সাধনা,মৃত্যু যাহার মুঠিতলে।উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
- 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- 'এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'-কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে কবি আঠারোর প্রত্যাশা করেছেন?
- 'দুর্যোগে হাল ঠিকমতাে রাখা ভার’- কোন কবিতার পঙক্তি?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
- আঠারো বছর বয়স দুঃসহ কেন?
- কবি কেন এ দেশের বুকে আঠারো বছর বয়সিদের নামিয়ে আনতে চান?
- দুরন্ত পথিক দুর্বার তারুণ্যের প্রতীক। সে বিপ্লবের অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত মুক্তি সৈনিক। মৃত্যুভয়কে তুচ্ছ করে সে দুর্গম পথে এগিয়ে চলে। তার শক্তি অবিনশ্বর। পথ চলতে সে কখনো থেমে যায় না। তার চেতনা দুর্বারকে জয় করে।উদ্দীপক এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার চেতনা সর্বজন কর্তৃক অনুকরণীয়- বিশ্লেষণ কর।
- ব্যাখ্যা করো: 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা।'
- পাড়ার সকলের প্রিয় পন্টু। অদ্ভুত তার চরিত্র। এখনই কারো গাছের ফল চুরি করে খেলো, তো পরক্ষণেই শীতার্তকে নিজের গায়ের জামা খুলে দিয়ে দিলো। কখনো গৃহস্থের গরুর গলার রশি খুলে দিয়ে মজা করছে, কখনো মহিলাদের আড্ডায় রাবারের সাপ ছেড়ে দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে, কখনো পথচারীর গায়ে সাইকেল তুলে দিয়ে খিলখিল করে হাসছে। সেই পন্টুই আবার প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা করা ডাকাত দলকে একাই রুখে দিতে লড়াই করছে। কারো বাচ্চাটাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কারো অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতালে নিতে হবে, কোনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার বিয়ের সব ব্যবস্থাপনা করে দিতে হবে, কারো অন্ন-বস্ত্রের সংস্থান করতে হবে-এ সবে পল্টই সর্বাগ্রে।পল্টুর পরোপকারের বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটির ইঙ্গিতবাহী? বুঝিয়ে দাও।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?