এলিফ্যান্টিয়াসিস বা গোদ রোগের জন্য দায়ী কোনটি?
সঠিক উত্তরঃ
C.
Wuchereria bancrofti
Another Explanation (5): এলিফ্যান্টিয়াসিস বা গোদ রোগের জন্য দায়ী মূলত যে পরজীবীটি এই রোগের কারণ হয়, তা হলো Wuchereria bancrofti। এটি একটি পরজীবী স্তন্যপায়ী পরজীবী, যা সাধারণত সূঁচ বা মাছের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে। এই পরজীবীর প্রজননকালে তার লার্ভা বা ওয়ুকারেরিয়া লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের মধ্যে বৃদ্ধি পায় এবং ফলে লিম্ফের প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। এর ফলস্বরূপ, শরীরে অস্বাভাবিক ফুলে বা সোয়েলিং দেখা যায়, যা সাধারণত পা, অণ্ডকোষ বা অঙ্গের অন্যান্য অংশে হয়।
উপসংহারে, এলিফ্যান্টিয়াসিস বা গোদ রোগের জন্য দায়ী মূল কারণ হলো:
- Wuchereria bancrofti (একটি ফিলারিয়াল পরজীবী)
Option A Explanation:
- নাম: Entamoeba histolytica
- প্রকার: এককোষী পরজীবী (প্রোটোজোয়া)
- উৎপত্তি ও সংক্রমণ: মানবদেহে পেটের লিভার, আন্ত্র, ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সংক্রমিত করে
- বৈশিষ্ট্য: এই পরজীবী আন্ত্রের ক্ষত সৃষ্টি করে এবং অন্ত্রের সংক্রমণ ঘটায়, যা "অ্যামেবিয়াসিস" নামে পরিচিত
- প্রভাব: ডায়েরিয়া, পেটব্যথা, এবং কখনো কখনো গুরুতর অন্ত্রের ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে
- প্রজনন ও জীবনচক্র: আক্রমণকারী অঙ্গের মধ্যে জীবন্ত অবস্থায় থাকতে পারে, এবং অস্থিরভাবে ছ??়িয়ে পড়ে
Option B Explanation:
- প্রকার: প্লাজমোডিয়াম জীবাণুর একটি প্রকার, যা মালেরিয়া (অ্যাকিউট বা ক্রনিক) রোগের কারণ।
- উদ্ভবস্থান: সাধারণত উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া যায়, যেখানে জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয় বেশি থাকে।
- লক্ষণ:
- অল্প সময়ের জন্য জ্বর আসে, যা পুনরাবৃত্তি হয়।
- জ্বরের সময় কাঁপুনি হয়, যা সাধারণত ১-২ ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
- শরীরের অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
- অন্য লক্ষণগুলোতে মাথাব্যথা, ঠান্ডা লাগা, পেশী ব্যথা থাকতে পারে।
- প্রজনন ও সংক্রমণ: প্যাথোজেনটি রক্তে প্রবেশ করে, এবং আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে অন্যান্য মানুষের মধ্যে ছড়ায়।
- চিকিৎসা: সাধারণত অ্যান্টিম্যালেরিয়াল ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয়।
Option C Explanation:
- Wuchereria bancrofti হল এক প্রকার পরজীবী, যা ফিলারিয়ালিয়াসিসের কারণ হয়ে থাকে।
- এটি মূলত মানুষের লিম্ফাটিক সিস্টেমে বাস করে এবং লিম্ফা প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।
- এটি মূলত মশার মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমে বৃদ্ধি পায়।
- অন্তর্বর্তী হোস্ট হিসেবে সাধারণত Anopheles বা Culex প্রজাতির মশা কাজ করে।
- প্রধান উপসর্গের মধ্যে ফোলা, অস্বস্তি এবং লিম্ফেডেমা দেখা যায়, যা সাধারণত পায়ে বা অন্যান্য অংশে হয়ে থাকে।
- এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী পরজীবী, যা মানবদেহে দীর্ঘ সময় বাস করতে পারে এবং সুস্থ জীবনে সমস্যার সৃষ্টি করে।
Option D Explanation:
- অ্যাস্কারিস লম্ব্রিকোয়িডস (Ascaris lumbricoides): এটি হলো একটি প্যারাসাইটিক পরজীবী, যা মানবদেহে বাস করে।
- প্রকার: এটি একটি গ্রসিলি বা গোলাকার পরজীবী, যা সরাসরি মানবদেহে বাস করে।
- সংক্রমণের মাধ্যম: সাধারণত খাবার বা পানির মাধ্যমে, যেখানে পরজীবীর অঙ্কুরিত ছিটা বা ডিম উপস্থিত থাকে।
- প্রভাব: এটি পরিপাকতন্ত্রে বাস করে এবং পেটের সমস্যা, আলসার, অপুষ্টি, বা অন্যান্য পেটের সংক্রান্ত জটিলতা ??ৃষ্টি করতে পারে।
- উপসর্গ: পেট ব্যথা, বমি, ডায়েরিয়া, বা অজান্তে পরজীবীর ডিম বা কঙ্কাল পরিপাকতন্ত্রে উপস্থিতি দেখা যায়।