'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?-
A.
স্বরবৃত্ত
B.
মাত্রাবৃত্ত
C.
অক্ষরবৃত্ত
D.
অমিত্রাক্ষর
সঠিক উত্তরঃ
B.
মাত্রাবৃত্ত
Explanation:
Related Questions (Any University/Year)
- তরুণ নামের জয়মুকুট শুধু তাহারই-যাহার শক্তি অপরিমাণ, গতিবেগ ঝঞ্ঝার ন্যায়, তেজ নির্মেঘ আষাঢ় মধ্যরে মার্তণ্ডপ্রায়, বিপুল যাহার আশা, ক্লান্তিহীন যাহার উৎসাহ, অটল যাহার সাধনা, মৃত্যু যাহার মুঠিতলে। তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদায়ী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং ছড়াইতে ছড়াইতে তাহার অন্ত। যৌবন-সূর্য যেথায় অস্তমিত, দুঃখের তিমির-কুন্তলা নিশীথিনীর সেই তো লীলাভূমি।উদ্দীপকের বক্তব্যের সঙ্গে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ্য নির্দেশ করো।
- আঠারো বছর বয়স কীসে বাঁচে?
- 'এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় – উপযুক্তউদ্দীপকের সাথে নিচের কোন চরণের ভাব সাদৃশ্যপূর্ণ?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাক-হানাদার বাহিনী নির্বিচারে অগণিত বাঙালিকে হত্যা করে। দেশে এমন অরাজকতা দেখে তরুণ যুবক রফিক আর চুপ থাকতে পারে না। অপরিসীম সাহস নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সে নিজেকে উৎসর্গ করে।"আত্মত্যাগ ও মানব কল্যাণ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য মূল্যায়ন করো।
- কবি কেন যৌবনশক্তির জয়গান করেছেন?
- 'আঠারো বছর বয়স মাথা নোয়াবার নয়'- কেন?
- 'আঠারো বছর বয়স 'কবিতায় পদবিন্যাস কেমন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- "যা চিরস্থায়ী নয়"-
- সূর্যকে হৃৎপিন্ডে ধরে রাখার অর্থ হলো-মুক্তির অনিবার্যতা সর্বশক্তিকে ধারণ সামর্থ্য অর্জন নিচের কোনটি সঠিক?
- আঠারো বছর বয়স' কবিতায় আঠারো বছর বয়স শব্দবন্ধটি কতবার ব্যবহৃত হয়েছে?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করে বলেছেন, 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং হুড়াইতে ছড়াইতে আহার অন্ত'। কারণ, তাঁর কাছে যৌবন হলো অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। ??ুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক। যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে। সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে। উদ্দীপকের তারুণ্যের বৈশিষ্ট্যের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আঠারো বছর বয়সি তরুণদের কতটুক সাদৃশ্য লক্ষ করার মতো তা আলোচনা করো।
- সুকান্ত ভট্টাচার্য সম্পাদিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- ‘আমাদের তরুণরাই দেশ ও জাতির চালিকাশক্তিহয়ে দাঁড়াক।'- এ প্রত্যাশার প্রতিফলন 'আঠারোবছর বয়স' কবিতার কোন চরণটিতে ঘটেছে?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটির স্তবক সংখ্যা হলো :
- এক সময়ে শহরের পাড়ায় পাড়ায় ছিল মাঠ। খেলাধুলা আর হাসি-আনন্দে কেটে যেত পলাশ ও কাজলের শৈশব কৈশোরের দূরন্ত দিনগুলো। লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের সুযোগ ছিল বরে তারা অসৎ সঙ্গে পড়ে বিপথে, যাননি। আজ বৃদ্ধ বয়সেও তাদের বন্ধুত্ব অটুট। একসঙ্গে প্রাতভ্রমণের সময়ে বিশ্রাম নেওয়া এবং খবরের কাগজ পড়া তাদের নিত্যদিনের অভ্যাস। একদিন 'খবরের একটি শিরোনামে দুজনারই চোখ আটকে যায়- 'কিশোর গ্যাঙের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ নগরবাসী।'"উদ্দীপকটি কি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের প্রতিচ্ছবি?"- তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।
- দেশ ও জাতির কল্যাণে তারুণ্যশক্তি এগিয়ে যায় কেন?
- আঠার বছর বয়স বাঁচে-
- আঠার বছর বয়স কীসে বাঁচে?
- আঠারো বছর বয়সে অহরহ উঁকি দেয়?
- কবি কাজী নজরুল ইসলাম দুরন্ত দুর্বার যৌবনের প্রশস্তি উচ্চারণ করে বলেছেন, 'তরুণ অরুণের মতোই যে তারুণ্য তিমির-বিদারী, সে যে আলোর দেবতা। রঙের খেলা খেলিতে খেলিতে তাহার উদয়, রং হুড়াইতে ছড়াইতে আহার অন্ত'। কারণ, তাঁর কাছে যৌবন হলো অফুরন্ত প্রাণশক্তির আধার। তা মানুষের জীবনকে করে গতিশীল ও প্রত্যাশাময়। দুর্বার উদ্দীপনা, ক্লান্তিহীন উদ্যম, অপরিসীম ঔদার্য, অফুরন্ত প্রাণচঞ্চলতা ও অটল সাধনার প্রতীক। যৌবন মৃত্যুকে তুচ্ছ করে। সংস্কারের বেড়াজাল ছিন্নভিন্ন করে সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ওম ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে। আর বিপন্ন মানবতার পাশে সে দাঁড়ায় সেবাব্রতী ভূমিকা নিয়ে। 'সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ-প্রগতি ও নতুন স্বপ্নময় মুক্তজীবনের পথে' উদ্দীপকের এই উক্তির আলোকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ করো।
- আঠারো বছর বয়সে কি উঁকি দেয়?
- 'আপদ আছে, জানি আঘাত আছেতাই জেনে তো বক্ষে পরান নাচে।'উদ্দীপকটির আঠারো বছর বয়স' কবিতার নিচেরকোন চরণের সাথে মিল রয়েছে?
- কলেজে ওঠার পর রাতুল ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, রাত জেগে স্মার্ট ফোন নিয়ে বসে থাকে। বাবা-মায়ের সঙ্গেও বাজে আচরণ করে। অবশেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় রাতুল কিছু বাজে বন্ধুর পাল্লায় পড়েছে। রাতুল বুঝতে পারছে সে যা করছে ভুল করছে, কিন্তু এসব থেকে বেরিয়েও আসতে পারছে না।'অসৎ বন্ধুর পাল্লায় পড়ে তরুণরা ভুল পথে পা বাড়াতে পারে" উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে তোমার মতামত দাও।
- 'তাই তারা ছোটে' 'কেন?
- নবীন জগৎ সন্ধানে যারা ছুটে মেরু-অভিযানে,পক্ষ বাঁধিয়া উড়িয়া চলেছে যাহারা ঊর্ধ্বপানে।উদ্দীপকটিতে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতারতারুণ্যের যে দিকটি প্রকাশিত হয়েছে—তারুণ্যের আবেগতারুণ্যের দুর্নিবার রূপতারুণ্যের আত্মোৎসর্গকারী রূপনিচের কোনটি সঠিক?
- 'এ বয়সে কানে আসে কত মন্ত্রণা'- ব্যাখ্যা কর।
- আঠারো বছর বয়সে অহরহ কী উঁকি দেয়?
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কোন পত্রিকার 'কিশোরসভা' অংশের সম্পাদক ছিলেন?
- 'ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?- প্রলয় নূতন সৃজন-বেদন!আসছে নবীন-জীবন-হারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন!তাই সে এমন কেশে বেশেপ্রলয় বয়েও আসছে হেসে-মধুর হেসে!ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর!'"ভেঙে আবার গড়তে জানে সে চির-সুন্দর!'- এ চরণে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।" তুমি কী মনে করো? বিশ্লেষণ করো।
- 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- তারুণ্য হলো মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ বয়সে অনেক তিক্ত-মধুর অভিজ্ঞতা থাকে। পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য ছোটা, অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করা; আবার যেকোনো অসৎ সঙ্গে নষ্ট হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা। এসকল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একজন তরুণকে পথ চলতে হয়। অর্থাৎ একজন তরুণকে বন্ধুর পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়।" 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উদ্দীপকের বিষয়গত ভাবের ইঙ্গিত আছে।"- যুক্তিসহ মূল্যায়ন করো।
- " আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা" -কারণ এই বয়সে মানুষ
- 'আঠারো বছর বয়স' পথে-প্রান্তরে বহু কী ছোটায়?
- আঠারো বছর বয়স বেদনায় থরো থরো কাঁপে কেন?
- কিশোর তোমার দুই হাতে দুইসূর্য উঠেছে জেগে।মানুষের হাতে অবাক সূর্যোদয়,যায় পুড়ে যায় মর্ত্যের অমানিশাশঙ্কার সংশয়।"উদ্দীপকের 'শঙ্কার সংশয়' যদি নেতিবাচক হতো তাহলে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কবির আশঙ্কাও উন্মোচিত হতো।"-মন্তব্যটির যৌক্তিকতা বিচার করো।
- নিশান নামের ছেলেটির সম্ভাবনাময় জীবন আজ মাদকের নীল ছোবলে বিধ্বস্ত। নিশানের স্বপ্ন ছিল একদিন সে চিত্রশিল্পী হয়ে উঠবে। অথচ রংতুলির বদলে আজ তার আঙুলের ফাঁকে সিগারেট। এতদিনের স্বপ্নের ভুবন দুঃস্বপ্নের কালো ছায়ার অতল গহ্বরে বিলীন।"আঠারো বছর বয়স কবিতায় প্রাণশক্তির যে উদবোধন কবি প্রত্যাশা করেছেন তা উদ্দীপকে রূপায়িত নিশান চরিত্রের মাঝে অনুপস্থিত।"- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
- 'এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য'- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নির্বিচারে বাঙালিকে হত্যা করে। দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিকালে তরুণ যুবক রহিম আর চুপ থাকতে পারে না। অপরিসীম সাহস নিয়ে সে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশ ও দশের কল্যাণে সে নিজেকে উপসর্গ করে।'সকল বাধা অতিক্রম করে আত্মত্যাগ ও মানব-কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করা আঠারো বছর বয়সের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য।' উদ্দীপক ও কবিতার আলোকে উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।