কোন ভাইরাসে DNA থাকে ?
সঠিক উত্তরঃ
C.
T2
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরটি সঠিক নয়। কারণ, বিষয়ভিত্তিকভাবে দেখা হলে, টিভি ভাইরাসের মধ্যে DNA থাকে। নিচে যথাযথ ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- টিবি ভাইরাস (T2 bacteriophage): এই ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান DNA দ্বারা গঠিত। এটি একটি ব্যাকটেরিওফেজ যা ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে।
- অন্য ভাইরাসগুলো: কিছু ভাইরাসের মধ্যে RNA থাকে, যেমন ইবোলা ভাইরাস বা করোনাভাইরাস।
Option A Explanation:
HIV (Human Immunodeficiency Virus) সম্পর্কিত তথ্য
- প্রকার: ভাইরাস
- প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি ইমার্জিং ভাইরাসের মধ্যে অন্যতম, যা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।
- সংক্রমণের মাধ্যম: মূলত রক্ত, যৌন সংস্পর্শ, ও মা থেকে সন্তানকে।
- প্রভাব: এটি শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা ধ্বংস করে, ফলে অন্যান্য সংক্রমণ ও রোগের জন্য ঝুঁকি বাড়ে।
- উপসর্গ: সাধারণত প্রথমে উপসর্গ দেখা যায় না, তবে পরে ক্লান্তি, ওজন কমে, জ্বর, ক্ষত ইত্যাদি হতে পারে।
- উপশম ও প্রতিকার: এই ভাইরাসের জন্য এখনো কোন সম্পূর্ণ নিরাময় নেই, তবে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল ওষুধ দিয়ে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
Option B Explanation:
- TMV (Tobacco Mosaic Virus): এটি একটি ক্ষুদ্র ভাইরাস যা টোবাকো গাছের পাতা ও শাখায় মোজাইক ধরণের দাগ সৃষ্টি করে।
- রাসায়নিক গঠনে: TMV একটি ভাইরাস যা এক ধরনের RNA ধারণ করে, তবে এটি DNA ধারণ করে না।
- উৎপত্তি ও প্রভাব: এটি প্রথম আবিষ্কৃত ভাইরাসগুলোর মধ্যে একটি এবং উদ্ভিদ রোগের জন্য দায়ী।
- সংক্রমণের পদ্ধতি: মূলত সংস্পর্শের মাধ্যমে এটি উদ্ভিদে ছড়িয়ে পড়ে।
Option C Explanation:
- টিউবারোভাইরাস (T2): এটি একটি ডেঙি ভাইরাস (dengue virus) যা ডেঙ্গু রোগের জন্য দায়ী।
- জেনোম: টিউবারোভাইরাসের জেনোম ডিএনএ ভিত্তিক নয়; বরং এটি এক ধরনের র্যাবোভাইরাস, যার জেনোম আরএনএ।
- প্রকার: এটি র্যাবোভাইরাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং মূলত মানবদেহে ডেঙ্গু জ্বরের কারণ হয়ে থাকে।
- উপসংহার: সুতরাং, টিউবারোভাইরাসের জেনোম ডিএনএ নয়; এটি আরএনএ ভিত্তিক ভাইরাস।
Option D Explanation:
- প্রাথমিক পরিচিতি: PRSV (Papaya Ringspot Virus) হলো একটি ভাইরাস যা সাধারণত পেপে গাছে আঘাত করে।
- প্রভাব: এটি পেপের রিং স্পট রোগের জন্য দায়ী, যা ফলের উপর রিং বা দাগ সৃষ্টি করে এবং গাছের বৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত করে।
- সংক্রমণের পথ: প্রধানত ভাইরাসটি আক্রান্ত সেচ ও পাতা থেকে ছড়ায়, এবং এটি মূলত ভাইরাস সংক্রমিত প্রজনন মাধ্যমে ছড়ায়।
- প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ: ভাইরাসটিতে আক্রান্ত গাছে কাটা ঝোপ বা ছাঁটাই করা, ভাইরাস মুক্ত রোপণ, এবং কীটনাশক ব্যবহার করে পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করে এই রোগ প্রতিরোধ সম্ভব।
- বিশেষ লক্ষ্য: ভাইরাসটি সাধারণত পেপে গাছে বেশি দেখা যায়, তবে কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য সবজি ও ফলের গাছে এর উপস্থিতি দেখা যায়।