গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমনকারী শীর্ষস্থানীয় দেশ দু'টি হচ্ছে--
DUUnit-Dসাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকপৃথিবী পরিচিতিগ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
B.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
Explanation:

Another Explanation (5):
গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে শীর্ষ দেশসমূহ 🌍🔥
গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ। এই গ্যাসগুলোর মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) উল্লেখযোগ্য। নিচে শীর্ষস্থানীয় দুটি দেশ এবং তাদের নিঃসরণের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হলো:
শীর্ষস্থানীয় দেশ দু'টি 🏆
- চীন 🇨🇳: বিশ্বের বৃহত্তম গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনকারী দেশ। চীনের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর নির্ভরশীলতা এর প্রধান কারণ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 🇺🇸: ঐতিহাসিকভাবে অন্যতম বৃহৎ নির্গমনকারী দেশ। যদিও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ছে, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এখনও উল্লেখযোগ্য।
নির্গমনের তুলনামূলক চিত্র (২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী) 📊
| দেশ | মোট নির্গমন (মিলিয়ন টন CO2 সমতুল্য) | মাথাপিছু নির্গমন (টন CO2 সমতুল্য) | প্রধান নির্গমন খাত 🏭 |
|---|---|---|---|
| চীন | ১১,০০০+ 📈 | ~৮ ⬆️ | বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প, পরিবহন 🚚 |
| মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র | ৪,৫০০+ 📉 | ~১৩ ⬇️ | পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প 🏭 |
নির্গমনের কারণসমূহ 🔍
- শিল্পোৎপাদন 🏭: সিমেন্ট, ইস্পাত, রাসায়নিক দ্রব্য ইত্যাদি উৎপাদনের সময় প্রচুর গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন ⚡: কয়লা, তেল ও গ্যাস পোড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হয়।
- পরিবহন 🚗: যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া গ্রিনহাউস গ্যাসের অন্যতম উৎস।
- কৃষি 🌾: সার ব্যবহার এবং গবাদি পশু পালন থেকে মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড নির্গত হয়।
- বনভূমি ধ্বংস 🌳🔥: বনভূমি উজাড় করার ফলে গাছপালা কার্বন ধরে রাখতে পারে না, যা বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব 🌡️🌊
গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ফলে:
- বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে ☀️।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে 🌊।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের (যেমন: বন্যা 🌧️, খরা 🏜️, ঘূর্ণিঝড় 🌪️) তীব্রতা বাড়ছে।
- কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে 🌾⬇️।
- জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে 🐅🦋🐞.
করণীয় 🤝
গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে:
- নবায়নযোগ্য জ্বালানির (যেমন: সৌরশক্তি 🔆, বায়ুশক্তি 🌬️) ব্যবহার বৃদ্ধি করা।
- জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো।
- বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহার করা।
- পরিবহনে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহার করা 🚈🚌।
- বনভূমি সংরক্ষণ এবং নতুন গাছ লাগানো 🌲🌳।
- কৃষিতে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি ব্যবহার করা 🌿.
- কার্বন ক্যাপচার এবং স্টোরেজ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো ⚙️.
আসুন, আমরা সবাই মিলে আমাদের পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখি 💚.