পরাগরেণু- নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তরঃ
D.
i, ii ও iii
Explanation:

Another Explanation (5): ```html
পরাগরেণু: একটি বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা 🔬
পরাগরেণু উদ্ভিদের জননকোষ, যা ফুলের পরাগধানীতে উৎপন্ন হয়। পরাগরেণু উদ্ভিদের বংশবিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে পরাগরেণু সম্পর্কে কিছু তথ্য আলোচনা করা হলো:
পরাগরেণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- আকৃতি: পরাগরেণু সাধারণত গোলাকার 🟢 অথবা ডিম্বাকার 🥚 হয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন উদ্ভিদে এর আকার ভিন্ন হতে পারে।
- ক্রোমোজোম সংখ্যা: পরাগরেণু হ্যাপ্লয়েড (n) সংখ্যক ক্রোমোজোম বহন করে। অর্থাৎ, এতে জনন মাতৃকোষের অর্ধেক সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 🧬
- প্রাচীর: পরাগরেণুর প্রাচীর সেলুলোজ 🌳 দ্বারা নির্মিত। এই প্রাচীর পরাগরেণুকে প্রতিকূল পরিবেশ থেকে রক্ষা করে।
পরাগরেণুর গঠন:
| অংশ | বর্ণনা |
|---|---|
| বহিঃত্বক (Exine) | এটি স্পোরোপোলেনিন নামক কঠিন পলিমার দ্বারা গঠিত, যা পরাগরেণুকে জীবাণুনাশক এবং অন্যান্য ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। 💪 |
| অন্তঃত্বক (Intine) | এটি সেলুলোজ এবং পেকটিন দ্বারা গঠিত একটি পাতলা স্তর। 🌱 |
| জনন রন্ধ্র (Germ pore) | পরাগনালিকা নির্গমনের জন্য বহিঃত্বকে এক বা একাধিক রন্ধ্র থাকে। 🚪 |
পরাগরেণুর প্রকারভেদ (আকৃতির ভিত্তিতে):
- গোলাকার পরাগরেণু: ⚪ কুমড়া, শিম ইত্যাদি উদ্ভিদে দেখা যায়।
- ডিম্বাকার পরাগরেণু: 🥚 ধান, গম ইত্যাদি উদ্ভিদে দেখা যায়।
- বহুভুজাকার পরাগরেণু: 🔶 কিছু জলজ উদ্ভিদে এই প্রকার পরাগরেণু দেখা যায়।
গুরুত্ব:
পরাগরেণু উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয়। এটি স্ত্রী জননকোষের সাথে মিলিত হয়ে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি করে। 🌻🌼🌷 এছাড়াও, পরাগরেণু বিভিন্ন এলার্জির কারণ হতে পারে। 🤧
উপসংহার: পরাগরেণু উদ্ভিদের জনন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর গঠন, বৈশিষ্ট্য এবং প্রকারভেদ উদ্ভিদজগতের বৈচিত্র্য তুলে ধরে। 🌍
আরও কিছু তথ্য 🤔
মধু 🍯 তৈরীর জন্য মৌমাছি 🐝🐝 পরাগরেণু ব্যবহার করে।
পরাগরেণু ফসিল ⏳ হিসাবেও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি এই আলোচনাটি পরাগরেণু সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সহায়ক হবে। 👍
```Option A Explanation:
- গোলাকার ও ডিম্বাকার: এই বৈশিষ্ট্যটি পরাগরেণুর আকার ও আকারের বৈচিত্র্য নির্দেশ করে। গোলাকার বা ডিম্বাকার আকার সাধারণত পরাগরেণুর মধ্যে দেখা যায়, যা পুরুত্ব বা আকারে বিভিন্ন হতে পারে।
- হ্যাপ্লয়েড: এটি পরাগরেণুর জেনেটিক অবস্থা নির্দেশ করে, যেখানে মাত্র একক সেট ক্রোমোজোম থাকে। হ্যাপ্লয়েড পরাগরেণু সাধারণত জীববিজ্ঞানে দেখা যায় এবং প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
- মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রীয় অংশে কেন্দ্রস্থলটি অবস্থিত থাকে, যেখানে ক্রোমাটিনের শাখাগুলি সমানভাবে বিস্তৃত হয়। এর ফলে, ক্রোমোসোমের দুই প্রান্ত সমান আকারের হয়।
- টেলোসেন্ট্রিক: এই প্রকারের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রীয় অংশটি অনেক দূরে অবস্থিত থাকে, ফলে এর একটি প্রান্তের আকার বড় এবং অন্যটি ছোট হয়। এই ধরণের ক্রোমোসোম সাধারণত টেলোোমের দিকে ঝুঁকে থাকে।
Option C Explanation:
- সাব-মেটাসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমে কেন্দ্রস্থল থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করে ক্রোমাটিডের সংযোগস্থল। এর কেন্দ্রীয় অংশটি মাঝামাঝি হলেও কিছুটা পাশের দিকে থাকে।
- টেলোসেন্ট্রিক: এই ধরনের ক্রোমোসোমের কেন্দ্রস্থল বা কেন্দ্রীয় অংশটি একেবারে শেষের দিকে থাকে, অর্থাৎ ক্রোমোসোমের প্রান্তে অবস্থিত। এর ফলে এর কেন্দ্রীয় অংশটি সম্পূর্ণরূপে প্রান্তে থেকে যায়।
Option D Explanation:
- ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক থাকে: এটি দেহের স্বতঃস্ফূর্ত সংযোগের জন্য বিশেষ করে কার্ডিয়াক মায়োফাইব্রিলের মধ্যে পাওয়া যায়। এই ডিস্কগুলো ফাংশন হিসেবে এক কোষ থেকে অন্য কোষে জরুরি সংকেত বা সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- নিউক্লিয়াসটি কোষের কেন্দ্রের দিকে থাকে: এই বৈশিষ্ট্য সাধারণভাবে মায়োফাইব্রিলের জন্য প্রযোজ্য নয়; সাধারণ কোষে নিউক্লিয়াস কেন্দ্রে থাকে, কিন্তু মায়োফাইব্রিলের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের অবস্থান ভিন্ন হতে পারে।
- মায়োফাইব্রিল পরস্পরের সাথে মিলে নেট তৈরি করে: হ্যাঁ, মায়োফাইব্রিলের মাধ্যমে একসাথে কাজ করে একটি শক্তিশালী সংকেত ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা তৈরি হয়, যা পেশির সংকোচন ও রিল্যাক্সেশনের জন্য অপরিহার্য।