প্রীতিলতা-সূর্য সেন নেই তাঁরা আর
এখনই সহস্র এসে গেছে বারবার
শাজাহান আর তাঁর মহারাজ্যপাট
'অশোকের সাম্রাজ্যের যত ঠাটবাট
কিছুই নাহিকো মহাকালের গ্রাসে
নিঃশেষ সকলেই সময়ের স্রোতে
সময় পারেনি তবু নাম মুছে দিতে
মানুষের মন আজও সে নাম স্মরিছে।
নাম হয় মৃত্যুহীন যদি থাকে কর্ম
কর্ম হলো বেঁচে থাকার অক্ষয় বর্ম।
'সোনার তরী' কবিতার কৃষকের সাথে উদ্দীপকের ঐতিহাসিক চরিত্রগুলোর তুলনামূলক আলোচনা করো।
A.
B.
C.
D.
Explanation:

Related Questions (Any University/Year)
- "চারিদিকে বাঁকা জল করিছে খেলা"- চরণটির তাৎপর্য কী?
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
- 'সোনার তরী' কবিতার সোনার ধান আসলে কী?
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কার প্রতি কবির তীরবিমুখতা?
- পৃথিবীর পুরোনো পথের রেখা হয়ে যায় ক্ষয় প্রেম ধীরে মুছে যায়, নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়'। 'সোনার তরী' কবিতার সাথে উদ্দীপকের সাদৃশ্য-
- 'দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে।'- চরণটি বুঝিয়ে লেখো।
- 'সোনার তরী' কবিতার বর্ণনামতে বর্ষা কখন এল?
- আমায় নহেগো, ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান,বনের পাখিরে কে চিনে রাখে গান হলে অবসান;চাঁদেরে কে চায়, জোছনা সবাই যাচেগীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি-মাঝে।"সোনার তরী' কবিতার মূল মন্তব্য যেন 'গীত-শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে' কথাটির মধ্যে নিহিত।"-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
- ‘দক্ষিণ দুয়ার গেছে খুলি?'— চরণটিতে কী বোঝানোহয়েছে?
- মানুষ মরণশীল এ সত্য 'চিরন্তন' কিন্তু মানুষের মানুষের কর্ম অমর। কর্ম দিয়ে কালে কালে মানুষ জগতের মধ্যে চিরন্তন হয়ে আছে। শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রে অসংখ্য শিল্পী-সাহিত্যিক, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসংখ্য বিজ্ঞানী, চিন্তার ক্ষেত্রে অসংখ্য চিন্তক-দার্শনিক তাঁদের জ্ঞান- বুদ্ধি-শক্তি-শ্রম সর্বোপরি মহৎ কর্ম দিয়ে পৃথিবীকে সুন্দর করে গেছেন। শারীরিকভাবে তাঁদের দেহাবসান হলেও কর্ম টিকে আছে। প্রতিনিয়ত তাঁদের কর্মের দানে সমৃদ্ধ হচ্ছেপৃথিবীর মানুষ। কালের গহ্বরে কেবল কর্মী হারায়, কর্ম হারায় না।'সোনার তরী' কবিতার মূলভাবের কোন অংশের সাথে উদ্দীপকের বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ?- ব্যাখ্যা করো।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
- এখন আমারে লহো করুণা করে'- চরণটিতে কৃষকের কী অভিলাষ ব্যস্ত হয়েছে?
- “একখানি ছােটো খেত, আমি একেলা” এর পরের চরণ?
- 'সোনার তরী' কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
- 'আমি উপড়ি ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির মহানন্দে।'- ব্যাখ্যা করো।
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। তাঁর লেখায় ফুটে উঠেছে প্রেম ও স্নেহের বার্তা সমানভাবে। বঞ্চিত মানুষ তাঁর লেখায় খুঁজে পায় উজ্জীবনের মন্ত্র। তিনি সব ফেলে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্ম আজও মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সাহস দেয় এবং হয় প্রেরণার উৎস। বাঙালি চিরদিন তাদের এই বিদ্রোহী কবিকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।উদ্দীপকের সাথে 'সোনার তরী' কবিতার কোন বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
- এ কথা জানিতে তুমি ভারত-ঈশ্বর শা-জাহানকালস্রোতে ভেসে যায় জীবন যৌবন ধনমানশুধু তব অন্তরবেদনাচিরন্তন হয়ে থাক, সম্রাটের ছিল এ-সাধনা।হীরামুক্ত মাণিক্যের ঘটাযেন শূন্য দিগন্তের ইন্দ্রজাল ইন্দ্রধনুচ্ছটাযায় যদি লুপ্ত হয়ে যাক,শুধু থাকএক বিন্দু নয়নের জলকালের কপোলতলে শ্রভ্র সমুজ্জল এ তাজমহল।'উদ্দীপকটি 'সোনার তরী' কবিতার মূলভাব ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে।'- মন্তব্যটির আলোকে যাচাই করো।
- সোনার তরী কবিতার পংক্তিসংখ্যা -
- শিকক্ষ: বাংলাদেশের একটি নান্দনিক স্থাপত্যকর্মেরনাম বলো ।শিক্ষার্থীগণ; বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ।শিক্ষক: সংসদ ভবনের স্থপতি কে?শিক্ষার্থীগণ: জানি না স্যার।শিক্ষক: লুই আই কান। দেখো, তোমরা সৃষ্টিকে চেনো,স্রষ্টাকে নয় ।উদ্দীপকের মর্মার্থ নিচের কোন চরণে প্রকাশ পেয়েছে?
- 'সকলি দিলাম তুলে থরে বিথরে'- ব্যাখ্যা করো।