ডেঙ্গু ভাইরাস বিষয়ে কোনটি সঠিক?
MEDICALজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রঅণুজীবম্যালেরিয়া পরজীবী (Topic Practice)MEDICAL - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে IgM অ্যান্টিবডি বেশি পাওয়া যায়
Explanation: ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে IgM অ্যান্টিবডি বেশি পাওয়া যায়, যা প্রাথমিক সংক্রমণের নির্দেশক। A. এটি RNA ভাইরাস; B. এটি রাইনো ভাইরাস নয়; D. অন্যান্য এডিস মশাও ডেঙ্গু ছড়াতে পারে।
Another Explanation (5): ```html
ডেঙ্গু ভাইরাস বিষয়ে সঠিক তথ্য
ডেঙ্গু ভাইরাস সংক্রমণের সময় শরীরে বিভিন্ন ধরণের অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। এর মধ্যে IgM অ্যান্টিবডি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি সংক্রমণের প্রাথমিক পর্যায়ে বেশি পাওয়া যায়। নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলোঃ
সঠিক বিবৃতি:
আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে IgM অ্যান্টিবডি বেশি পাওয়া যায় 🧪🩸
ব্যাখ্যা:
- ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণের প্রথম কিছু দিন (প্রায় ৩-৫ দিন) মধ্যে IgM অ্যান্টিবডি তৈরি হয়।
- IgM অ্যান্টিবডি সাধারণত সংক্রমণের প্রথম পর্যায়ে উপসর্গ দেখা দেওয়ার সময় রক্তে পাওয়া যায়।
- অন্যদিকে, IgG অ্যান্টিবডি সংক্রমণের কিছু দিন পরে দেখা যায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে থাকতে পারে।
- অতএব, ডেঙ্গু শনাক্তকরণে রক্তে IgM অ্যান্টিবডির উপস্থিতি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
সংক্ষেপঃ
| অ্যান্টিবডি | উৎপত্তি সময় | সংকেত |
|---|---|---|
| IgM | প্রথম কয়েক দিন (৩-৫ দিন) | সংক্রমণের প্রথম পর্যায়ে বেশি পাওয়া যায় |
| IgG | সংক্রমণের কিছু দিন পরে | দীর্ঘ সময় পর্যন্ত থাকতে পারে |
সুতরাং, ডেঙ্গু ভাইরাসের সংক্রমণের সময় আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে IgM অ্যান্টিবডি বেশি পাওয়া যায়, যা ডেঙ্গু শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ। 😷✅
```Option A Explanation:
- ডেঙ্গু ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান: ডেঙ্গু ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান RNA, অর্থাৎ এটি একটি RNA ভাইরাস।
- DNA ভাইরাস নয়: এই ভাইরাসের জেনেটিক কোড DNA নয়, বরং RNA এর উপর ভিত্তি করে গঠিত।
- উপসংহার: তাই, ডেঙ্গু ভাইরাসের বিষয়ে বলা যায় যে, এটি DNA ভাইরাস নয়, বরং এটি একটি RNA ভাইরাস।
Option B Explanation:
- রাইনো ভাইরাসের উদাহরণ নয়: ডেঙ্গু ভাইরাসটি রাইনো ভাইরাসের পরিবারের অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি ফ্লাভিভিরিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত, যা আলাদা ভাইরাস।
- ভাইরাস শ্রেণীবিভাগ: রাইনো ভাইরাস সাধারণত সর্দি-কাশির কারণ হয় এবং এটি এক ধরনের রাইনো ভাইরাস, যা ডেঙ্গু ভাইরাসের সাথে সম্পর্কিত নয়।
- প্রকারভেদ: রাইনো ভাইরাস মূলত শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়ায়, যেখানে ডেঙ্গু ভাইরাস মূলত এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
- উপসংহার: সুতরাং, ডেঙ্গু ভাইরাস রাইনো ভাইরাসের উদাহরণ নয়।
Option C Explanation:
- IgM অ্যান্টিবডি কি? IgM হলো প্রথম ধাপে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্বারা উৎপন্ন অ্যান্টিবডি। এটি সাধারণত সংক্রমণের শুরুতে দ্রুত তৈরি হয়।
- ডেঙ্গু ভাইরাসের ক্ষেত্রে: আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে IgM অ্যান্টিবডি সাধারণত সংক্রমণের প্রারম্ভে দেখা যায় এবং এটি কিছু দিন পর্যন্ত উপস্থিত থাকে।
- নির্ণয়: ডেঙ্গু সংক্রমণের নির্ণয় করতে IgM অ্যান্টিবডির উপস্থিতি পরীক্ষা করে থাকেন। এটি সংক্রমণের প্রথম সপ্তাহে বেশি পাওয়া যায়।
- উপকারিতা: IgM অ্যান্টিবডি পরীক্ষার মাধ্যমে ডেঙ্গু সংক্রমণের ইতিহাস জানা যায়, যা রোগের ধরণ ও সময় নির্ণয়ে সহায়ক।
Option D Explanation:
- বিশেষজ্ঞ: এডিস এজেপ্টি (Aedes aegypti) মশা ডেঙ্গু ভাইরাসের মূল সংক্রমক মাধ্যম।
- কার্যপ্রণালী: এডিস এজেপ্টি মশা ডেঙ্গু ভাইরাসকে পরিবহন করে এবং মানুষের মধ্যে সংক্রমিত করে।
- উপকারিতা: এই মশার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগের বিস্তার রোধ করা সম্ভব।
- নিয়ন্ত্রণ কৌশল: মশার লার্ভা ধ্বংস, ঘর ও আশেপাশের পানির জমাট বাঁধা রোধ, মশার নিধন কার্যক্রম পরিচালনা ইত্যাদি।