ইথোলজির জনক কে?
সঠিক উত্তরঃ
B.
লরেঞ্জ
Explanation:

Another Explanation (5):
ইথোলজি: আচরণের বিজ্ঞান 🐒
ইথোলজি হলো প্রাণীদের আচরণ এবং তাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে সেই আচরণের বিবর্তন নিয়ে অধ্যয়ন। এই বিজ্ঞান আচরণের পেছনের কারণ, প্রক্রিয়া এবং অভিযোজনগত তাৎপর্য বোঝার চেষ্টা করে।
ইথোলজির জনক: কনরাড লরেঞ্জ 👨🏫
কনরাড লরেঞ্জকে ইথোলজির জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি প্রাণীদের সহজাত আচরণ (instinctive behavior) নিয়ে গবেষণা করে খ্যাতি অর্জন করেন।
লরেঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ অবদানসমূহ:
- ছানা পরিচিতি (Imprinting): হাঁসের বাচ্চা ডিম ফোটার পর যা দেখে তাকেই মা হিসেবে ধরে নেয় – এই ধারণা দেন। 🐣
- আক্রমণাত্মক আচরণ (Aggression): প্রাণীদের মধ্যে মারামারি ও এর কারণ নিয়ে গবেষণা করেন। 😾
- অনুপ্রেরণামূলক আচরণ (Fixed Action Pattern): কিছু আচরণ জন্মগতভাবে নির্দিষ্ট, যা পরিবেশের পরিবর্তনেও বদলায় না।
ইথোলজির গুরুত্বপূর্ণ ধারণা:
| ধারণা | ব্যাখ্যা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| সহজাত আচরণ (Innate Behavior) | জন্মানোর পর থেকেই প্রাণীরা যে আচরণগুলো করতে পারে, যেগুলো শেখানো লাগে না। | মাকড়সার জাল বোনা, পাখির বাসা তৈরি। 🕸️🐦 |
| শেখানো আচরণ (Learned Behavior) | পরিবেশ থেকে শেখা আচরণ, যা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অর্জিত হয়। | শিম্পাঞ্জির বাদাম ভাঙার কৌশল। 🐒🥜 |
| যোগাযোগ (Communication) | প্রাণীরা একে অপরের সাথে বিভিন্ন সংকেত (যেমন শব্দ, অঙ্গভঙ্গি) এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে। | মৌমাছির নৃত্য (waggle dance)। 🐝💃 |
ইথোলজির শাখা:
- আচরণগত বাস্তুবিদ্যা (Behavioral Ecology)
- সমাজজীববিদ্যা (Sociobiology)
- তুলনামূলক মনোবিজ্ঞান (Comparative Psychology)
ইথোলজির ভবিষ্যৎ 🔮
ইথোলজি বর্তমানে আচরণ বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। প্রাণীদের আচরণ এবং পরিবেশের উপর তাদের প্রভাব বুঝতে এই বিজ্ঞান সাহায্য করে। পরিবেশ সুরক্ষায় এবং প্রাণী ব্যবস্থাপনায় এর অবদান অনেক। 🐾🌳
আশা করি, ইথোলজি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। ধন্যবাদ! 😊
Option A Explanation:
- টিনবারজেন (Thomas Hunt Morgan):
- তিনি একজন মার্কিন জেনেটিক্সবিদ, যিনি মূলত ডি-অ্যাক্সিসের উপর গবেষণা করেন।
- তিনি 1933 সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জেনেটিক্সে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য।
- টিনবারজেনের গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল জেনেটিক ট্রান্সমিশন এবং ক্রোমোজোমের ভূমিকা নিয়ে।
- তিনি মাউস বা অন্যান্য জীবের পরিবর্তে ফলমূলের ঝিঙে (ডি-অ্যাক্সিস) ব্যবহার করে জেনেটিক্সের মৌলিক ধারণা উন্নত করেন।
Option B Explanation:
- নাম: লরেঞ্জ
- প্রসিদ্ধতা: জৈব রসায়নে তার গবেষণার জন্য পরিচিত
- মূল গবেষণা ক্ষেত্র: কার্বোহাইড্রেট এবং অণুজীবের সাথে সম্পর্কিত গবেষণা
- অন্য কিছু অবদান: অণুজীবের মাইক্রোবায়োলজিতে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা
- গবেষণার প্রভাব: জীববিজ্ঞান এবং রাসায়নিক বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন
Option C Explanation:
- পেভলো: পেভলো হল এক ধরনের প্রাচীন গ্রিক পণ্ডিত, যিনি মূলতঃ ধাতুকর্ম ও ধাতুবিদ্যার উপর গবেষণা করেছেন। তার গবেষণাগুলি প্রাচীন গ্রিক সভ্যতার ধাতুকর্মের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি ধাতুর গঠন, গঠনপ্রণালী ও প্রক্রিয়াগুলি বিশ্লেষণ করে ধাতুবিদ্যার মৌলিক ধারণাগুলিকে উন্নত করেছেন। তার কাজের মাধ্যমে ধাতুর প্রক্রিয়াকরণ ও ব্যবহার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান অর্জিত হয়।
Option D Explanation:
- এরিস্টটল - প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক হিসেবে তিনি জীববিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- তিনি জীবের জন্ম ও বিকাশের প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন।
- তার মতে, জীবের জন্মের জন্য নির্দিষ্ট "অজান্ত" বা "উৎপত্তি" ধারণা ছিল, যেখানে তিনি বিশ্বাস করতেন যে, জীবের জন্মের জন্য ধীরে ধীরে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া ঘটে।
- তাঁর দৃষ্টিতে, ডিম্বাণু থেকে জীবের সূচনা হয় এবং এই প্রক্রিয়া স্বাভাবিক ও স্বয়ংক্রিয়।