বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ স্বীকৃতি দেয় কোন সংস্থা?
NursingBSCসাধারন জ্ঞান - আন্তর্জাতিকবিভিন্ন সংস্থাবিভিন্ন সংস্থা (Topic Practice)Nursing - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
UNESCO
Explanation:

Another Explanation (5):
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ: ইউনেস্কোর স্বীকৃতি
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ শুধুমাত্র একটি ঐতিহাসিক বক্তৃতা নয়, এটি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। এই ভাষণটিকে ২০১৭ সালের ৩০শে অক্টোবর ইউনেস্কো "মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড" রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে। এর মাধ্যমে ভাষণটি বিশ্বজুড়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। 🥳
ইউনেস্কোর স্বীকৃতির কারণসমূহ:
- ঐতিহাসিক তাৎপর্য: ভাষণটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি করে।
- গণজাগরণ: এটি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ করে তোলে। 💪
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: ভাষণটি বাংলাদেশের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।
- বিশ্ব মানবতার দলিল: এটি বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের মুক্তির অনুপ্রেরণা। ✊
ভাষণের উল্লেখযোগ্য দিক:
- স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণা ("এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম")
- মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান
- অসহযোগ আন্দোলনের দিকনির্দেশনা
- বাঙালি জাতির প্রতি বঙ্গবন্ধুর অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসা 🥰
ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড প্রোগ্রাম সম্পর্কে:
ইউনেস্কোর "মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড" প্রোগ্রামটি বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী দলিলপত্র সংরক্ষণ ও বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার একটি উদ্যোগ। 📝
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:
| তারিখ | ঘটনা |
|---|---|
| ৭ই মার্চ, ১৯৭১ | বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান |
| ৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ | ইউনেস্কোর "মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড" রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত |
উপসংহার
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বিশ্ব মানবতার জন্য এক অমূল্য সম্পদ। ইউনেস্কোর এই স্বীকৃতি বিশ্ব দরবারে আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আরও সম্মানের সাথে তুলে ধরেছে। 👍 এই ভাষণ চিরকাল বাঙালি জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে। 🤩
জয় বাংলা! 🇧🇩