নিম্নের কোনটি করোনারী হার্ট ডিজিজের অন্তর্ভুক্ত নয়?
NITORজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্ররক্ত ও সঞ্চালনহৃদরোগের বিভিন্ন অবস্থায় করনীয় (Topic Practice)NITOR - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
স্ট্রোক
Another Explanation (5): নিম্নের কোনটি করোনারী হার্ট ডিজিজের অন্তর্ভুক্ত নয়?
উত্তর: স্ট্রোক
ব্যাখ্যা:
করোনারী হার্ট ডিজিজ (Coronary Heart Disease) মূলত হৃদয়কে রক্ত সরবরাহকারী করোনারী ধমনীর অবনতি বা বন্ধ হয়ে যাও??়ার কারণে হয়। এটি সাধারণত নিম্নলিখিত রোগগুলির অন্তর্ভুক্ত:
- অ্যানজিনা পেকটোর্সিস (Angina Pectoris)
- হার্ট অ্যাটাক (Myocardial Infarction)
- হৃৎপিণ্ডের ধমনীতে জমাট বাঁধা
- অন্য হৃদযন্ত্র সম্পর্কিত সমস্যা
Option A Explanation:
- এনজাইনা পেকটোরিস হলো একটি সাধারণ হৃদরোগের লক্ষণ, যা সাধারণত হৃদয়ের রক্ত প্রবাহ কমে গেলে হয়।
- এটি একটি চাপ বা ব্যথার অনুভূতি, যা বুকের মধ্যে হয়, বিশেষ করে শারীরিক চাপ বা মানসিক চাপের সময়, এবং সাধারণত বিশ্রামে কমে যায়।
- এনজাইনা পেকটোরিস মূলত হৃৎপিণ্ডের করোনারি ধমনীতে রক্ত প্রবাহের সমস্যা থেকে উদ্ভূত হয়।
- এটি জীবনযাত্রার মান উন্নত করে, তবে যদি উপেক্ষা করা হয়, তবে এটি আরও গুরুতর হৃদরোগে রূপান্তরিত হতে পারে।
Option B Explanation:
- মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (Myocardial Infarction):
- এটি সাধারণত হার্ট এটাক নামে পরিচিত, যেখানে হৃদয়ের পেশীর অংশে রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।
- এটি হৃদয় সংক্রান্ত একটি গুরুতর অবস্থা যা হার্টের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় বা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে পারে।
- প্রধান কারণ হলো coronary arteries-এ ব্লকেজ বা রক্তনালীর বন্ধ হয়ে যাওয়া।
- এটি করোনারি হার্ট ডিজিজের একটি অংশ, তবে এটি একটি উপসর্গ বা ফলাফল হিসেবে বিবেচিত হয়।
Option C Explanation:
- আনস্টেবল এনজাইনা: এটি একটি ধরনের এনজাইনা পেকটোরিস যা সাধারণত স্থির থাকে এবং রোগীর জন্য অপ্রত্যাশিত বা অপ্রত্যাশিতভাবে পরিবর্তিত হয় না। এটি স্থির বা নিয়মিত উপসর্গের জন্য পরিচিত, যা সাধারণত বিশ্রামের সময় বা নির্দিষ্ট শারীরিক পরিশ্রমের সময় হয়।
- অতএব, আনস্টেবল এনজাইনা করোনারি হার্ট ডিজিজের অন্তর্গত নয় কারণ এটি স্থির বা নিয়মিত উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত।
Option D Explanation:
স্ট্রোকের ব্যাখ্যা:
- সংজ্ঞা: স্ট্রোক হলো একটি স্বাস্থ্যজনিত অবস্থা যেখানে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বন্ধ বা কমে যায়, ফলে মস্তিষ্কের অংশগুলি ক্ষতিগ্রস্ত বা মারা যায়।
- প্রকার:
- অক্সিজেনের অভাবে (Ischemic stroke): এটি সবচেয়ে সাধারণ প্রকার, যেখানে রক্তের সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়। সাধারণত ধমনি বন্ধ বা ব্লকেজের কারণে হয়।
- বিকটির কারণে (Hemorrhagic stroke): রক্তক্ষরণ বা ধমনির ছিদ্রের কারণে হয়।
- লক্ষণ: মুখের অস্বাভাবিক ঝুলানো, অচেতনতা, শক্তিহীনতা, কথা বলতে অসুবিধা, দৃষ্টি বিভ্রান্তি ইত্যাদি।
- সেবা: দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি, কারণ দেরি হলে মস্তিষ্কের ক্ষতি আরও বাড়তে পারে।