তিনটি মৌলের কোন সেটের প্রত্যেকটির বহুরুপ আছে?
SUSTUnit-Bরসায়ন প্রথম পত্রমৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধনজটিল যৌগের নামকরণ ও সংকেত (Topic Practice)SUST - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
C.
C,P,O
Explanation: Hints: বহুরুপতা
Solve: N এর কোন বহুরুপতা নেই
Ans. (C)
ব্যাখ্যা:
কার্বনের (C) রূপভেদ: হীরক, গ্রাফাইট
ফসফরাসের রূপভেদ: প্রধানত তিনটি
(i) স্ফটিক ফসফরাস (ii) লোহিত ফসফরাস (iii) কালো ফসফরাস
সালফারের রূপভেদ:
i) দানাদার সালফার: (ক) রম্বিক/অষ্টতলকীয়/α সালফার
(খ) মনোক্লিনিক/প্রিজমেটিক/β সালফার
ii) আদানাদার সালফাল: ক. প্লাস্টিক/নমনীয় সালফার (γ) খ. দূষ্ণ সালফার (δ)
iii) তরল সালফার: ক. ল্যামডা সালফার (λ) খ. মিষ্টি সালফার (μ)
iv) কলয়েডীয় সালফার
Another Explanation (5): ```html
বহুরূপতা: কার্বণ, ফসফরাস ও অক্সিজেন
কিছু মৌলের একাধিক রূপে বিদ্যমান থাকার ঘটনাকে বহুরূপতা (Allotropy) বলে। অর্থাৎ, একই মৌল যখন বিভিন্ন ভৌত রূপে থাকতে পারে, কিন্তু তাদের রাসায়নিক ধর্ম একই থাকে, তখন সেই ঘটনাকে বহুরূপতা বলা হয়। কার্বন (C), ফসফরাস (P) এবং অক্সিজেন (O) - এই তিনটি মৌলের বহুরূপ বিদ্যমান। নিচে তাদের কয়েকটি বহুরূপ নিয়ে আলোচনা করা হলো:
কার্বন (C) এর বহুরুপতা 💎
- হীরা (Diamond): এটি কার্বনের একটি কঠিন রূপ যা অত্যন্ত কঠিন এবং বিদ্যুতের অপরিবাহী। হীরকের প্রতিটি কার্বন পরমাণু চারটি কার্বন পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে।
বৈশিষ্ট্য:- উচ্চ কাঠিন্যতা
- উচ্চ প্রতিসরাঙ্ক
- বিদ্যুৎ অপরিবাহী
- গ্রাফাইট (Graphite): এটি কার্বনের আরেকটি রূপ যা নরম এবং পিচ্ছিল। গ্রাফাইটের প্রতিটি কার্বন পরমাণু তিনটি কার্বন পরমাণুর সাথে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে এবং স্তর আকারে সজ্জিত থাকে। এই স্তরগুলো দুর্বল ভ্যান ডার ওয়ালস বল দ্বারা যুক্ত থাকে।
বৈশিষ্ট্য:- নরম ও পিচ্ছিল
- বিদ্যুৎ পরিবাহী
- উচ্চ গলনাঙ্ক
- ফুলারিন (Fullerene): এটি কার্বনের একটি রূপ যেখানে কার্বন পরমাণুগুলো গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির কাঠামো তৈরি করে। C60 ফুলারিন সবচেয়ে পরিচিত, যেখানে ৬০টি কার্বন পরমাণু থাকে।
বৈশিষ্ট্য:- আকৃতি অনেকটা ফুটবল আকৃতির মতো
- বিভিন্ন জৈব যৌগের দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করা যায়
- গ্রাফিন (Graphene): এটি কার্বনের একটি দ্বি-মাত্রিক (two-dimensional) রূপ।
বৈশিষ্ট্য:- অত্যন্ত শক্তিশালী
- বিদ্যুৎ ও তাপের সুপরিবাহী
ফসফরাস (P) এর বহুরুপতা 🧪
- সাদা ফসফরাস (White Phosphorus): এটি অত্যন্ত সক্রিয় এবং মোম জাতীয় কঠিন পদার্থ। অন্ধকারে এট??? আলো ছড়ায় (Chemiluminescence)। এটি পানিতে অদ্রবণীয় কিন্তু কার্বন ডাইসালফাইডে দ্রবণীয়।
বৈশিষ্ট্য:- অত্যন্ত বিষাক্ত
- স্বতঃস্ফূর্তভাবে আগুন ধরে
- অন্ধকারে আলো দেয়
- লাল ফসফরাস (Red Phosphorus): এটি সাদা ফসফরাসের চেয়ে কম সক্রিয় এবং বিষাক্ত। এটি উত্তপ্ত করলে সাদা ফসফরাসে রূপান্তরিত হয়।
বৈশিষ্ট্য:- কম বিষাক্ত
- সাদা ফসফরাসের চেয়ে স্থিতিশীল
- কালো ফসফরাস (Black Phosphorus): এটি সবচেয়ে স্থিতিশীল এবং কম সক্রিয় ফসফরাসের রূপ।
বৈশিষ্ট্য:- স্তরযুক্ত গঠন
- অর্ধপরিবাহী
অক্সিজেন (O) এর বহুরুপতা 💨
- ডাইঅক্সিজেন (Dioxygen) (O2): এটি অক্সিজেনের সবচেয়ে সাধারণ রূপ, যা আমরা শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য ব্যবহার করি।
বৈশিষ্ট্য:- রঙ ও গন্ধহীন গ্যাস
- জীবনধারণের জন্য অত্যাবশ্যক
- ওজোন (Ozone) (O3): এটি অক্সিজেনের আরেকটি রূপ, যা তিনটি অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা গঠিত। ওজোন স্তর সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি শোষণ করে।
বৈশিষ্ট্য:- তীক্ষ্ণ গন্ধযুক্ত গ্যাস
- অতিবেগুনী রশ্মি শোষণ করে
সংক্ষেপে, কার্বন, ফসফরাস ও অক্সিজেন প্রত্যেকেই বিভিন্ন বহুরূপ প্রদর্শন করে যা তাদের গঠন এবং বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে। এই বহুরূপগুলো বিভিন্ন শিল্প এবং বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে ব??যবহৃত হয়। 🧪🧫🔬
```