“ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই- ছোটো সে তরী” বলতে কী বোঝানো হয়েছে? ২.৫
প্রশ্নোক্ত চরণটিতে মহাকালের প্রতীক সোনার তরীতে মানুষের কর্মের স্থান হলেও সেখানে ব্যক্তিমানুষের যে স্থান হয় না, সে বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।
ব্যক্তিমানুষের মৃত্যু অনিবার্য; তাকে রোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু ব্যক্তির কি কর্মফল বা অর্জনকে মৃত্যু স্পর্শ করতে পারে না। আর তাই সোনার তরীতে কেবল কৃষকের সোনার ধানই ঠাঁই পায়, কিন্তু ব্যক্তিকৃষককে অপূর্ণতার বেদনা নিয়ে অপেক্ষা করতে হয় অনিবার্যভাবে মহাকালের স্রোতে বিলীন হওয়ার জন্য। মানুষ তার কর্মকে রেখে যায়, মানুষের স্থান হয় না এ নশ্বর পৃথিবীতে। মহাকালের অনন্ত প্রবাহে কৃষকরূপী কবির সোনার ধান তথা সৃষ্টি কর্মের ঠাঁই হলেও, ঠাঁই হয় না কর্মীর। প্রশ্নোক্ত চরণটিতে ঠাঁই নাই কথাটির মাধ্যমে জীবনের এই অমোঘ সত্যটিকেই তুলে ধরা হয়েছে।
নম্বর বণ্টনঃ
সোনার তরীতে মানুষের কর্মের স্থান হলেও সেখানে ব্যক্তিমানুষের যে স্থান হয় না লেখলে ০.৫ নম্বর।
মানুষ তার কর্মকে রেখে যায়, মানুষের স্থান হয় না এ নশ্বর পৃথিবীতে লেখলে ০১ নম্বর।
মহাকালের অনন্ত প্রবাহে কৃষকরূপী কবির সোনার ধান তথা সৃষ্টি কর্মের ঠাঁই হলেও, ঠাঁই হয় না কর্মীর লেখলে ০১ নম্বর।
[বি.দ্রঃ একটি বা দুইটি বানান ভুল করলে ০.৫ নম্বর, তিন বা ততোধিক বানান ভুল করলে ০১ নম্বর কাটা যাবে। ]