মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

আমিষ পরিপাক হয়ে সবশেষে কিসে পরিণত হয়?

A. অ্যামাইনো এসিড
B. এসিটিক এসিড
C. গ্লুকোজ
D. ফ্যাটি এসিডগ্লিসারল
E. গ্লিসারল
Poster Download
CUUnit-Fজীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রপরিপাক ও শোষণপরিপাক - মুখগহ্বর, পাকস্থলি ও ক্ষুদ্রান্ত (Topic Practice)CU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ A. অ্যামাইনো এসিড
Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হলো: **অ্যামাইনো এসিড**। **ব্যাখ্যা:** আমিষ বা প্রোটিন আমাদের শরীরে পরিপাকের মাধ্যমে ভেঙে যায় ছোট ছোট উপাদানে, যাতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলি সহজে শোষণ করা যায়। এই প্রক্রিয়ায়, প্রোটিন ভেঙে যায় **অ্যামাইনো এসিডে**। **প্রক্রিয়াটি সংক্ষেপে:** 1. **প্রোটিন** খাবার হিসেবে গ্রহণ করা হয়। 2. পরিপাকতান্ত্রিক এনজাইমের মাধ্যমে প্রোটিন ভেঙে যায় ছোট ছোট **পেপটাইড** ও শেষে **অ্যামাইনো এসিডে**। 3. এই **অ্যামাইনো এসিড** গুলি শরীরের বিভিন্ন কোষে শোষিত হয় এবং নতুন প্রোটিন তৈরিতে বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। **সারসংক্ষেপ:** প্রোটিনের পরিপাকের শেষ ধাপে, তার উপাদানগুলো **অ্যামাইনো এসিডে** পরিণত হয়, যা শরীরের জন্য অপরিহার্য।
Option A Explanation: ```html
  • অ্যামাইনো এসিড:

    আমিষের পচন প্রক্রিয়ায়, প্রোটিন ভেঙে অ্যামাইনো এসিডে রূপান্তরিত হয়।

    এগুলি শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন ও এনজাইমের মূল উপাদান।

    শরীরে অ্যামাইনো এসিড বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়, যেমন নতুন প্রোটিন তৈরিতে, শক্তির জন্য জ্বালানি হিসেবে, বা অন্যান্য জৈব রাসায়নিক উপাদানে রূপান্তরে।

```
Option B Explanation:

এসিটিক এসিডের ব্যাখ্যা

  • প্রাকৃতিক উৎস: এসিটিক এসিড সাধারণত খামির ও ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে পচন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়। এটি সাদা, গন্ধহীন এবং স্বাদে তেতো ধরনের একটি সংযোজক।
  • অর্থনৈতিক ব্যবহার: এটি অ্যাসেটিক অ্যাসিডের মূল উপাদান, যা ভিনেগার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
  • জৈবিক গুরুত্ব: এসিটিক এসিড মূলত কার্বোহাইড্রেটের বিপাকের শেষ পর্যায়ে উৎপন্ন হয় এবং এটি কোষের মধ্যে শক্তি উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • উৎপত্তি: গ্লুকোজের বিপাকের ফলস্বরূপ এসিটিক এসিড তৈরি হয়, যা পরে কোষের শক্তি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
  • রাসায়নিক গঠন: এটি একটি কার্বক্সিলিক অ্যাসিড, যার রাসায়নিক সূত্র C₂H₄O₂।
Option C Explanation:
  • প্রবেশের প্রক্রিয়া: গ্লুকোজ সাধারণত কোষঝিল্লি দিয়ে প্রবেশ করে মূলত সক্রিয় এবং অর্ধসক্রিয় পরিবহনের মাধ্যমে।
  • প্রধান পরিবহন পদ্ধতি: ফ্যাসিলিটেড ডিফিউজন (Facilitated Diffusion) দ্বারা গ্লুকোজ সহজে কোষের ভিতরে প্রবেশ করে।
  • প্রয়োজনীয়তা: শরীরের শক্তির জন্য গ্লুকোজ গুরুত্বপূর্ণ উৎস, তবে এটি সহজে অতিক্রম করতে পারে না কারণ এটি জলদ্রবী এবং বড় আকারের পণ্য।
  • কোষঝিল্লির সীমাবদ্ধতা: কোষঝিল্লি সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত পরিবহন নিশ্চিত করে, তাই গ্লুকোজের মতো বড় বা জলদ্রবী molecules এর জন্য বিশেষ পরিবহন প্রোটিনের প্রয়োজন হয়।
Option D Explanation:
  1. ফ্যাটি এসিড: ফ্যাটি এসিড হলো চর্বির মূল উপাদান। এটি দীর্ঘ চেইনযুক্ত কার্বন-হাইড্রোজেন যৌগ, যা শরীরে শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। শরীরের পরিপাক প্রক্রিয়ায়, ট্রাইগ্লিসারাইডের বিভাজন দ্বারা গঠন হয় ফ্যাটি এসিড।
  2. গ্লিসারল: গ্লিসারল হলো একটি ট্রাইগ্লিসারাইডের গঠনমূলক উপাদান। যখন চর্বি পরিপাক হয়, তখন ট্রাইগ্লিসারাইড ভেঙে যায় গ্লিসারল এবং ফ্যাটি এসিডে। এটি শরীরের চর্বি ভাণ্ডার বা শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে।
Option E Explanation:
  • গ্লিসারল হলো একটি অ্যালকোহল যৌগ যা ট্রাইগ্লিসারাইডের মূল উপাদান হিসেবে কাজ করে।
  • এটি ফ্যাটের ভাঙনের সময় ফ্যাটি এসিডের সাথে যুক্ত হয়ে গঠিত হয়।
  • পাচনতন্ত্রে ফ্যাটের হজমের পর গ্লিসারল নির্ধারিত হয় এবং এটি বিভিন্ন শারীরিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
  • গ্লিসারল শরীরের মধ্যে এনার্জি উৎপাদনে সহায়ক এবং কোলেস্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইডের অংশ হিসেবে কাজ করে।
  • এটি সরাসরি গ্লুকোজে রূপান্তরিত হতে পারে, যা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শক্তি উৎস।