নাইটার এর সংকেত হচ্ছে -
JUUnit-ASet-2রসায়ন প্রথম পত্রমৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধনজটিল যৌগের নামকরণ ও সংকেত (Topic Practice)JU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
সঠিক উত্তরঃ
D.
KNO3
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: নাইটার হলো পটাসিয়াম নাইট্রেট (KNO3), যা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি প্রাকৃতিক উৎস। অপশন বিশ্লেষণ: Option A: NaCl, ভুল; এটি সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণ। Option B: NaNO3, ভুল; এটি সোডিয়াম নাইট্রেট যা নাইটার নয়। Option C: NaF, ভুল; এটি সোডিয়াম ফ্লুরাইড যা একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন যৌগ। Option D: KNO3, সঠিক; এটি পটাসিয়াম নাইট্রেট বা নাইটার। নোট: নাইটারকে প্রাকৃতিক সার হিসেবে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।
Another Explanation (5):
নাইটার (Niter) : গঠন, বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার 🧪
নাইটার, যা পটাশিয়াম নাইট্রেট নামেও পরিচিত, একটি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক যৌগ। এর রাসায়নিক সংকেত হলো KNO3।
নাইটারের পরিচিতি 📝
- নাম: পটাশিয়াম নাইট্রেট (Potassium Nitrate)
- সংকেত: KNO3
- আণবিক ভর: 101.1032 g/mol
- অন্যান্য নাম: সল্টপিটার (Saltpeter)
নাইটারের ভৌত বৈশিষ্ট্য фізичні властивості🌡️
- বর্ণ ও গঠন: সাধারণত সাদা বা বর্ণহীন কঠিন পদার্থ।💎
- গলনাঙ্ক: প্রায় 334 °C (600 K; 633 °F)।🔥
- দ্রবণীয়তা: পানিতে দ্রবণীয়।💧
- গন্ধ: গন্ধহীন।👃
নাইটারের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য хімічні властивості ⚛️
- জারক পদার্থ: এটি একটি শক্তিশালী জারক পদার্থ। ⬆️
- উত্তাপে বিয়োজন: উত্তপ্ত করলে অক্সিজেন নির্গত হয়। 💨
- অগ্নি উৎপাদক: এটি দাহ্য পদার্থ নয়, তবে দাহ্য পদার্থকে জ্বলতে সাহায্য করে। 🔥
নাইটারের ব্যবহার використання 用途 ⚗️
| ক্ষেত্র | ব্যবহার | গুরুত্ব 💡 |
|---|---|---|
| কৃষি 🌾 | সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। | উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য অপরিহার্য। |
| গানপাউডার 💣 | গানপাউডার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। | প্রাচীনকালে বিস্ফোরক হিসেবে ব্যবহার করা হতো। |
| খাদ্য সংরক্ষণ 🍎 | খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় (যেমন, মাংস)। | ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে খাদ্যকে পচন থেকে বাঁচায়। |
| কাচ শিল্প 👓 | কাচ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। | কাচের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। |
| ঔষধ 💊 | কিছু ঔষধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। | যেমন দাঁতের সংবেদনশীলতা কমাতে। |
নাইটার তৈরির পদ্ধতি виробництво 製造 ⚙️
নাইটার বিভিন্ন উপায়ে তৈরি করা যায়, তার মধ্যে অন্যতম হলো:
- প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগ্রহ: কিছু দেশে প্রাকৃতিকভাবে নাইটারের খনি পাওয়া যায়। ⛏️
- রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বারা উৎপাদন: অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং পটাশিয়াম ক্লোরাইডের বিক্রিয়া ঘটিয়ে নাইটার তৈরি করা যায়। 🧪
সতর্কতা ⚠️
নাইটার ব্যবহারের সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত:
- ত্বকের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। 🧤
- শ্বাস নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। 🫁
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। 👶
আশা করি, এই আলোচনা থেকে নাইটার সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 😊
আরও জানতে বিভিন্ন সোর্স থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন। 📚