মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

মানুষের রক্তের গ্রুপিং এর জন্য দায়ী পদার্থ হলাে- 

A. এন্টিবডি
B. এন্টিজেন
C. বিলুরুবিন
D. বিলিভারডিন
Poster Download
RUUnit-CSet-4জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রজিনতত্ত্ব ও বিবর্তনABO ব্লাডগ্রুপ ও Rh ফ্যাক্টর (Topic Practice)RU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ B. এন্টিজেন
Explanation:

Another Explanation (5):

মানুষের রক্তের গ্রুপ: একটি একাডেমিক আলোচনা 🩸

মানুষের রক্তের গ্রুপ একটি জটিল বিষয়। রক্তের গ্রুপ মূলত লোহিত রক্তকণিকার (Red Blood Cells) পৃষ্ঠে থাকা কিছু বিশেষ প্রোটিন বা অ্যান্টিজেনের (Antigens) উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে। এই অ্যান্টিজেনগুলোই রক্তের গ্রুপিংয়ের জন্য দায়ী।

রক্তের গ্রুপের প্রকারভেদ 🧬

প্রধানত রক্তের গ্রুপকে ABO এবং Rh এই দুটি সিস্টেমে ভাগ করা হয়:

ABO সিস্টেম 🅰️🅱️🆎🅾️

এই সিস্টেমে রক্তের গ্রুপগুলো হলো:

  • A: লোহিত রক্তকণিকায় A অ্যান্টিজেন থাকে।
  • B: লোহিত রক্তকণিকায় B অ্যান্টিজেন থাকে।
  • AB: লোহিত রক্তকণিকায় A এবং B উভয় অ্যান্টিজেন থাকে।
  • O: লোহিত রক্তকণিকায় কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না।

Rh সিস্টেম (+/-) ✅❌

এই সিস্টেমে Rh ফ্যাক্টর (D অ্যান্টিজেন) এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি দেখা হয়। যদি Rh ফ্যাক্টর থাকে, তাহলে রক্তকে পজিটিভ (+) এবং না থাকলে নেগেটিভ (-) বলা হয়।

রক্তের গ্রুপ এবং অ্যান্টিজেন/অ্যান্টিবডি 🧪

বিভিন্ন গ্রুপের রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডি থাকে। নিচে এক??ি টেবিলে এটি দেখানো হলো:

রক্তের গ্রুপ লোহিত রক্তকণিকায় অ্যান্টিজেন প্লাজমায় অ্যান্টিবডি কাকে রক্ত দিতে পারবে কার কাছ থেকে রক্ত নিতে পারবে
A+ A, Rh Anti-B A+, AB+ A+, A-, O+, O-
A- A Anti-B, Anti-Rh A+, A-, AB+, AB- A-, O-
B+ B, Rh Anti-A B+, AB+ B+, B-, O+, O-
B- B Anti-A, Anti-Rh B+, B-, AB+, AB- B-, O-
AB+ A, B, Rh কোনোটিই নয় AB+ সব গ্রুপের কাছ থেকে
AB- A, B Anti-Rh AB+, AB- A-, B-, AB-, O-
O+ Rh Anti-A, Anti-B O+, A+, B+, AB+ O+, O-
O- কোনোটিই নয় Anti-A, Anti-B, Anti-Rh সব গ্রুপকে O-

গুরুত্ব 💖

রক্তদানের ক্ষেত্রে রক্তের গ্রুপের মিল থাকা জরুরি। ভুল গ্রুপের রক্ত গ্রহণ করলে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হতে পারে। তাই রক্ত দেওয়ার আগে অবশ্যই রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা উচিত।

অ্যান্টিজেনের ভূমিকা 🔑

অ্যান্টিজেনগুলো শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে (Immune System) জানান দেয় যে কোষগুলো নিজের, বাইরের নয়। যদি অন্য গ্রুপের রক্ত শরীরে প্রবেশ করে, তাহলে ইমিউন সিস্টেম অ্যান্টিবডি তৈরি করে সেই রক্তকণিকাগুলোকে ধ্বংস করে দেয়।

কিছু মজার তথ্য 💡

  • O- গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা (Universal Donor) বলা হয়, কারণ তারা যেকোনো গ্রুপের মানুষকে রক্ত দিতে পারে।
  • AB+ গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা (Universal Recipient) বলা হয়, কারণ তারা যেকোনো গ্রুপের মানুষের কাছ থেকে রক্ত নিতে পারে।

আশা করি, রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। সুস্থ থাকুন! 😊

Option A Explanation:
  • এন্টিবডি (Antibody): এটি একটি প্রোটিন যা শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা (immune system) দ্বারা উৎপন্ন হয়।
    • এন্টিবডি মূলত ক্ষতিকর উপাদান যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা টক্সিনের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
    • এটি অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের নিষ্ক্রিয় করে বা অন্য উপায়ে ধ্বংস করে দেয়।
    • রক্তে এন্টিবডির পরিমাণ বা ধরনের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • এন্টিজেন: এন্টিজেন হলো এমন কোন পদার্থ যা শরীরের প্রতিরক্ষাসম্পন্ন সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে এবং অ্যান্টিবডি উৎপাদনে প্রেরণা দেয়।
  • প্রধানত, এন্টিজেনগুলি ভাইরাসের প্রোটিন বা অন্যান্য অণু হতে পারে যা শরীরে প্রবেশ করে প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় করে।
  • এন্টিজেনের উপস্থিতিতে শরীরের স্বতঃস্ফুর্তভাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর হয়, যেমন ইমিউন সিস্টেমের বিভিন্ন উপাদান কাজ শুরু করে।
  • এন্টিজেনের উদাহরণ হিসেবে ভাইরাসের প্রোটিন কোষ, ব্যাকটেরিয়ার প্যাপিলোমার বা অন্যান্য অণু থাকতে পারে।
Option C Explanation:
  • বিলুরুবিন: বিলুরুবিন হলো একটি হলুদ রঙের পিগমেন্ট, যা লিভার দ্বারা উৎপন্ন হয়।
  • এটি রক্তের লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার সময় তৈরি হয়।
  • বিলুরুবিন মূলত রক্তের মধ্যে অপসারিত হয় এবং পিত্তের সঙ্গে বের হয়ে যায়।
  • এটি শরীরের রঙ্গিন উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ দেখানোর জন্য দায়ী।
  • বিলুরুবিনের স্তর বেড়ে গেলে জন্ডিস নামে পরিচিত রোগের লক্ষণ দেখা যায়।
Option D Explanation: বিলিভারডিনের ব্যাখ্যা

বিলিভারডিনের ব্যাখ্যা

  • পরিভাষা: বিলিভারডিন হলো একটি রংবেরঙের পিগমেন্ট যা শরীরের মধ্যে রক্তের লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার ফলে সৃষ্টি হয়।
  • উৎপত্তি: এটি মূলত লোহিত রক্তকণিকা (এনিমিয়া বা অন্যান্য রক্তজ সমস্যা) ভাঙার ফলে লোহাময় উপাদানের বিপাকের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়।
  • কার্য: বিলিভারডিন মূলত যকৃতে (লিভার) প্রক্রিয়াজাত হয় এবং পরবর্তীতে বর্জ্য হিসেবে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
  • অর্থ: এটি শরীরের রক্তের মধ্যে রঙের পরিবর্তন বা প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তনের কারণ হতে পারে এবং কিছু রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়।
  • সংশ্লিষ্টতা: বিলিভারডিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেলে জন্ডিস বা যকৃৎ রোগের সংকেত দিতে পারে।