মেনু
QB Archive Quiz Creator Graph Poll Mode View Ques Quiz Leaderboard About
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Download Address Academy - Best Offline Education App

কোনটি পত্রঝরা উদ্ভিদ?

A. Pongamia pinnata
B. Heritiera fomes
C. Shorea robusta
D. Ceriops decandra
Poster Download
DUUnit-Aজীববিজ্ঞান প্রথম পত্রজীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষনবাংলাদেশের বিলুপ্তপ্রায় জীব - পরিচিতি ও সংক্ষিপ্ত বিবরণ (Topic Practice)DU - ⚡ অনলাইন প্রশ্নব্যাংক দেখুন 💥
Join Telegram
সঠিক উত্তরঃ C. Shorea robusta
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: পত্রঝরা উদ্ভিদ সেইসব উদ্ভিদ যেগুলি নির্দিষ্ট ঋতুতে পাতা ঝরিয়ে ফেলে। অপশন বিশ্লেষণ: A. Pongamia pinnata: ভুল, এটি একটি চিরসবুজ উদ্ভিদ। B. Heritiera fomes: ভুল, এটি সাধারণত জলাভূমিতে জন্মে এবং পত্রঝরা নয়। C. Shorea robusta: সঠিক, এটি পত্রঝরা উদ্ভিদ যা শুষ্ক মৌসুমে পাতা ঝরিয়ে ফেলে। D. Ceriops decandra: ভুল, এটি জলাভূমিতে জন্মে এবং চিরসবুজ। নোট: পত্রঝরা উদ্ভিদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো শুষ্ক মৌসুমে পানির সংরক্ষণ করতে পাতা ঝরানো।
Another Explanation (5): পত্রঝরা উদ্ভিদ সম্পর্কে ব্যাখ্যা

পত্রঝরা উদ্ভিদ কি?

পত্রঝরা উদ্ভিদ এমন উদ্ভিদ যা ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে তার পত্র (পাতা) ঝরে ফেলে দেয়। এই ধরনের উদ্ভিদ সাধারণত শীতকালীন বা শুষ্ক মৌসুমে তাদের পাতা ঝরে যায়।

উদাহরণস্বরূপ পত্রঝরা উদ্ভিদ

  • শোরা রুবস্টা (Shorea robusta) 🌳
  • বট (Ficus benghalensis) 🌿
  • অশ্বত্থ (Ficus religiosa) 🌱

বিশ্লেষণঃ "Shorea robusta" 🌿

"Shorea robusta" বা সোনার গাছ একটি পত্রঝরা বৃক্ষ। এটি সাধারণত ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথ?? তার পাতা ঝরে ফেলে দেয়। নিচের টেবিলে এর বৈশিষ্ট্যগুলো দেওয়া হলো:

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
প্রকার পত্রঝরা বৃক্ষ 🌳
অবস্থান অধিকাংশ পূর্বাভাসের দেশগুলোতে দেখা যায়, যেমন বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল
পত্রের গুণাবলী শীতকালে পাতা ঝরে যায় এবং বসন্তে নতুন পাতা জন্মে
উপযোগিতা তরুণ গাছের কাঠ ব্যবহার, ওষুধি গুণাবলী

সারসংক্ষেপ

সুতরাং, "Shorea robusta" 🌲 একটি পত্রঝরা উদ্ভিদ। এর পাতা ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে ঝরে যায়, যা এই উদ্ভিদের পত্রঝরা প্রজাতির অন্যতম উদাহরণ। এই বৈশিষ্ট্যটির কারণে এটি অন্যান্য সবজি বা সারাবিশ্বের সবুজ উদ্ভিদ থেকে পৃথক।

Option A Explanation:
  • নাম: Pongamia pinnata
  • পরিবার: Fabaceae (পাসফ্লোর পরিবার)
  • সাধারণ নাম: পিংগালা, পিংগাল, গরু চারা
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি একটি মাঝারি আকারের বৃক্ষ, যা প্রায় ৭ থেকে ১৫ মিটার উঁচু হয়।
  • অঞ্চল: ভারতবর্ষ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে পাওয়া যায়।
  • জীববৈচিত্র্য ও ব্যবহার: এর বীজ থেকে পেট্রোলিয়াম মুক্ত জৈব জ্বালানি তৈরি হয়, এবং এটি ওষুধি গুণাবলীও ধারণ করে।
  • প্রাকৃতিক আবাস: এটি মূলত শুষ্ক ও আর্দ্র পরিবেশে জন্মে, তবে জলাবনেও এটি দেখা যায়।
Option B Explanation:
  • বৈজ্ঞানিক নাম: Heritiera fomes
  • পরিবার: Sterculiaceae (অর্থাৎ, কফি পরিবারের অংশ)
  • অবস্থান: এটি সাধারণত বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের নদী তীরে এবং সুন্দরবনের মতো জলাভূমিতে পাওয়া যায়।
  • প্রকার: এটি একটি বৃহৎ, অর্ধ-অরণ্যপ্রকার গাছ যা সাধারণত ঝোপঝাড়ের মতো দেখতে হয়।
  • ব্যবহার: এর কাঠের উপকারীতা রয়েছে, বিশেষ করে কাঠের কাজের জন্য। এছাড়াও, এর গাছের পাতা ও শাখা প্রাকৃতিক ওষুধি উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • বিশিষ্ট বৈশিষ্ট্য: এর পাতা লম্বা ও আঁশযুক্ত, গাছে ছোট ছোট ফুল ফোটে যা সাদা রঙের।
Option C Explanation:
  • শরীরের বৈশিষ্ট্য: Shorea robusta, যা সাধারণত সুরিয়া বা সুরিয়া গাছ নামে পরিচিত, এর মূলের গোড়ায় শিং আকৃতির মূল (karyotic roots) দেখা যায়।
  • অবস্থান ও পরিবেশ: এই গাছ সাধারণত সুস্থ এবং উর্বর মাটিতে পাওয়া যায়, যেখানে এর মূলের গঠন ও বৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবে হয়।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: শোরিয়া গাছের মূলের গোড়ায় শিং আকৃতির মূলের উপস্থিতি এর পরিচিত বৈশিষ্ট্য, যা মূলের স্থিতিশীলতা বাড়াতে সহায়ক হয় এবং পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • উপকারিতা: এই গাছের কাঠ খুবই মূল্যবান, এবং এর শিং আকৃতির মূল পরিবেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
  • নাম: Ceriops decandra
  • পরিবার: এপোইনেটেসি (Rhizophoraceae)
  • প্রজাতির অবস্থা: বিলুপ্তপ্রায় বা বিপন্নপ্রায়
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ঝোপঝাড় জাতীয় বৃক্ষ, সাধারণত শুষ্ক ও সামুদ্রিক পরিবেশে পাওয়া যায়।
  • প্রয়োজনীয়তা: এর কাঠ, রস ও অন্যান্য অংশের জন্য ব্যবহৃত হলেও পারিপার্শ্বিক পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে এর সংখ্যা কমে আসছে।
  • সংরক্ষণমূল্য: এর সংরক্ষণ ও পুনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।